8:25 pm, Saturday, 11 April 2026

সিনেমার গল্প : গুপ্তধনের খোঁজে গ্রামবাসী

ডেস্ক রিপোর্ট : ভিকি কৌশল ও রাশমিকা মান্দানা অভিনীত সিনেমা ‘ছাবা’ খুব অল্প দিনেই ৫০০ কোটির গণ্ডি টপকে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, এই সিনেমা দেখে গুপ্তধনের খোঁজে বেরিয়েছে একদল গ্রামবাসী। রাতভর চলেছে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি! ভারতের মধ্যপ্রদেশের একটি গ্রামে ঘটেছে এমন অদ্ভুত ঘটনা।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, হঠাৎ করেই রাতের অন্ধকারে টর্চ, শাবল হাঁতে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন সেই গ্রামের বাসিন্দারা। বুরহানপুরের আসিরগড় নামের একটি জায়গায় খননকাজে মধ্যরাতেই বেরিয়ে পড়েন তারা। তাদের ধারণা, মাটি খুঁড়ে মুঘল আমলের কিছু স্বর্ণমুদ্রা কিংবা গুপ্তধনের হদিশ মিললেও মিলতে পারে। অনেকে আবার দাবি করেছেন, ওই এলাকায় নাকি কেউ কেউ স্বর্ণমুদ্রাও দেখতে পেয়েছেন। ভিকি কৌশলের ‘ছাবা’ দেখার পর সেই ভাবনা আরও চাগাড় দিয়েছে। কারণ সেই সিনেমাতে বুরহানপুরের নাম নেওয়া হয়েছে। দেখানো হয়েছে, এককালে মুঘলদের বাস এখানেই ছিল। আর সেখান থেকেই তাদের মনে হয়েছে- এখানেই লুকিয়ে রয়েছে মুঘলদের গুপ্তধন। আর এটি জানার পরই যন্ত্রপাতি নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন গ্রামবাসীরা।
জানা গেছে, আসিরগড় দুর্গের চারপাশে গ্রামবাসী একটানা মাটি খুঁড়তে থাকে এবং মেটাল ডিটেক্টর দিয়েও পরীক্ষা চালায়। এতে সেই অঞ্চলের জমির মালিকরা মারাত্মক ক্ষুব্ধ হন এবং প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানান।
এরপর স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পায়, সেখানে খোঁড়াখুঁড়ির কোনো সরাসরি প্রমাণ নেই, তবে জায়গাটি নষ্ট করা হয়েছে। পরে পুলিশের মাধ্যমে গ্রামবাসীকে সতর্ক করে দেওয়া হয় এবং খনন কার্যক্রম বন্ধ করতে বলা হয়।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে ৯ দিনব্যাপী সেবাইত প্রশিক্ষণের সনদপত্র বিতরন ও সমাপনী অনুষ্ঠান

সিনেমার গল্প : গুপ্তধনের খোঁজে গ্রামবাসী

Update Time : 08:19:46 am, Tuesday, 11 March 2025

ডেস্ক রিপোর্ট : ভিকি কৌশল ও রাশমিকা মান্দানা অভিনীত সিনেমা ‘ছাবা’ খুব অল্প দিনেই ৫০০ কোটির গণ্ডি টপকে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, এই সিনেমা দেখে গুপ্তধনের খোঁজে বেরিয়েছে একদল গ্রামবাসী। রাতভর চলেছে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি! ভারতের মধ্যপ্রদেশের একটি গ্রামে ঘটেছে এমন অদ্ভুত ঘটনা।
ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, হঠাৎ করেই রাতের অন্ধকারে টর্চ, শাবল হাঁতে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন সেই গ্রামের বাসিন্দারা। বুরহানপুরের আসিরগড় নামের একটি জায়গায় খননকাজে মধ্যরাতেই বেরিয়ে পড়েন তারা। তাদের ধারণা, মাটি খুঁড়ে মুঘল আমলের কিছু স্বর্ণমুদ্রা কিংবা গুপ্তধনের হদিশ মিললেও মিলতে পারে। অনেকে আবার দাবি করেছেন, ওই এলাকায় নাকি কেউ কেউ স্বর্ণমুদ্রাও দেখতে পেয়েছেন। ভিকি কৌশলের ‘ছাবা’ দেখার পর সেই ভাবনা আরও চাগাড় দিয়েছে। কারণ সেই সিনেমাতে বুরহানপুরের নাম নেওয়া হয়েছে। দেখানো হয়েছে, এককালে মুঘলদের বাস এখানেই ছিল। আর সেখান থেকেই তাদের মনে হয়েছে- এখানেই লুকিয়ে রয়েছে মুঘলদের গুপ্তধন। আর এটি জানার পরই যন্ত্রপাতি নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন গ্রামবাসীরা।
জানা গেছে, আসিরগড় দুর্গের চারপাশে গ্রামবাসী একটানা মাটি খুঁড়তে থাকে এবং মেটাল ডিটেক্টর দিয়েও পরীক্ষা চালায়। এতে সেই অঞ্চলের জমির মালিকরা মারাত্মক ক্ষুব্ধ হন এবং প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানান।
এরপর স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পায়, সেখানে খোঁড়াখুঁড়ির কোনো সরাসরি প্রমাণ নেই, তবে জায়গাটি নষ্ট করা হয়েছে। পরে পুলিশের মাধ্যমে গ্রামবাসীকে সতর্ক করে দেওয়া হয় এবং খনন কার্যক্রম বন্ধ করতে বলা হয়।