4:16 am, Sunday, 19 April 2026

শ্রীমঙ্গলে আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার মাইজদিহি এলাকায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী’র বিশেষ উপহার ভূমি ও গৃহহীনদের জন্য তৈরী করা আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

রবিবার দুপুরে নতুন এ প্রকল্পের ঘরে উঠা নারী ও পুরুষের সাথে তিনি কথা বলেন।

নির্মিত এবং নির্মাণাধীন বাড়িগুলোর নির্মাণশৈলী ও গুণগতমান, অনুমোদিত ডিজাইন ও প্রাক্কলন অনুযায়ী হয়েছে কিনা তা যাচাই করেন।

পরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্যেশ্যে মুখ্য সচিব বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভূমিহীনদের এ ভাবে বাড়ি-ঘড় করে দেয়া হয় না। বড় বড় বিল্ডিং করলে কিন্তু সুখ আসে না। সুখ আসে কিন্তু বন্ধুত্বে, সুখ আসে পারিবারিক বন্ধনে। এখানে আপনারা সে রকম একটি অসাধারণ পরিবেশ তৈরী করেছেন। সেটাকে যদি ধরে রাখতে হয় তাহলে সবাই মিলে এখানে বসবাস করে সেই পরিবেশটা যদি নিয়ে আসতে পারি তাহলে আমরা সার্থক।

তিনি আরও বলেন, আশ্রায়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের হারানো সংস্কৃতি ফিরে পাবে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্রায়ন প্রকল্পকে এবাদত হিসেবে বেঁছে নিয়েছেন। আমরাও এবাদত হিসেবে নিবো। আশা করি আমরা সবাই মিলে এই যে নুতন একটি যাত্রা শুরু হয়েছে সেটাকে সফল করবো। তিনি আগামী এক বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গরুপে কাজ শেষের তাগিদ দেন।

আশ্রয় প্রকল্পের আওতায় মাজদিহি এলাকায় উপকারভোগীদের জন্য ৩০০ টি ঘর রয়েছে। এর আগে মুখ্য সচিব প্রকল্প এলাকায় গাছের চারা রোপন করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট বিভাগের কমিশনার মো. খলিলুর রহমান, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, জেলাপ্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণসহ অন্যন্যরা।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ার হাওরে বোরো ধান কাটার মহোৎসব

শ্রীমঙ্গলে আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

Update Time : 10:30:53 am, Sunday, 19 September 2021

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার মাইজদিহি এলাকায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী’র বিশেষ উপহার ভূমি ও গৃহহীনদের জন্য তৈরী করা আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

রবিবার দুপুরে নতুন এ প্রকল্পের ঘরে উঠা নারী ও পুরুষের সাথে তিনি কথা বলেন।

নির্মিত এবং নির্মাণাধীন বাড়িগুলোর নির্মাণশৈলী ও গুণগতমান, অনুমোদিত ডিজাইন ও প্রাক্কলন অনুযায়ী হয়েছে কিনা তা যাচাই করেন।

পরে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্যেশ্যে মুখ্য সচিব বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভূমিহীনদের এ ভাবে বাড়ি-ঘড় করে দেয়া হয় না। বড় বড় বিল্ডিং করলে কিন্তু সুখ আসে না। সুখ আসে কিন্তু বন্ধুত্বে, সুখ আসে পারিবারিক বন্ধনে। এখানে আপনারা সে রকম একটি অসাধারণ পরিবেশ তৈরী করেছেন। সেটাকে যদি ধরে রাখতে হয় তাহলে সবাই মিলে এখানে বসবাস করে সেই পরিবেশটা যদি নিয়ে আসতে পারি তাহলে আমরা সার্থক।

তিনি আরও বলেন, আশ্রায়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের হারানো সংস্কৃতি ফিরে পাবে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্রায়ন প্রকল্পকে এবাদত হিসেবে বেঁছে নিয়েছেন। আমরাও এবাদত হিসেবে নিবো। আশা করি আমরা সবাই মিলে এই যে নুতন একটি যাত্রা শুরু হয়েছে সেটাকে সফল করবো। তিনি আগামী এক বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গরুপে কাজ শেষের তাগিদ দেন।

আশ্রয় প্রকল্পের আওতায় মাজদিহি এলাকায় উপকারভোগীদের জন্য ৩০০ টি ঘর রয়েছে। এর আগে মুখ্য সচিব প্রকল্প এলাকায় গাছের চারা রোপন করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট বিভাগের কমিশনার মো. খলিলুর রহমান, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, জেলাপ্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণসহ অন্যন্যরা।