2:33 am, Sunday, 15 March 2026

হাইকোর্ট বেঞ্চে ‘বকশিশ দেওয়া-নেওয়া’ দুর্নীতি বলে গণ্য হবে 

অনলাইন ডেস্ক: মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে আদালত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকশিশের নামে কোনও ধরনের সুবিধা নেওয়া ও দেওয়া নিষিদ্ধ করে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বুধবার (১০ মে) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চের এজলাস কক্ষের বাইরে ব্যতিক্রমী এ বিজ্ঞপ্তি টানিয়ে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের বেঞ্চ অফিসার মো. সেফাত উল্লাহ খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কার্যতালিকায় মামলা ওঠার আগে বা পরে, মামলার রায়, জামিন আদেশ বা অন্য যেকোনও আদেশ হওয়ার আগে বা পরে বা অন্য যেকোনও সময় অত্র কোর্টের বেঞ্চ অফিসার, সহকারী বেঞ্চ অফিসার, বিচারপতির ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, কোর্টের জমাদার, কোর্ট বা চেম্বারের এমএলএসএস, বিচারপতির ড্রাইভার এবং গানম্যানসহ অত্র কোর্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনও কর্মকর্তা-কর্মচারী বকশিশ বা টিপস নেওয়ার নামে কোনও প্রকার অর্থ, উপহারসামগ্রী, গাড়ি সেবা বা অন্য কোনও নামে কোনও ধরনের সুবিধা গ্রহণ বা নেওয়া দুর্নীতি বলে গণ্য হবে।

অত্র কোর্টের কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এ ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনজীবী, আইনজীবী সহকারী এবং অত্র কোর্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

অপরাধী ‘ধরিয়ে দিতে’ পুলিশের আহ্বান, মব ভায়োলেন্সের শঙ্কা

হাইকোর্ট বেঞ্চে ‘বকশিশ দেওয়া-নেওয়া’ দুর্নীতি বলে গণ্য হবে 

Update Time : 01:44:43 pm, Wednesday, 10 May 2023

অনলাইন ডেস্ক: মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে আদালত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকশিশের নামে কোনও ধরনের সুবিধা নেওয়া ও দেওয়া নিষিদ্ধ করে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বুধবার (১০ মে) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চের এজলাস কক্ষের বাইরে ব্যতিক্রমী এ বিজ্ঞপ্তি টানিয়ে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের বেঞ্চ অফিসার মো. সেফাত উল্লাহ খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কার্যতালিকায় মামলা ওঠার আগে বা পরে, মামলার রায়, জামিন আদেশ বা অন্য যেকোনও আদেশ হওয়ার আগে বা পরে বা অন্য যেকোনও সময় অত্র কোর্টের বেঞ্চ অফিসার, সহকারী বেঞ্চ অফিসার, বিচারপতির ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, কোর্টের জমাদার, কোর্ট বা চেম্বারের এমএলএসএস, বিচারপতির ড্রাইভার এবং গানম্যানসহ অত্র কোর্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনও কর্মকর্তা-কর্মচারী বকশিশ বা টিপস নেওয়ার নামে কোনও প্রকার অর্থ, উপহারসামগ্রী, গাড়ি সেবা বা অন্য কোনও নামে কোনও ধরনের সুবিধা গ্রহণ বা নেওয়া দুর্নীতি বলে গণ্য হবে।

অত্র কোর্টের কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এ ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনজীবী, আইনজীবী সহকারী এবং অত্র কোর্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ধরনের কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।