4:24 am, Thursday, 18 June 2026

সমুদ্র পরিবহনে এগোচ্ছে দেশ বাড়ছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী বিদেশগামী জাহাজ

ডেস্ক রিপোর্ট :: # তিন বছরে ৪৩টি থেকে বেড়ে ৯১টিতে দাঁড়িয়েছে
#এর মধ্যে কনটেইনার ভ্যাসেল ৬টি
# দেশের টাকা দেশেই থাকছে, আসছে বৈদেশিক মুদ্রাও
#বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ হয় সমুদ্রপথে

 

সমুদ্র পরিবহনে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এগিয়ে আসছেন নতুন নতুন বিনিয়োগকারী। স্বাধীনতা পরবর্তীসময় থেকে ২০১৯ সালের শুরু পর্যন্ত বাংলাদেশি পতাকা বহন করতো সমুদ্রগামী ৪৩টি জাহাজ। সরকারি সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোয় গত তিন বছরে নতুন করে যোগ হয়েছে আরও ৪৮টি জাহাজ। বর্তমানে লাল-সবুজ পতাকাবাহী বিদেশগামী জাহাজের সংখ্যা ৯১টি। এতে বিদেশের মাটিতে যেমন উজ্জ্বল হচ্ছে দেশের নাম, তেমনি বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রা আয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদেশগামী জাহাজে দেশীয় পতাকা অন্তর্ভুক্তি বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে যোগ করবে নতুন মাত্রা। চলমান রিজার্ভ সংকট কাটাতেও এ খাত অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

জানা যায়, বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর দেশ হলেও রপ্তানিতেও পিছিয়ে নেই। দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশের বেশি হয় সমুদ্রপথে। দেশি জাহাজের স্বল্পতার কারণে আমদানি ও রপ্তানির বেশিরভাগ পণ্য বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজে বহন করা হয়। এসব পণ্য পরিবহনে বড় অংকের বৈদেশিক মুদ্রা চলে যেত বিদেশে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১৩ সালের পর থেকে খরচ পোষাতে না পেরে অনেক জাহাজ স্ক্র্যাপ (উন্নত ইস্পাত পণ্যের বর্জ্য) হিসেবে বিক্রি করে দেন উদ্যোক্তারা। এরপর বাংলাদেশি পতাকাবাহী ৬৮টি জাহাজ থেকে কমতে কমতে ৪০-এ নেমে আসে। তবে বিগত বছরগুলোতে দেশে মেগাপ্রকল্পের কারণে উন্নয়ন উপকরণ কিংবা কাঁচামাল আমদানি বেড়ে যায় কয়েকগুণ। বিশেষ করে পাথর, সিমেন্ট ক্লিংকার, স্ক্র্যাপের পাশাপাশি এলপিজি আমদানি বাড়ে। যে কারণে পণ্য পরিবহনের জন্য জাহাজ সংগ্রহে হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগে আগ্রহী হয়ে ওঠেন বড় বড় উদ্যোক্তা। এরই মধ্যে দেশের বড় বড় শিল্প গ্রুপ সংগ্রহ করেছে বড় বড় জাহাজ।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

শত শত নেতাকর্মী নিয়ে শ্রীমঙ্গলের সমাবেশে মোসারফ

সমুদ্র পরিবহনে এগোচ্ছে দেশ বাড়ছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী বিদেশগামী জাহাজ

Update Time : 10:25:26 am, Sunday, 11 September 2022

ডেস্ক রিপোর্ট :: # তিন বছরে ৪৩টি থেকে বেড়ে ৯১টিতে দাঁড়িয়েছে
#এর মধ্যে কনটেইনার ভ্যাসেল ৬টি
# দেশের টাকা দেশেই থাকছে, আসছে বৈদেশিক মুদ্রাও
#বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ হয় সমুদ্রপথে

 

সমুদ্র পরিবহনে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এগিয়ে আসছেন নতুন নতুন বিনিয়োগকারী। স্বাধীনতা পরবর্তীসময় থেকে ২০১৯ সালের শুরু পর্যন্ত বাংলাদেশি পতাকা বহন করতো সমুদ্রগামী ৪৩টি জাহাজ। সরকারি সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোয় গত তিন বছরে নতুন করে যোগ হয়েছে আরও ৪৮টি জাহাজ। বর্তমানে লাল-সবুজ পতাকাবাহী বিদেশগামী জাহাজের সংখ্যা ৯১টি। এতে বিদেশের মাটিতে যেমন উজ্জ্বল হচ্ছে দেশের নাম, তেমনি বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রা আয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদেশগামী জাহাজে দেশীয় পতাকা অন্তর্ভুক্তি বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে যোগ করবে নতুন মাত্রা। চলমান রিজার্ভ সংকট কাটাতেও এ খাত অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

জানা যায়, বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর দেশ হলেও রপ্তানিতেও পিছিয়ে নেই। দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশের বেশি হয় সমুদ্রপথে। দেশি জাহাজের স্বল্পতার কারণে আমদানি ও রপ্তানির বেশিরভাগ পণ্য বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজে বহন করা হয়। এসব পণ্য পরিবহনে বড় অংকের বৈদেশিক মুদ্রা চলে যেত বিদেশে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১৩ সালের পর থেকে খরচ পোষাতে না পেরে অনেক জাহাজ স্ক্র্যাপ (উন্নত ইস্পাত পণ্যের বর্জ্য) হিসেবে বিক্রি করে দেন উদ্যোক্তারা। এরপর বাংলাদেশি পতাকাবাহী ৬৮টি জাহাজ থেকে কমতে কমতে ৪০-এ নেমে আসে। তবে বিগত বছরগুলোতে দেশে মেগাপ্রকল্পের কারণে উন্নয়ন উপকরণ কিংবা কাঁচামাল আমদানি বেড়ে যায় কয়েকগুণ। বিশেষ করে পাথর, সিমেন্ট ক্লিংকার, স্ক্র্যাপের পাশাপাশি এলপিজি আমদানি বাড়ে। যে কারণে পণ্য পরিবহনের জন্য জাহাজ সংগ্রহে হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগে আগ্রহী হয়ে ওঠেন বড় বড় উদ্যোক্তা। এরই মধ্যে দেশের বড় বড় শিল্প গ্রুপ সংগ্রহ করেছে বড় বড় জাহাজ।