7:08 am, Friday, 23 January 2026

‘সীমানা নিয়ে আদালতের অভিযোগ গ্রহণ ইসির ক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে’

ডেস্ক রিপোর্ট : নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ
সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে আদালত অভিযোগ গ্রহণ করায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ।

গত ১০ সেপ্টেম্বর ৩০০ সংসদীয় আসনের সীমানার গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এতে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করা হয়। আর গাজীপুরে একটি আসন বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়েছে। বাগেরহাটের আসন পূর্বের মতো চেয়ে আদালতে মামলা করেন সংক্ষুব্ধরা। এ ছাড়া অন্যান্য আসন নিয়েও অনেকে মামলা করেন। প্রায় তিন ডজনের মতো মামলা হয়।

সীমানা পুনর্নির্ধারণ আইন-২০২১ এর ধারা ৭-এ বলা হয়েছে, “এই আইনের অধীনকৃত সীমানা নির্ধারণ বা কোনো আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার গঠন বা কমিশন কর্তৃক বা কমিশনের কর্তৃত্বাধীনে গৃহীত কোনো কার্যধারা বা কৃত কোনো কাজকর্মের বৈধতা সম্পর্কে কোনো আদালতে বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের নিকট কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।”

আদালতে মামলা করা যাবে না আইনে বলা আছে, আপনারা কেন তা গ্রহণ করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “আদালতে মামলা করা যায় না, এটা নিয়ে বলার এখতিয়ার বোধ হয় আমার নেই। আদালত যদি কগনিজেন্সি নিয়ে থেকে থাকেন, আদালতে নিশ্চয়ই বলা হচ্ছে। তারপরও যদি আদালত বিবেচনায় না নেন… এতে ইসির ক্ষমতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।”

আপনাদের ক্ষমতা খর্ব হচ্ছে কি— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “খর্ব ও প্রশ্নবিদ্ধের মধ্যে পার্থক্য আছে। খর্ব হচ্ছে বাতিল আর প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে কোয়েশ্চনেবল, হুইচ ক্যান বি চ্যালেঞ্জড।”

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

ষড়যন্ত্রকারীরা সক্রিয়, আপনারা সজাগ দৃষ্টি রাখবেন: মৌলভীবাজারের জনসভায় তারেক রহমান

‘সীমানা নিয়ে আদালতের অভিযোগ গ্রহণ ইসির ক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে’

Update Time : 11:51:06 am, Thursday, 11 December 2025

ডেস্ক রিপোর্ট : নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ
সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে আদালত অভিযোগ গ্রহণ করায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ।

গত ১০ সেপ্টেম্বর ৩০০ সংসদীয় আসনের সীমানার গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এতে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করা হয়। আর গাজীপুরে একটি আসন বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়েছে। বাগেরহাটের আসন পূর্বের মতো চেয়ে আদালতে মামলা করেন সংক্ষুব্ধরা। এ ছাড়া অন্যান্য আসন নিয়েও অনেকে মামলা করেন। প্রায় তিন ডজনের মতো মামলা হয়।

সীমানা পুনর্নির্ধারণ আইন-২০২১ এর ধারা ৭-এ বলা হয়েছে, “এই আইনের অধীনকৃত সীমানা নির্ধারণ বা কোনো আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার গঠন বা কমিশন কর্তৃক বা কমিশনের কর্তৃত্বাধীনে গৃহীত কোনো কার্যধারা বা কৃত কোনো কাজকর্মের বৈধতা সম্পর্কে কোনো আদালতে বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের নিকট কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।”

আদালতে মামলা করা যাবে না আইনে বলা আছে, আপনারা কেন তা গ্রহণ করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “আদালতে মামলা করা যায় না, এটা নিয়ে বলার এখতিয়ার বোধ হয় আমার নেই। আদালত যদি কগনিজেন্সি নিয়ে থেকে থাকেন, আদালতে নিশ্চয়ই বলা হচ্ছে। তারপরও যদি আদালত বিবেচনায় না নেন… এতে ইসির ক্ষমতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।”

আপনাদের ক্ষমতা খর্ব হচ্ছে কি— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “খর্ব ও প্রশ্নবিদ্ধের মধ্যে পার্থক্য আছে। খর্ব হচ্ছে বাতিল আর প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে কোয়েশ্চনেবল, হুইচ ক্যান বি চ্যালেঞ্জড।”