2:56 pm, Friday, 10 April 2026

সাংবাদিকতায় অবদান রাখায় ‘বসুন্ধরার অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন আব্দুল মালিক চৌধুরী

কুলাউড়া প্রতিনিধি :: ৬৪ জেলা থেকে দেশের তৃণমূল সাংবাদিকতায় অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে সিলেট জেলা থেকে ‘বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২১’-এর প্রবীণ ও গুণী সাংবাদিকের বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সিলেট অফিসের ব্যুরো প্রধান আব্দুল মালিক চৌধুরী।

সোমবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এক জাঁকালো অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননাপত্র তুলে দেয়া হয়।

আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন- বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম ও ‘বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২১’-এর জুরিবোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান।

অনুষ্ঠানে সকল গুণী সাংবাদিকদের সম্মাননাপত্রসহ নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

এক প্রতিক্রিয়ায় আব্দুল মালিক চৌধুরী বলেন, ‘বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড আমার কাছে আলাদা গুরুত্ব বহন করে। কারণ আমার অঙ্গন থেকে প্রথমবার এমন বড় উদ্যোগ এবং সেখানে আমাকে বেছে নেয়া হয়েছে-এটি আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। বসুন্ধরা গ্রুপের এমন উদ্যোগ বাংলাদেশে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।

আব্দুল মালিক চৌধুরীর পরিচিতি: ১৯৪৭ সালের ১৪ অক্টোবর জম্মগ্রহণকারী আব্দুল মালিক চৌধুরী মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের ঘাগটিয়া গ্রামের অধিবাসী। বাবা আব্দুর রশীদ চৌধুরী ছিলেন বৃটিশ আমলের সরকারি চাকুরীজীবি। পাকিস্তান আমলের ১৯৬৭ সালে রেভিনিউ সার্কেল কর্মকর্তা (আরসিও) পদ থেকে অবসরগ্রহণের পরের বছর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মা নূরবানু বেগম চৌধুরী ছিলেন গৃহিনী। সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতায় সিলেটে আদর্শ ব্যক্তিত্ব ছিলেন আব্দুল মালিক চৌধুরী। ১৯৬৯ সালে সাংবাদিকতায় তাঁর পথচলা শুরু। বাংলাদেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাকে যোগদান করেন। এরপর দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের পুরোটা সময় তিনি সেখানেই কাটিয়ে দেন। ২০০৭ সালে যখন অবসরে যান ততদিনে সিলেটে ইত্তেফাক আর ‘মালিক ভাই’ একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেন। সবার কাছে তিনি ‘ইত্তেফাকের মালিক ভাই’ নামেই পরিচিত। দীর্ঘ প্রায় চার দশকের বর্ণাঢ্য সাংবাদিকতা জীবনে পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। পেয়েছেন ‘সাদা মনের মানুষ’ সম্মাননাও। সংগঠক হিসেবেও সফল আব্দুল মালিক চৌধুরী সিলেটের শত বছরের ঐতিহ্যের স্মারক সিলেট প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীনদের অন্যতম। পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের পর প্রেসক্লাবের পুনর্গঠন এবং নিজস্ব ভূমি প্রাপ্তিতে ভূমিকা রাখাদের একজন। বিভিন্ন ক্রান্তিকালে তিনি সিলেট ক্লাবকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মালিক চৌধুরী কুলাউড়া প্রেসক্লাব সভাপতি এম শাকিল রশীদ চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা।

 

 

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো : আতাউর রহমান এর শেষ কর্ম দিবস সম্পন্ন

সাংবাদিকতায় অবদান রাখায় ‘বসুন্ধরার অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন আব্দুল মালিক চৌধুরী

Update Time : 10:28:40 am, Tuesday, 31 May 2022

কুলাউড়া প্রতিনিধি :: ৬৪ জেলা থেকে দেশের তৃণমূল সাংবাদিকতায় অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে সিলেট জেলা থেকে ‘বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২১’-এর প্রবীণ ও গুণী সাংবাদিকের বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সিলেট অফিসের ব্যুরো প্রধান আব্দুল মালিক চৌধুরী।

সোমবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এক জাঁকালো অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননাপত্র তুলে দেয়া হয়।

আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন- বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম ও ‘বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২১’-এর জুরিবোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রহমান।

অনুষ্ঠানে সকল গুণী সাংবাদিকদের সম্মাননাপত্রসহ নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

এক প্রতিক্রিয়ায় আব্দুল মালিক চৌধুরী বলেন, ‘বসুন্ধরা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড আমার কাছে আলাদা গুরুত্ব বহন করে। কারণ আমার অঙ্গন থেকে প্রথমবার এমন বড় উদ্যোগ এবং সেখানে আমাকে বেছে নেয়া হয়েছে-এটি আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। বসুন্ধরা গ্রুপের এমন উদ্যোগ বাংলাদেশে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।

আব্দুল মালিক চৌধুরীর পরিচিতি: ১৯৪৭ সালের ১৪ অক্টোবর জম্মগ্রহণকারী আব্দুল মালিক চৌধুরী মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের ঘাগটিয়া গ্রামের অধিবাসী। বাবা আব্দুর রশীদ চৌধুরী ছিলেন বৃটিশ আমলের সরকারি চাকুরীজীবি। পাকিস্তান আমলের ১৯৬৭ সালে রেভিনিউ সার্কেল কর্মকর্তা (আরসিও) পদ থেকে অবসরগ্রহণের পরের বছর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মা নূরবানু বেগম চৌধুরী ছিলেন গৃহিনী। সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতায় সিলেটে আদর্শ ব্যক্তিত্ব ছিলেন আব্দুল মালিক চৌধুরী। ১৯৬৯ সালে সাংবাদিকতায় তাঁর পথচলা শুরু। বাংলাদেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাকে যোগদান করেন। এরপর দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের পুরোটা সময় তিনি সেখানেই কাটিয়ে দেন। ২০০৭ সালে যখন অবসরে যান ততদিনে সিলেটে ইত্তেফাক আর ‘মালিক ভাই’ একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেন। সবার কাছে তিনি ‘ইত্তেফাকের মালিক ভাই’ নামেই পরিচিত। দীর্ঘ প্রায় চার দশকের বর্ণাঢ্য সাংবাদিকতা জীবনে পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। পেয়েছেন ‘সাদা মনের মানুষ’ সম্মাননাও। সংগঠক হিসেবেও সফল আব্দুল মালিক চৌধুরী সিলেটের শত বছরের ঐতিহ্যের স্মারক সিলেট প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীনদের অন্যতম। পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের পর প্রেসক্লাবের পুনর্গঠন এবং নিজস্ব ভূমি প্রাপ্তিতে ভূমিকা রাখাদের একজন। বিভিন্ন ক্রান্তিকালে তিনি সিলেট ক্লাবকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মালিক চৌধুরী কুলাউড়া প্রেসক্লাব সভাপতি এম শাকিল রশীদ চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা।