7:12 pm, Wednesday, 17 December 2025

শিমুলিয়া ঘাটে ঈদের ছুটিতে ঘরমুখী মানুষের ঢল

ডেস্ক রিপোর্ট :: পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে আজ রোববার মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় ঘরমুখো মানুষের ঢল দেখা গেছে।

দেশের দণি-পশ্চিমাঞ্চলের ২৩ জেলার প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া ঘাট। গত কয়েক দিনের তুলনায় এ ঘাটে যানবাহন ও যাত্রী পারাপারের চাপ বেড়েছে। ফেরি স্বল্পতায় দণিবঙ্গের ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। এতে পারাপারের অপোয় রয়েছে আট শতাধিক ছোট-বড় যানবাহন।

নৌপথে ছোট-বড় মিলিয়ে ১০টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। পাশাপাশি রয়েছে ৮৫টি লঞ্চ ও ১৫২টি স্পিডবোটসহ আটটি ট্রলার।

সাহ্রির সময় থেকে পরিবারের সঙ্গে ঈদ-আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী থেকে শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে আসতে শুরু করে দণিাঞ্চলের মানুষ। এতে বেলা বাড়ার সঙ্গে যানবাহনের সারি দীর্ঘ হতে শুরু করে।

এদিকে স্পিডবোট ও লঞ্চঘাট যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় রয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ থাকলেও বাড়ি ফিরতে পেরে আনন্দিত যাত্রীরা।

এক নম্বর ঘাট দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল পার করছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। আর মোটরসাইকেল পার করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপকে। সকাল থেকে চারটি ফেরিতে কয়েক হাজার মোটরসাইকেল পার করেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপরে (বিআইডব্লিউটিএ) শিমুলিয়া বন্দর কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, সকাল থেকে প্রচণ্ড রকমের যাত্রীদের চাপ রয়েছে। স্পিডবোট ও লঞ্চঘাট এলাকায় পা ফেলার মতো জায়গা নেই। ভোর থেকে ১৫২টি স্পিডবোট ও ৮৫টি লঞ্চ দিয়ে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। গতকাল রাতে ৭টায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ করা হয়। আজ সকালে আবার লঞ্চ চলাচল শুরু হয়। গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ যাত্রী যারা বাসে করে, অটোরিকশায় করে আসছে, তাদের সংখ্যাটাই বেশি। তারাই লঞ্চে পারাপার হচ্ছে। যাদের টাকা নিয়ে সমস্যা নেই, তারা স্পিডবোটে পারাপার হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জামাল হোসেন জানান, বর্তমানে মোট ১০টি ফেরি পারাপারে কাজ করছে। সকাল থেকে এ পর্যন্ত কয়েক শতাধিক গাড়ি পারাপার হয়েছে। ঘাট এলাকায় প্রায় আট শতাধিক যানবাহন রয়েছে। তবে মহাসড়কের কোন গাড়ি থাকে, এটা আমাদের জানা নেই। ১ নম্বর ফেরিঘাট দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল পারাপার করছি। এ ঘাটটিকে শুধু মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সকাল থেকে শুধু মোটরসাইকেল বহন করে চারটি ফেরি ছাড়া হয়েছে। কতো সংখ্যক মোটরসাইকেল পারাপার হয়েছে, তা বলা মুশকিল। তবে, ঘাট এলাকায় যতো মোটরসাইকেল, আরও ১০টি ফেরি ছেড়ে গেলেও শেষ হবে না। মোটরসাইকেলের চাপই এবার ঈদযাত্রায় সবচেয়ে বেশি।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় ছাত্রশক্তি, মৌলভীবাজার জেলা শাখার পুষ্পস্তবক অর্পণ।

শিমুলিয়া ঘাটে ঈদের ছুটিতে ঘরমুখী মানুষের ঢল

Update Time : 05:55:29 am, Sunday, 1 May 2022

ডেস্ক রিপোর্ট :: পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে আজ রোববার মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় ঘরমুখো মানুষের ঢল দেখা গেছে।

দেশের দণি-পশ্চিমাঞ্চলের ২৩ জেলার প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া ঘাট। গত কয়েক দিনের তুলনায় এ ঘাটে যানবাহন ও যাত্রী পারাপারের চাপ বেড়েছে। ফেরি স্বল্পতায় দণিবঙ্গের ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। এতে পারাপারের অপোয় রয়েছে আট শতাধিক ছোট-বড় যানবাহন।

নৌপথে ছোট-বড় মিলিয়ে ১০টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। পাশাপাশি রয়েছে ৮৫টি লঞ্চ ও ১৫২টি স্পিডবোটসহ আটটি ট্রলার।

সাহ্রির সময় থেকে পরিবারের সঙ্গে ঈদ-আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী থেকে শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে আসতে শুরু করে দণিাঞ্চলের মানুষ। এতে বেলা বাড়ার সঙ্গে যানবাহনের সারি দীর্ঘ হতে শুরু করে।

এদিকে স্পিডবোট ও লঞ্চঘাট যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় রয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ থাকলেও বাড়ি ফিরতে পেরে আনন্দিত যাত্রীরা।

এক নম্বর ঘাট দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল পার করছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। আর মোটরসাইকেল পার করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপকে। সকাল থেকে চারটি ফেরিতে কয়েক হাজার মোটরসাইকেল পার করেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপরে (বিআইডব্লিউটিএ) শিমুলিয়া বন্দর কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, সকাল থেকে প্রচণ্ড রকমের যাত্রীদের চাপ রয়েছে। স্পিডবোট ও লঞ্চঘাট এলাকায় পা ফেলার মতো জায়গা নেই। ভোর থেকে ১৫২টি স্পিডবোট ও ৮৫টি লঞ্চ দিয়ে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। গতকাল রাতে ৭টায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ করা হয়। আজ সকালে আবার লঞ্চ চলাচল শুরু হয়। গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ যাত্রী যারা বাসে করে, অটোরিকশায় করে আসছে, তাদের সংখ্যাটাই বেশি। তারাই লঞ্চে পারাপার হচ্ছে। যাদের টাকা নিয়ে সমস্যা নেই, তারা স্পিডবোটে পারাপার হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জামাল হোসেন জানান, বর্তমানে মোট ১০টি ফেরি পারাপারে কাজ করছে। সকাল থেকে এ পর্যন্ত কয়েক শতাধিক গাড়ি পারাপার হয়েছে। ঘাট এলাকায় প্রায় আট শতাধিক যানবাহন রয়েছে। তবে মহাসড়কের কোন গাড়ি থাকে, এটা আমাদের জানা নেই। ১ নম্বর ফেরিঘাট দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল পারাপার করছি। এ ঘাটটিকে শুধু মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সকাল থেকে শুধু মোটরসাইকেল বহন করে চারটি ফেরি ছাড়া হয়েছে। কতো সংখ্যক মোটরসাইকেল পারাপার হয়েছে, তা বলা মুশকিল। তবে, ঘাট এলাকায় যতো মোটরসাইকেল, আরও ১০টি ফেরি ছেড়ে গেলেও শেষ হবে না। মোটরসাইকেলের চাপই এবার ঈদযাত্রায় সবচেয়ে বেশি।