4:44 pm, Tuesday, 21 July 2026

সিলেটে শিশু শিক্ষার্থীদের ‘ধর্ষণ’ করতেন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল

সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় শিশু শিক্ষার্থীদের ‘ধর্ষণের’ অভিযোগে মাওলানা সৈয়দ দেলওয়ার হোসেন নামে মাদ্রাসার এক অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল রোববার (২৩ মে) রাতে দক্ষিণ সুরমার মেনিখলার শাহজালাল তমজিদিয়া মাদরাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সৈয়দ দেলওয়ার হোসেন শাহজালাল তমজিদিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ। তিনি সিলেটের গোলাপগঞ্জের ৫নং লক্ষনাবন্দ ইউনিয়নের ফুলসাইন্দ গ্রামের মৃত সৈয়দ আব্দুল মজিদের ছেলে।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ‘ধর্ষণের’ বিষয়টি অধ্যক্ষ স্বীকার করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই মাদরাসায় আবাসিক এক ছাত্রকে প্রায়ই রাতে অধ্যক্ষ তার কক্ষে ডেকে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করতেন। সহ্য করতে না পেরে গত শনিবার সে তার অভিভাবককে বিষয়টি জানায়। পরে আরও কয়েকজন শিশুও তাদের অভিভাবকের কাছে এমন অভিযোগ করে।

এরপর গতকাল রোববার অভিভাবকদের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের হলে রাতেই পুলিশ ওই লম্পট মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।

পরে সোমবার দেলওয়ারকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলেও জানান ওসি মনিরুল।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মামলাজট নিরসনে মধ্যস্থতা কার্যক্রম আশাব্যঞ্জক ফল দিচ্ছে: আইনমন্ত্রী

সিলেটে শিশু শিক্ষার্থীদের ‘ধর্ষণ’ করতেন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল

Update Time : 09:33:44 am, Monday, 24 May 2021

সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় শিশু শিক্ষার্থীদের ‘ধর্ষণের’ অভিযোগে মাওলানা সৈয়দ দেলওয়ার হোসেন নামে মাদ্রাসার এক অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল রোববার (২৩ মে) রাতে দক্ষিণ সুরমার মেনিখলার শাহজালাল তমজিদিয়া মাদরাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সৈয়দ দেলওয়ার হোসেন শাহজালাল তমজিদিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ। তিনি সিলেটের গোলাপগঞ্জের ৫নং লক্ষনাবন্দ ইউনিয়নের ফুলসাইন্দ গ্রামের মৃত সৈয়দ আব্দুল মজিদের ছেলে।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ‘ধর্ষণের’ বিষয়টি অধ্যক্ষ স্বীকার করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই মাদরাসায় আবাসিক এক ছাত্রকে প্রায়ই রাতে অধ্যক্ষ তার কক্ষে ডেকে নিয়ে ‘ধর্ষণ’ করতেন। সহ্য করতে না পেরে গত শনিবার সে তার অভিভাবককে বিষয়টি জানায়। পরে আরও কয়েকজন শিশুও তাদের অভিভাবকের কাছে এমন অভিযোগ করে।

এরপর গতকাল রোববার অভিভাবকদের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের হলে রাতেই পুলিশ ওই লম্পট মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।

পরে সোমবার দেলওয়ারকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলেও জানান ওসি মনিরুল।