2:16 am, Tuesday, 11 August 2026

সব স্টেশনের কাউন্টারে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু

ডেস্ক রিপোর্ট:: করোনার কারণে দুই মাস পর আবারও কমলাপুর রেল স্টেশনেরে টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (০৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনসহ দেশের সব স্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হয়।

বাংলাদেশ রেলওয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনার ঝুঁকি এড়াতে সরকারি নির্দেশনা মেনে অর্ধেক আসনে ট্রেন চলাচল করছে। যার টিকিট একই সঙ্গে কাউন্টার ও অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে। ট্রেনের মূল আসন সংখ্যার ২৫ শতাংশ টিকিট মোবাইল অ্যাপ এবং ২৫ শতাংশ টিকিট কাউন্টারে বিক্রয় করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, যাত্রার ৪৮ ঘণ্টা আগে অবিক্রিত টিকিট একইসঙ্গে অনলাইন/কাউন্টার থেকে কেনা যাবে। সে সঙ্গে ক্রয়কৃত আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট ফেরত (রিফান্ড) দিতেও পারবেন।

করোনাকালে ট্রেন পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে বিশেষ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে- আসনবিহীন টিকিট বিক্রি করা হবে না। তাই অযথা কাউন্টারে ভিড় করা থেকে বিরত থাকুন। টিকিটবিহীন কোনো যাত্রী স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবেন না। ট্রেনে প্রবেশ ও বাহিরের জন্য ভিন্ন ভিন্ন দরজা ব্যবহার করতে হবে। অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মাস্ক ব্যতীত কোনো যাত্রীকে স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে দেওয়া হবে না।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে গত ৫ এপ্রিল তারিখ থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের সব যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। গত ২৩ মে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক ২৪ মে থেকে সরকার কর্তৃক বিদ্যমান আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক-সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

সব স্টেশনের কাউন্টারে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু

Update Time : 07:12:18 am, Tuesday, 8 June 2021

ডেস্ক রিপোর্ট:: করোনার কারণে দুই মাস পর আবারও কমলাপুর রেল স্টেশনেরে টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (০৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনসহ দেশের সব স্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হয়।

বাংলাদেশ রেলওয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনার ঝুঁকি এড়াতে সরকারি নির্দেশনা মেনে অর্ধেক আসনে ট্রেন চলাচল করছে। যার টিকিট একই সঙ্গে কাউন্টার ও অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে। ট্রেনের মূল আসন সংখ্যার ২৫ শতাংশ টিকিট মোবাইল অ্যাপ এবং ২৫ শতাংশ টিকিট কাউন্টারে বিক্রয় করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, যাত্রার ৪৮ ঘণ্টা আগে অবিক্রিত টিকিট একইসঙ্গে অনলাইন/কাউন্টার থেকে কেনা যাবে। সে সঙ্গে ক্রয়কৃত আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট ফেরত (রিফান্ড) দিতেও পারবেন।

করোনাকালে ট্রেন পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে বিশেষ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে- আসনবিহীন টিকিট বিক্রি করা হবে না। তাই অযথা কাউন্টারে ভিড় করা থেকে বিরত থাকুন। টিকিটবিহীন কোনো যাত্রী স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবেন না। ট্রেনে প্রবেশ ও বাহিরের জন্য ভিন্ন ভিন্ন দরজা ব্যবহার করতে হবে। অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মাস্ক ব্যতীত কোনো যাত্রীকে স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে দেওয়া হবে না।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে গত ৫ এপ্রিল তারিখ থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের সব যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। গত ২৩ মে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক ২৪ মে থেকে সরকার কর্তৃক বিদ্যমান আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়।