হাসান আল মাহমুদ রাজু : অধ্যক্ষ স্যারের শেষ কর্মদিবস সাধারণত আবেগপূর্ণ বিদায় সংবর্ধনা, সহকর্মীদের স্মৃতিচারণ, শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো এবং সম্মাননা স্মারক প্রদানের মাধ্যমে পালিত হয় । দীর্ঘ কর্মজীবনের অবসান ও অবসরে গমনের এই দিনটি শিক্ষকদের জন্য একটি স্মরণীয় মুহূর্ত। আতাউর রহমান ১৯৯৮ সালে কুলাউড়া উপজেলার লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের কর্ম জীবনে প্রবেশ করেন।সে থেকে তিনি এখন পর্যন্ত সুনামের সাথে তাহার কর্ম দিন গুলো কলেজের দায়িত্ব পালন করেছেন।কলেজের গভর্নিং বডি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় এলাকাবাসীর থাতে ছিল মধুর এক সম্পর্ক। ১৯৯৮ থেকে ৯ এপ্রিল ২০২৬ লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আতাউর রহমানের শেষ কর্ম দিবস ছিল।
আবেগঘন বিদায় ফুলেল শুভেচ্ছা, মালা পরানো এবং অনেক ক্ষেত্রে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে বিদায় জানানোর মতো ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়।
সম্মাননা ও দোয়া: প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ এবং কর্মজীবনের সাফল্যের জন্য ও এক আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়। উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কলেজের গভর্নিং বডি সদস্য,শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বৃন্দরা।
যানাযায় আগামী ১৮ তারিখ কলেজের গভর্নিং বডি, শিক্ষক ও প্রাক্তন বর্তমান শিক্ষার্থীদের আয়োজনে অধ্যক্ষ স্যারকে কলেজে একটি বড় আকারে সংবর্ধনা ও জাকজমক আনুষ্ঠানিক ভাবে বিদায় দিবেন।
শিক্ষকের জীবন-মানের উন্নয়ন হোক, তৈরি হোক যোগ্য শিক্ষক, আলোকিত হোক সমাজের প্রতি মানুষ, বিশ্ব শিক্ষক দিবসে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। উপস্থিত সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















