6:34 pm, Saturday, 7 March 2026

মানুষ স্বস্তি নিয়ে ঈদ পালন করেছে : বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট ::বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, সবাই উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন করেছে। ঈদের ছুটিতে ৫ দিন গ্রামে ছিলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন, সবার মধ্যে একটা স্বস্তি বিরাজ করছে।

ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবস আজ সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে ঈদ ও পয়লা বৈশাখের আনন্দ সাধারণ মানুষের চোখের জলে ভেসে গেছে, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের এমন মন্তব্যের বিষয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঈদের ছুটিতে ৫ দিন আমি আমার গ্রামে ছিলাম, মাঠে ঘাটে চলেছি, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। সবার মধ্যে একটা স্বস্তি দেখতে পেয়েছি। এ ছাড়া এবারের নববর্ষ শুধু ঢাকা শহরে নয় গ্রামেও যেভাবে উদযাপন হয়েছে, মেলা হয়েছে, সেখানে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখেছি।

তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে কেউ কিছু বলে থাকলে সেখানে উত্তর না দেওয়াটাই ভালো। উত্তর দেওয়ার কিছু নাই জনগণই ভালো-মন্দ বলতে পারবে। তারা অস্বস্তিতে আছে কি না, নাকি স্বস্তিতে আছে। তবে আমি সবার মধ্যেই উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ঈদ এবং নববর্ষ উদযাপন করতে দেখেছি। এটাই আমার অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয় উনি রাজনৈতিকভাবে এটা বলেছে এটা নিয়ে উত্তর দেওয়ার কিছু নেই।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল রমজানে মানুষকে স্বস্তি দেওয়া। সেটা রমজানের পরেও অব্যাহত থাকবে কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা রমজান না সারাবছর নিরবিচ্ছিন্নভাবে নিত্যপণ্য সরবরাহের জন্য কাজ করে যাব। আমদানি-রপ্তানি বাজিণ্যসহ সেই সঙ্গে আমাদের লোকাল সাপ্লাই চেইনগুলো শক্তিশালী করবো। আমাদের রমজানটা ব্যাপক চ্যালেঞ্জ ছিল সব কিছুর চাহিদা তিনগুণ বেড়ে যায়। এ জন্য আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, এটা আমার জন্য বড় অভিজ্ঞতা। আপনারা জানেন আমরা দিল্লি থেকে পেঁয়াজ এনেছি। সেই সঙ্গে আমাদের তেল, চিনিসহ নিত্য যে সব পণ্য, সব পণ্য আমাদের পর্যাপ্ত ছিল। একই সঙ্গে দাম ঊর্ধ্বমুখী নয় নিন্মমুখী ছিল। এসব চ্যালেঞ্জ পার হয়ে আসছি।

চালের বস্তায় দাম লিখে দেওয়ার বিষয়ে কত দূর কী করলেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় সঠিক উত্তর দিতে পারবে। সেই সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয় আরও ভালো উত্তর দিতে পারবে। আমাদের মন্ত্রণালয়ের কোনো কিছু থাকলে আমরা সমন্বয় করবো। প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়ের যার যার কাজ করে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো বাজার ব্যবস্থাপনা ও পণ্যের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখা। বিশেষ করে আমদানি করে যে সব জিনিস আনা হয়। আর লোকাল কৃষি পণ্য ও খাদ্য এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বললে ভালো হবে।

আপনি বলেছিলেন পয়লা বৈশাখ থেকে কার্যকর করবেন? সাংবাদিকরা এমন পাল্টা প্রশ্ন করলে টিটু বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ বিষয়টি নোটিশ করেছে। তারপর কি হয়েছে তাদের সঙ্গে কো-অরডিনেশন মিটিং করে বলতে পারব। মিটিংটা করার পরই আমি আপনাদের বলতে পারব।

গ্রামে বেগুন ৫ টাকা সেটা শহরে এসে ৭০ টাকা হয় এ বিষয়ে কি কাজ করছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সংশ্লিষ্ট প্রশ্নটি কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের, তারা ভালো উত্তর দিতে পারবে। আমরা যেটা পারি আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনার যে অংশটুকু আমাদের বিশেষ করে আমদানি ও পাইকারি বাজার। আপনারা দেখেছেন রমজান মাসে যেভাবে কাজ করেছি আমরা বারো মাস একই ভাবে কাজ করবো। তেল, চিনিসহ আমদানি বাজারে যেসব জিনিস রয়েছে সেগুলোতেই আমাদের নজরদারি থাকবে এবং ভোক্তা অধিকারসহ অন্যান্য যেগুলো আছে সেগুলো আমরা দেখব।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণ’ ও নেতা নির্বাচনের দাবিকে ইরানের উপহাস

মানুষ স্বস্তি নিয়ে ঈদ পালন করেছে : বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

Update Time : 10:36:57 am, Monday, 15 April 2024

ডেস্ক রিপোর্ট ::বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, সবাই উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন করেছে। ঈদের ছুটিতে ৫ দিন গ্রামে ছিলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন, সবার মধ্যে একটা স্বস্তি বিরাজ করছে।

ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবস আজ সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে ঈদ ও পয়লা বৈশাখের আনন্দ সাধারণ মানুষের চোখের জলে ভেসে গেছে, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের এমন মন্তব্যের বিষয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঈদের ছুটিতে ৫ দিন আমি আমার গ্রামে ছিলাম, মাঠে ঘাটে চলেছি, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। সবার মধ্যে একটা স্বস্তি দেখতে পেয়েছি। এ ছাড়া এবারের নববর্ষ শুধু ঢাকা শহরে নয় গ্রামেও যেভাবে উদযাপন হয়েছে, মেলা হয়েছে, সেখানে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখেছি।

তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবে কেউ কিছু বলে থাকলে সেখানে উত্তর না দেওয়াটাই ভালো। উত্তর দেওয়ার কিছু নাই জনগণই ভালো-মন্দ বলতে পারবে। তারা অস্বস্তিতে আছে কি না, নাকি স্বস্তিতে আছে। তবে আমি সবার মধ্যেই উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ঈদ এবং নববর্ষ উদযাপন করতে দেখেছি। এটাই আমার অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয় উনি রাজনৈতিকভাবে এটা বলেছে এটা নিয়ে উত্তর দেওয়ার কিছু নেই।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল রমজানে মানুষকে স্বস্তি দেওয়া। সেটা রমজানের পরেও অব্যাহত থাকবে কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা রমজান না সারাবছর নিরবিচ্ছিন্নভাবে নিত্যপণ্য সরবরাহের জন্য কাজ করে যাব। আমদানি-রপ্তানি বাজিণ্যসহ সেই সঙ্গে আমাদের লোকাল সাপ্লাই চেইনগুলো শক্তিশালী করবো। আমাদের রমজানটা ব্যাপক চ্যালেঞ্জ ছিল সব কিছুর চাহিদা তিনগুণ বেড়ে যায়। এ জন্য আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, এটা আমার জন্য বড় অভিজ্ঞতা। আপনারা জানেন আমরা দিল্লি থেকে পেঁয়াজ এনেছি। সেই সঙ্গে আমাদের তেল, চিনিসহ নিত্য যে সব পণ্য, সব পণ্য আমাদের পর্যাপ্ত ছিল। একই সঙ্গে দাম ঊর্ধ্বমুখী নয় নিন্মমুখী ছিল। এসব চ্যালেঞ্জ পার হয়ে আসছি।

চালের বস্তায় দাম লিখে দেওয়ার বিষয়ে কত দূর কী করলেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় সঠিক উত্তর দিতে পারবে। সেই সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয় আরও ভালো উত্তর দিতে পারবে। আমাদের মন্ত্রণালয়ের কোনো কিছু থাকলে আমরা সমন্বয় করবো। প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়ের যার যার কাজ করে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো বাজার ব্যবস্থাপনা ও পণ্যের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখা। বিশেষ করে আমদানি করে যে সব জিনিস আনা হয়। আর লোকাল কৃষি পণ্য ও খাদ্য এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বললে ভালো হবে।

আপনি বলেছিলেন পয়লা বৈশাখ থেকে কার্যকর করবেন? সাংবাদিকরা এমন পাল্টা প্রশ্ন করলে টিটু বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ বিষয়টি নোটিশ করেছে। তারপর কি হয়েছে তাদের সঙ্গে কো-অরডিনেশন মিটিং করে বলতে পারব। মিটিংটা করার পরই আমি আপনাদের বলতে পারব।

গ্রামে বেগুন ৫ টাকা সেটা শহরে এসে ৭০ টাকা হয় এ বিষয়ে কি কাজ করছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সংশ্লিষ্ট প্রশ্নটি কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের, তারা ভালো উত্তর দিতে পারবে। আমরা যেটা পারি আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনার যে অংশটুকু আমাদের বিশেষ করে আমদানি ও পাইকারি বাজার। আপনারা দেখেছেন রমজান মাসে যেভাবে কাজ করেছি আমরা বারো মাস একই ভাবে কাজ করবো। তেল, চিনিসহ আমদানি বাজারে যেসব জিনিস রয়েছে সেগুলোতেই আমাদের নজরদারি থাকবে এবং ভোক্তা অধিকারসহ অন্যান্য যেগুলো আছে সেগুলো আমরা দেখব।