10:48 pm, Monday, 10 August 2026

সদর উপজেলার কাদিপুর গ্রামের পুরো রাস্তাটিই চলাচলের অযোগ্য: জনগনের চরম দূর্ভোগ

স্টাফ রিপোর্টার :: মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার জলের গ্রাম অন্তেহরি ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাদিপুর গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি গত ৮ বছর ধরে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে।
পুরো রাস্তাটিই এখন চলাচলের অযোগ্য। এ বস্থায় মানুষকে পোহাতে হয় চরম দূর্ভোগ। সংশ্লিষ্টদের কাছে বার বার ধর্না দিয়েও কোন ফলাফল হয়নি। চলমান বর্ষায় রাস্তার জন্য এ দুই গ্রামের মানুষ বন্দিবস্থায় রয়েছেন। এ বস্থায় বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী রাজনগর ফতেপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নকুল চন্দ্র দাশের নেতৃত্বে দুই গ্রামের শতাধিক মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে পলিমাটি ও আধলা ইট দিয়ে দেড় কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করেন। এ সময় গ্রামবাসী বলেন, এটি জলের গ্রাম হিসেবে খ্যাত।ফলে এখানে প্রচুর পর্যটকের আগমন ঘটতো কিন্তু রাস্তার জন্য পর্যটকরা এ গ্রামে আসতে পারেন না। এ সময় তারা বলেন এ দুই গ্রামের মানুষ কাউয়াদিঘি হাওর থেকে শত শত টন ধান তুলেন, কোটি কেটি টাকার মাছ মারেন। যে কারনে গ্রামে প্রচুর যানবাহন আসতে হয়। পরিবহনের কারনে তারা নায্যমুল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছের্ন।
গ্রামবাসী একটি স্থায়ী রাস্তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আর্কশন করেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক-সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

সদর উপজেলার কাদিপুর গ্রামের পুরো রাস্তাটিই চলাচলের অযোগ্য: জনগনের চরম দূর্ভোগ

Update Time : 10:20:47 am, Thursday, 15 July 2021

স্টাফ রিপোর্টার :: মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার জলের গ্রাম অন্তেহরি ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাদিপুর গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি গত ৮ বছর ধরে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে।
পুরো রাস্তাটিই এখন চলাচলের অযোগ্য। এ বস্থায় মানুষকে পোহাতে হয় চরম দূর্ভোগ। সংশ্লিষ্টদের কাছে বার বার ধর্না দিয়েও কোন ফলাফল হয়নি। চলমান বর্ষায় রাস্তার জন্য এ দুই গ্রামের মানুষ বন্দিবস্থায় রয়েছেন। এ বস্থায় বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী রাজনগর ফতেপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নকুল চন্দ্র দাশের নেতৃত্বে দুই গ্রামের শতাধিক মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে পলিমাটি ও আধলা ইট দিয়ে দেড় কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করেন। এ সময় গ্রামবাসী বলেন, এটি জলের গ্রাম হিসেবে খ্যাত।ফলে এখানে প্রচুর পর্যটকের আগমন ঘটতো কিন্তু রাস্তার জন্য পর্যটকরা এ গ্রামে আসতে পারেন না। এ সময় তারা বলেন এ দুই গ্রামের মানুষ কাউয়াদিঘি হাওর থেকে শত শত টন ধান তুলেন, কোটি কেটি টাকার মাছ মারেন। যে কারনে গ্রামে প্রচুর যানবাহন আসতে হয়। পরিবহনের কারনে তারা নায্যমুল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছের্ন।
গ্রামবাসী একটি স্থায়ী রাস্তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আর্কশন করেন।