7:57 am, Thursday, 16 July 2026

মৌলভীবাজারের জুড়ী সীমান্তে বিএসএফ ১০ জনকে পুশইন এর অপচেষ্টা: রুখে দিলো বিজিবি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা-কচুরগুল সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ১০ জনকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ এর অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দিনভর এ ঘটনা ঘটে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজন পুরুষ, সাতজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে। পরে ভোর রাতে তারা বিজিবির প্রবল বাঁধার মুখে ভারত ফিরে যায়।
একটি সূত্র জানায়, ভারতীয় বিএসএফ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে স্থানীয় দালাল, নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক এবং গুপ্তচরদের ব্যবহার করে নতুন কৌশল অবলম্বন করে “পুশইন” চেষ্টা অব্যাহত করে যাচ্ছে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধ ‘পুশইন’ করার চেষ্টার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও জুড়ীর সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সীমান্তজুড়ে নজরদারি ও টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বিজিবি জানিয়েছে কিছু মিডিয়া ও মানুষ পুশইনে বিএসএফকে সহযোগিতা করছে এমন গোয়েন্দা তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। তাদের ব্যাপারে বিজিবি কঠোর অবস্থানে আছে বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল আতাউর রহমান বলেন, বিএসএফ যাদেরকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ এর অপচেষ্টা করেছিল, তারা বিজিবির প্রবল বাঁধার মুখে আবারো ভারত ফিরে গিয়েছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশইনের বিষয়ে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত; শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা ও থানা পুরস্কৃত

মৌলভীবাজারের জুড়ী সীমান্তে বিএসএফ ১০ জনকে পুশইন এর অপচেষ্টা: রুখে দিলো বিজিবি

Update Time : 09:14:22 am, Saturday, 4 July 2026

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা-কচুরগুল সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ১০ জনকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ এর অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দিনভর এ ঘটনা ঘটে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজন পুরুষ, সাতজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে। পরে ভোর রাতে তারা বিজিবির প্রবল বাঁধার মুখে ভারত ফিরে যায়।
একটি সূত্র জানায়, ভারতীয় বিএসএফ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে স্থানীয় দালাল, নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক এবং গুপ্তচরদের ব্যবহার করে নতুন কৌশল অবলম্বন করে “পুশইন” চেষ্টা অব্যাহত করে যাচ্ছে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধ ‘পুশইন’ করার চেষ্টার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও জুড়ীর সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সীমান্তজুড়ে নজরদারি ও টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বিজিবি জানিয়েছে কিছু মিডিয়া ও মানুষ পুশইনে বিএসএফকে সহযোগিতা করছে এমন গোয়েন্দা তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। তাদের ব্যাপারে বিজিবি কঠোর অবস্থানে আছে বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল আতাউর রহমান বলেন, বিএসএফ যাদেরকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ এর অপচেষ্টা করেছিল, তারা বিজিবির প্রবল বাঁধার মুখে আবারো ভারত ফিরে গিয়েছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশইনের বিষয়ে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে। দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।