স্টাফ রিপোটার: একটি গ্রাম্য বিবাদকে কেন্দ্র করে একটি নিরপরাধ পরিবারের ওপর ধারাবাহিক জুলুম ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ সাত মাস ধরে রাজনৈতিক ‘ট্যাগ’ ও মিথ্যা মামলার বেড়াজালে পিষ্ট হচ্ছে পরিবারটি। স্থানীয়দের দাবি, লন্ডনে অবস্থানরত ও তার সহযোগীরা গ্রাম শালিশ অবমাননা করে প্রভাবশালী ‘আওয়ামী দোসরের’ অর্থায়ন ও ইন্ধনে এই হয়রানি চালানো হচ্ছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক অপবাদ ভুক্তভোগী পরিবারটি দীর্ঘকাল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা সত্ত্বেও সাত মাস আগে তাদের ওপর কৌশলে ‘আওয়ামী ট্যাগ’ সেঁটে দেওয়া হয়। একটি পুরনো মামলায় আওয়ামী লীগের এক আসামিকে পুলিশি হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার কাল্পনিক অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করানো হয়। স্থানীয় গ্রামবাসীর জানান-, মূলত পরিবারটিকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করতেই এই রাজনৈতিক ভোলবদল ও মামলার আশ্রয় নেওয়া হয়।
নতুন ষড়যন্ত্র ও নারী কেলেঙ্কারির অপবাদ একের পর এক প্রতিবেশীর সঙ্গে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে ভুক্তভোগী পরিবারটি স্থানীয় ভাবে সমাধান চেয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়। তবে গ্রামের মানুষ মিমাংসা করতে চাইলেও লন্ডন থেকে পরিচালিত ওই চক্রটি এতে বাধা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, লন্ডনে থাকা জনৈক ব্যক্তি অর্থ পাঠিয়ে স্থানীয় কিছু সুবিধাবাদীর মাধ্যমে ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে ‘নারী কেলেঙ্কারি’র মিথ্যা অসত্য ও কাল্পনিক অপপ্রচার সোশ্যাল মিডিয়ায় ইন্দন দিচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আগের মামলা ও বর্তমানের সংঘর্ষের ঘটনাকে একীভূত করে পুলিশের ওপর উপর মহল থেকে চাপ সৃষ্টি ও অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে গ্রেপ্তার করানো হয়েছে।
গ্রামবাসীর বক্তব্য এলাকাবাসী এই গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য তাকে টার্গেট করা হয়েছে। গ্রামবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে ভুক্তভোগীর পক্ষে সাক্ষ্য দিলেও প্রবাসে থাকা ওই ‘আওয়ামী দোসর’ টাকার জোরে আইনি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে।
উপসংহার প্রভাবশালী মহলের ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটানোর হাতিয়ার হিসেবে পুলিশ ও মিথ্যা মামলাকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এব্যাপারে মৌলবীবাজার পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করছে। সত্য উৎঘাটনে প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্ত করলে এই ষড়যন্ত্রের মূল হোতাদের মুখোশ উন্মোচিত হোক এমন দাবী করছে অসহায় পরিবারটি ও গ্রামবাসী।

নিজস্ব প্রতিবেদক 



























