তিনি বলেছেন, বই আমাদের মনের জানালা খোলে দেয়, নতুন প্রেরণা জোগায়। কিন্তু বর্তমানে শিশুরা বইয়ের চেয়ে স্মার্ট ফোনের ছোঁয়া বেশি পাচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম যারা আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর, তাদের এখন থেকে বইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া জরুরি। তাদের উদার মন, সৎ, সহনশীল ও খাটি দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সবার। বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে অ্যাডভোকেট আবুল খায়েরের লেখা তিনটি বইয়ের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বই তিনটি হলো- ‘ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু’, ‘আদি ভারতবর্ষ থেকে বাংলাদেশ’ এবং ‘কবিতায় প্রিয় বাংলাদেশ’।
প্রধান বিচারপতি বলেন, বই একটা জাতিকে পরিবর্তনের পথ দেখাতে পারে। মননশীল ও সৃজনশীল জাতি গঠনে বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। বই পড়ে যে নির্মল আনন্দ পাওয়া যায় তা অন্য কোনো কিছুতে পাওয়া সম্ভব নয়। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের কল্পনাশক্তির বিকাশ ঘটে। বই পড়ার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞানের আলোব ছটায় ঋদ্ধ হোক আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। অতিরিক্ত প্রযুক্তিনির্ভরতা বই পড়ার অভ্যাসে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুন নুর দুলালের সঞ্চালনায় বরেণ্য কথাসাহিত্যিক ও বাংলা একাডেমির চেয়ারম্যান সেলিনা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ও প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন, সিনিয়র আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বারের) সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির, বারের সাবেক সম্পাদক ড. বশির আহমেদ, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নবনির্বাচিত সদস্য অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা, ড. মিল্টন কুমার দে ও ড. আলমগীর আলম প্রমুখ।

নিজস্ব প্রতিবেদক 
























