4:13 pm, Wednesday, 17 December 2025

স্ত্রী-সন্তানসহ সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট :: সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান, মেয়ে শাফিয়া তাসনিম খান এবং কামালের এপিএস মনির হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পৃথক মামলা করেছে। মামলাগুলোতে ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ বাণিজ্য, ঘুস, অর্থপাচার ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে।  বুধবার (৯ অক্টোবর) দুদকের কর্মকর্তারা ঢাকা জেলা কার্যালয়ে এসব মামলা দায়ের করেন। আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে।  গত ১৫ আগস্ট দুদক কামাল ও তার পাঁচ সহযোগীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। ২১ আগস্ট কামালের পরিবার ও তার সাবেক পিএসসহ আটজনের ব্যাংক হিসাবের লেনদেনের তথ্য তলব করে দুদক।  অভিযোগে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান খান কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ঘুস হিসেবে বস্তা বস্তা টাকা নিতেন। পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও ফায়ার সার্ভিস থেকে এই টাকা সংগ্রহ করা হতো। এজন্য তিনি তৎকালীন অতিরিক্ত সচিব ড. হারুন অর রশীদ বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

শ্রীমঙ্গলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা-সনদ ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ২০২৫

স্ত্রী-সন্তানসহ সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

Update Time : 12:13:06 pm, Wednesday, 9 October 2024

ডেস্ক রিপোর্ট :: সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, ছেলে শাফি মোদ্দাছির খান, মেয়ে শাফিয়া তাসনিম খান এবং কামালের এপিএস মনির হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পৃথক মামলা করেছে। মামলাগুলোতে ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ বাণিজ্য, ঘুস, অর্থপাচার ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে।  বুধবার (৯ অক্টোবর) দুদকের কর্মকর্তারা ঢাকা জেলা কার্যালয়ে এসব মামলা দায়ের করেন। আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে।  গত ১৫ আগস্ট দুদক কামাল ও তার পাঁচ সহযোগীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়। ২১ আগস্ট কামালের পরিবার ও তার সাবেক পিএসসহ আটজনের ব্যাংক হিসাবের লেনদেনের তথ্য তলব করে দুদক।  অভিযোগে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান খান কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ঘুস হিসেবে বস্তা বস্তা টাকা নিতেন। পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও ফায়ার সার্ভিস থেকে এই টাকা সংগ্রহ করা হতো। এজন্য তিনি তৎকালীন অতিরিক্ত সচিব ড. হারুন অর রশীদ বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন।