7:45 pm, Saturday, 10 October 2026

যুবলীগ শেখ হাসিনার জন্য সর্বোচ্চ আত্মাহুতি দিতে প্রস্তুত : পরশ

অনলাইন ডেস্ক:: যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যুবলীগ নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার জন্য সর্বোচ্চ আত্মাহুতি দিতে প্রস্তুত। আজ শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আগামীকাল রোববার শেখ ফজলুল হক মনির জন্মদিন পালন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, আমাদের কাছে শেখ ফজলুল হক মনি বিশ্বস্ততার প্রতীক। ১৫ আগস্টের প্রথম শহীদ হিসেবে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে তিনি আনুগত্য ও বীরত্বের উদাহরণ রেখে গেছেন।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, আমার বাবা শেখ মনির জন্মদিন আমার কাছে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। বাবা শেখ মনিকে আমি খুব কম সময় পেয়েছি। বাবা মুক্তিযুদ্ধ, সাংবাদিকতা, লেখালেখি, রাজনীতি, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গঠন নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত সময় কাটাতেন। বাবাকে যতটুকু সময় পেয়েছি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ স্মৃতি হিসেবে তা চিরভাস্বর। বাবা যে জ্ঞান চর্চা করতে ভালোবাসতেন, তা বাবার ব্যক্তিগত লাইব্রেরি দেখে অনুমান করা যায়। বাবা বাংলাদেশকে একটা জ্ঞানভিত্তিক প্রগতিশীল, বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন।

তিনি বলেন, বাবার কর্ম ও মমত্ববোধ আমাকে বেশি নাড়া দেয়। তিনি আত্মকেন্দ্রিক রাজনীতিবিদ ছিলেন না, নেতাকর্মীদের প্রতি তার অপরিসীম দরদ ছিল। ব্যক্তিগতভাবে আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বাবার ভূমিকা নিয়ে সবচেয়ে বেশি গর্ববোধ করি।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

যুবলীগ শেখ হাসিনার জন্য সর্বোচ্চ আত্মাহুতি দিতে প্রস্তুত : পরশ

Update Time : 11:25:52 am, Saturday, 3 December 2022

অনলাইন ডেস্ক:: যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যুবলীগ নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার জন্য সর্বোচ্চ আত্মাহুতি দিতে প্রস্তুত। আজ শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আগামীকাল রোববার শেখ ফজলুল হক মনির জন্মদিন পালন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, আমাদের কাছে শেখ ফজলুল হক মনি বিশ্বস্ততার প্রতীক। ১৫ আগস্টের প্রথম শহীদ হিসেবে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে তিনি আনুগত্য ও বীরত্বের উদাহরণ রেখে গেছেন।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, আমার বাবা শেখ মনির জন্মদিন আমার কাছে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। বাবা শেখ মনিকে আমি খুব কম সময় পেয়েছি। বাবা মুক্তিযুদ্ধ, সাংবাদিকতা, লেখালেখি, রাজনীতি, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গঠন নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত সময় কাটাতেন। বাবাকে যতটুকু সময় পেয়েছি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ স্মৃতি হিসেবে তা চিরভাস্বর। বাবা যে জ্ঞান চর্চা করতে ভালোবাসতেন, তা বাবার ব্যক্তিগত লাইব্রেরি দেখে অনুমান করা যায়। বাবা বাংলাদেশকে একটা জ্ঞানভিত্তিক প্রগতিশীল, বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন।

তিনি বলেন, বাবার কর্ম ও মমত্ববোধ আমাকে বেশি নাড়া দেয়। তিনি আত্মকেন্দ্রিক রাজনীতিবিদ ছিলেন না, নেতাকর্মীদের প্রতি তার অপরিসীম দরদ ছিল। ব্যক্তিগতভাবে আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বাবার ভূমিকা নিয়ে সবচেয়ে বেশি গর্ববোধ করি।