3:15 am, Thursday, 13 August 2026

যারা খাদ্যে ভেজাল দেয় তারা সাইলেন্ট কিলার : খাদ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট : খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, খাদ্যে ভেজালকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সাইলেন্ট কিলার। যারা খাদ্যে ভেজাল দেয় তারাই সাইলেন্ট কিলার। এই কাজ যারা করছে, তাদের কাছে আমাদের পৌঁছাতে হবে। সবাই মিলে তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন দ্রুত খাদ্য নিরাপদ করতে চাই। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে স্মার্ট খাদ্য দরকার। সেজন্য স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি গড়ে তুলতে হবে, যা বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে অসম্ভব নয়।
তিনি বলেন, আমরা যত দ্রুত পারি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা চাই। কিন্তু তার জন্য অনেক কাজ করতে হবে। তবে আমাদের লক্ষ্য অনেক লম্বা মনে করলে চলবে না। সেটা যত তারাতাড়ি সম্ভব নিশ্চিত করতে হবে।
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি প্রতিবাদী হওয়া প্রয়োজন মন্তব্য করে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, আগামী এক-দুই বছরের মধ্যে শতভাগ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করবে সরকার।
এর আগে খাদ্য সচিব বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে খাদ্য নিরাপত্তা বড় চ্যালেঞ্জিং। এরপর আসে খাদ্য নিরাপদ কতটা। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। তবে এটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। এটা সরকারি সংস্থা বা কারও একার পক্ষে সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, তবে আমদানি রপ্তানি ঠেকানোর জন্য নয়, দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় নিরাপদ খাদ্য বাস্তবায়ন করা জরুরি। যে খাদ্য নিরাপদ নয় সেটা খাদ্য বলতে চাই না।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের একযুগপূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি।

যারা খাদ্যে ভেজাল দেয় তারা সাইলেন্ট কিলার : খাদ্যমন্ত্রী

Update Time : 12:13:24 pm, Thursday, 2 February 2023

ডেস্ক রিপোর্ট : খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, খাদ্যে ভেজালকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সাইলেন্ট কিলার। যারা খাদ্যে ভেজাল দেয় তারাই সাইলেন্ট কিলার। এই কাজ যারা করছে, তাদের কাছে আমাদের পৌঁছাতে হবে। সবাই মিলে তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন দ্রুত খাদ্য নিরাপদ করতে চাই। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে স্মার্ট খাদ্য দরকার। সেজন্য স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি গড়ে তুলতে হবে, যা বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে অসম্ভব নয়।
তিনি বলেন, আমরা যত দ্রুত পারি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা চাই। কিন্তু তার জন্য অনেক কাজ করতে হবে। তবে আমাদের লক্ষ্য অনেক লম্বা মনে করলে চলবে না। সেটা যত তারাতাড়ি সম্ভব নিশ্চিত করতে হবে।
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি প্রতিবাদী হওয়া প্রয়োজন মন্তব্য করে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, আগামী এক-দুই বছরের মধ্যে শতভাগ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করবে সরকার।
এর আগে খাদ্য সচিব বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে খাদ্য নিরাপত্তা বড় চ্যালেঞ্জিং। এরপর আসে খাদ্য নিরাপদ কতটা। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। তবে এটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। এটা সরকারি সংস্থা বা কারও একার পক্ষে সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, তবে আমদানি রপ্তানি ঠেকানোর জন্য নয়, দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় নিরাপদ খাদ্য বাস্তবায়ন করা জরুরি। যে খাদ্য নিরাপদ নয় সেটা খাদ্য বলতে চাই না।