10:47 pm, Thursday, 18 June 2026

২৫শে ডিসেম্বর বি,এন,পির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, এ প্রজন্মের প্রিয়নেতা তারেক রহমান: পুস্পিত শুভেচ্ছা:


। মুজিবুর রহমান মুজিব।
ক্ষমতালিপ্সু লোভি ও জেদি আওয়ামীলীগ প্রধান শেখ হাসিনা পিতার মত আজীবন ক্ষমতায় থাকার জন্য রূপকল্প চল্লিশ সহ বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে ছিলেন। প্রশাসনকে নির্লজ্যভাবে নগ্ন দলীয় করন করে নিজস্ব বাহিনী সৃষ্টি করেছিলেন। জার্মানীর কুখ্যাত “নির্বাচিত” এক নায়ক এডলফ হিটলার এর “গেষ্টাপো” বাহিনীর মত স্বৈরাচারি শেখ হাসিনা পুলিশ, কতেক ক্ষমতা লোভী সেনা কর্মকর্তা, আওয়ামী ক্যাডার দিয়ে গোপন বাহিনী সৃষ্টি করে বিরোধী দল ও ভিন্ন মতাদর্শীগনকে বলপূর্বক অপহরন করিয়ে আটক, নির্য্যাতন ও হত্যার করুন কাহিনী বেরিয়েছে শেখ হাসিনার “আয়নাঘরের” আবিস্কার এর পর থেকে। ধৃত কারাবন্দী সাবেক আইজিপি আব্দুল্লা আল মামুন দোষ স্বীকার করতঃ রাজস্বাক্ষী হয়ে শেখ হাসিনার সব গোপন তথ্য ফাস করে দিচ্ছেন। রাষ্ট্রের আইন শৃংখলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ল’ এনফোর্সি এজেন্সি কোন অপরাধ কিংবা সন্দেহ জনক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে একটি ফেরোওয়ার্ডিং সহ নিকটস্থ হাকিম আদালতে প্রেরন করা দেশে প্রচলিত আইনী বিধি বিধান। গ্রেপ্তারকৃত কোন বিবাদীকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ কর্মকর্তা ফৌজদারী কার্য্যবিধি আইনের ১৬৭ ধারার বিধান মোতাবেক রিমান্ড চাইতে পারেন। উভয় পক্ষের শুনানী অন্তে বিজ্ঞ হাকিম রিমান্ড মঞ্জুর করতে পারেন না কচও করতে পারেন। বিগত স্বৈর শাসনামলে রিমান্ড অনেকাংশে “ডিমান্ড” এবং নির্যাতনের হাতিয়ারে পরিনত হওয়াতে সি,আর,পি,সি ৫৪ এবং পুলিশ রিমান্ড এর ব্যাপারে শুনানীতে বিজ্ঞ বিচার বিভাগীয় হাকিম মহোদয় গন অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করে থাকেন, দেশের উচ্চ আদালতের দিক নির্দেশনাও রয়েছে। মোট কথা পুলিশ গ্রেপ্তার কৃত বিবাদীকে, ধারা যাই হউক চব্বিশ ঘন্টার বেশি থানায় আটকে রাখা যাবে না, আদালতে সোপর্দের পর বিবাদির উপর পুলিশের আর কোন কর্তত্ব থাকে না। স্বৈরাচারি শেখ হাসিনা সরকারের আওয়ামী ক্যেডার ডক্টর বেনজির ডি,বি, হারুন রা আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে গ্রেপ্তার কৃত বিবাদীগনকে বেআইনী ভাবে আটক রেখেছেন “আয়নাঘর” সৃষ্টিকরে চব্বিশ ঘন্টা নয় অনেক বছরও কাটিয়েছেন। সিলেটের অপহৃত বি,এন,পি নেতা ইলিয়াস আলী এবং ঢাকার সিটি কমিশনার চৌধুরী আলম এখনও নিখোজ। হাসিনা সরকারের অথর্ব ও অযোগ্য স্বরাষ্ট মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল নিখুজ ও অপহরনকে অস্বীকার করে বেআক্কলের মত বলতেন আমাদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে অপহরন করেন নি, করে না, কিছু লোক হয়ত পাওনাদার কিংবা পুলিশের ভয়ে লুকিয়ে আছে”। বি,এন,পি-র স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও সাংসদ সালাহ উদ্দিন আহমদকে অপহরন করে নিয়ে যায় আওয়ামী অপহরন কারিরা। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানী, তাঁর আত্বীয় স্বজনও দেশ বাসির দোয়ায় আশ্চর্য্যজনক ভাবে প্রানে বেঁচে যান অপহৃত সালাহ উদ্দিন আহমদ। আহত ও অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে ভরতের মাটিতে পাওয়া গেলে চিকিৎসার জন্য তাঁকে হাসপাতাল প্রেরন করা হয়। দীর্ঘদিন ভারতে অবস্থান করে চিকিৎসাও আইনী লড়াই শেষে সুস্থ হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন তিনি। দেশে এসে দলের এই পরিক্ষিত ও প্রভাব শালী নেতা সার্বক্ষনিক ভাবে দলীয় ও জাতীয় দায়িত্ব পালন করছেন। খুন-অপহরনে বি,এন,পি নিঃশেষ নিশ্চিহ্ণ হয় নি। মামলাবাজ শেখ হাসিনা সরকার বি,এন,পিকে নিশ্চিহ্ণ করার জন্য দলের চেয়ারপার্সন বেগম খারেদা জিয়া ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপর একাধিক মিথ্যা মামলা এবং ফরমায়েশী রায় নিয়ে দলের মহা সচিব বয়োঃবৃদ্ধ ও অসুস্থ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিওর যুগ্ম মহা সচিব অসুস্থ ও আহত এডভোকেট রুহুল কবির রিজভি, স্থায়ী কমিটির সদস্য বর্গ ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খাঁন, মির্জা আব্বাস, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টাদের মধ্যে বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুছ ছালাম, জয়নুল আবেদীন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রমুখ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং সহযোগি সংঘটন সমূহের মধ্যে ছাত্রদল, যুবদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছা সেবক দল, শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং হাজার হাজার লক্ষ কর্মি বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবী মামলা দায়ের করে দলীয় নেতা কর্মি বাহিনীকে চূড়ান্ত পর্য্যায়ে অপমান, হেনস্থা ও ক্ষতিগ্রস্থ করলে ও হাতে গুনা দুই এক শাহজাহান ওমর বীর উত্তম এবং শমসের মুবিন চৌধুরী বীর বিক্রম দল ত্যাগ করে আওয়ামী শিবিরে আত্ব সর্ম্পন করলেও দলে কোন বিরুপ প্রতিক্রিয়া, ভাঙ্গঁন, বিভক্তি আসে নি বরং তারাই রাজনীতি গত ভাবে আশ্রয়হীন-এতিম হয়েছেন। স্বাধীনতার মহান ঘোষক সফল রাষ্ট্র নায়ক শহীদ জিয়ার অনুসারী ইসলাম ধর্মীয় মূল্যবোধ ও বাংলাদেশী জাতীয়তা বাদের সাচ্চা অনুসারি ইমানে আমলে মজবুত জিয়ার সৈনিকগন বিগত দিনগুলিতে যেমনি জীবনবাজি রেখে আন্দোলনে সংগ্রামে শরীক হয়েছেন, শহীদ হয়েছেন, আগামী দিন গুলিতে ঠিক তেমনি দলের ভার প্রপ্ত চেয়ারম্যান, এ প্রজন্মের আরেক জিয়া তারেক জিয়া দেশ নায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে একত্রিশ দফার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন সুখী সম্বৃদ্ধশালী মানবিক বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ। অঙ্গীকার বদ্ধও। বস্তুনিষ্ট সাংবাদিকতা ও বাস্তবতা বিবর্জিত মতলববাজ আওয়ামী সাংবাদিক খন্দকার মোজাম্মেল হক সম্পাদিত সাপ্তাহিক “আজকের সূর্য্যােদয়” চীর অস্থমিত। আওয়ামী নৌকার সঙ্গেঁ ডুবে গেছে এই ডুবন্ত সূর্য্য। পতিত স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ প্রধান শেখ হাসিনার পিয়ারা মিডিয়া ক্যেডার মোজাম্মেল বাবু, প্রেসক্লাব সেক্রেটারী সাংবাদিক শ্যামল দত্ত টিভি টক শো সমূহের পর্দা কাপানো খল নায়ক সিংহের মত গর্জনকারী সুভাষ সিংহ রায়, গান বাংলার কৌশিক হোসেন তাপস, টিভি সাংবাদিক কোটি পতি মুন্নী সাহা, প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার শেষ প্রেস সচিব নাইমুল ইসলাম খান প্রমুখ গনরুশে এখন দেশান্তর দৃশ্যান্তরে। সবুজ বাংলার শ্যামল প্রান্তর জনজীবন এখন পরগাছা আগাছা আবর্জনা মুক্ত। পীর আওলিয়ার স্মৃতি ধন্য পুন্যভূমি মুক্তি যুদ্ধের স্বাধীন বাংলার জমিন খুবই উর্বর। রহমতময়। বরকতময়। ফসল বোনার এখনই সময়। আমাদের স্বপ্নের নায়ক স্বপ্নবাজ তারেক রহমান দেশ ও জাতির আশা আখাংকার বিমূর্ত প্রতীক আপনি, আপনাকে আমাদের সকলের দেশ ও জাতির পক্ষ থেকে খুশ আমদেদ। স্বাগতম। সুস্বাগতম। আহলান-ওয়া সাহলান।

[ষাটের দশকের সাংবাদিক। বীর মুক্তিযোদ্ধা। এডভোকেট হাইকোর্ট। সাবেক সভাপতি, জেলা বার সমিতিও প্রেসক্লাব। সভাপতি, শহীদ জিয়া স্মৃতি পাঠাগার, মৌলভীবাজার জেলা।]

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে “মাদকাসক্তিমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের ভ‚মিকা” শীর্ষক কর্মশালা এবং সেবাগ্রহীতাদের অংশগ্রহণে গণশুনানি-২০২৬

২৫শে ডিসেম্বর বি,এন,পির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, এ প্রজন্মের প্রিয়নেতা তারেক রহমান: পুস্পিত শুভেচ্ছা:

Update Time : 02:15:28 pm, Thursday, 25 December 2025


। মুজিবুর রহমান মুজিব।
ক্ষমতালিপ্সু লোভি ও জেদি আওয়ামীলীগ প্রধান শেখ হাসিনা পিতার মত আজীবন ক্ষমতায় থাকার জন্য রূপকল্প চল্লিশ সহ বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে ছিলেন। প্রশাসনকে নির্লজ্যভাবে নগ্ন দলীয় করন করে নিজস্ব বাহিনী সৃষ্টি করেছিলেন। জার্মানীর কুখ্যাত “নির্বাচিত” এক নায়ক এডলফ হিটলার এর “গেষ্টাপো” বাহিনীর মত স্বৈরাচারি শেখ হাসিনা পুলিশ, কতেক ক্ষমতা লোভী সেনা কর্মকর্তা, আওয়ামী ক্যাডার দিয়ে গোপন বাহিনী সৃষ্টি করে বিরোধী দল ও ভিন্ন মতাদর্শীগনকে বলপূর্বক অপহরন করিয়ে আটক, নির্য্যাতন ও হত্যার করুন কাহিনী বেরিয়েছে শেখ হাসিনার “আয়নাঘরের” আবিস্কার এর পর থেকে। ধৃত কারাবন্দী সাবেক আইজিপি আব্দুল্লা আল মামুন দোষ স্বীকার করতঃ রাজস্বাক্ষী হয়ে শেখ হাসিনার সব গোপন তথ্য ফাস করে দিচ্ছেন। রাষ্ট্রের আইন শৃংখলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ল’ এনফোর্সি এজেন্সি কোন অপরাধ কিংবা সন্দেহ জনক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে একটি ফেরোওয়ার্ডিং সহ নিকটস্থ হাকিম আদালতে প্রেরন করা দেশে প্রচলিত আইনী বিধি বিধান। গ্রেপ্তারকৃত কোন বিবাদীকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ কর্মকর্তা ফৌজদারী কার্য্যবিধি আইনের ১৬৭ ধারার বিধান মোতাবেক রিমান্ড চাইতে পারেন। উভয় পক্ষের শুনানী অন্তে বিজ্ঞ হাকিম রিমান্ড মঞ্জুর করতে পারেন না কচও করতে পারেন। বিগত স্বৈর শাসনামলে রিমান্ড অনেকাংশে “ডিমান্ড” এবং নির্যাতনের হাতিয়ারে পরিনত হওয়াতে সি,আর,পি,সি ৫৪ এবং পুলিশ রিমান্ড এর ব্যাপারে শুনানীতে বিজ্ঞ বিচার বিভাগীয় হাকিম মহোদয় গন অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করে থাকেন, দেশের উচ্চ আদালতের দিক নির্দেশনাও রয়েছে। মোট কথা পুলিশ গ্রেপ্তার কৃত বিবাদীকে, ধারা যাই হউক চব্বিশ ঘন্টার বেশি থানায় আটকে রাখা যাবে না, আদালতে সোপর্দের পর বিবাদির উপর পুলিশের আর কোন কর্তত্ব থাকে না। স্বৈরাচারি শেখ হাসিনা সরকারের আওয়ামী ক্যেডার ডক্টর বেনজির ডি,বি, হারুন রা আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে গ্রেপ্তার কৃত বিবাদীগনকে বেআইনী ভাবে আটক রেখেছেন “আয়নাঘর” সৃষ্টিকরে চব্বিশ ঘন্টা নয় অনেক বছরও কাটিয়েছেন। সিলেটের অপহৃত বি,এন,পি নেতা ইলিয়াস আলী এবং ঢাকার সিটি কমিশনার চৌধুরী আলম এখনও নিখোজ। হাসিনা সরকারের অথর্ব ও অযোগ্য স্বরাষ্ট মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল নিখুজ ও অপহরনকে অস্বীকার করে বেআক্কলের মত বলতেন আমাদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে অপহরন করেন নি, করে না, কিছু লোক হয়ত পাওনাদার কিংবা পুলিশের ভয়ে লুকিয়ে আছে”। বি,এন,পি-র স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও সাংসদ সালাহ উদ্দিন আহমদকে অপহরন করে নিয়ে যায় আওয়ামী অপহরন কারিরা। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানী, তাঁর আত্বীয় স্বজনও দেশ বাসির দোয়ায় আশ্চর্য্যজনক ভাবে প্রানে বেঁচে যান অপহৃত সালাহ উদ্দিন আহমদ। আহত ও অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে ভরতের মাটিতে পাওয়া গেলে চিকিৎসার জন্য তাঁকে হাসপাতাল প্রেরন করা হয়। দীর্ঘদিন ভারতে অবস্থান করে চিকিৎসাও আইনী লড়াই শেষে সুস্থ হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন তিনি। দেশে এসে দলের এই পরিক্ষিত ও প্রভাব শালী নেতা সার্বক্ষনিক ভাবে দলীয় ও জাতীয় দায়িত্ব পালন করছেন। খুন-অপহরনে বি,এন,পি নিঃশেষ নিশ্চিহ্ণ হয় নি। মামলাবাজ শেখ হাসিনা সরকার বি,এন,পিকে নিশ্চিহ্ণ করার জন্য দলের চেয়ারপার্সন বেগম খারেদা জিয়া ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপর একাধিক মিথ্যা মামলা এবং ফরমায়েশী রায় নিয়ে দলের মহা সচিব বয়োঃবৃদ্ধ ও অসুস্থ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিওর যুগ্ম মহা সচিব অসুস্থ ও আহত এডভোকেট রুহুল কবির রিজভি, স্থায়ী কমিটির সদস্য বর্গ ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খাঁন, মির্জা আব্বাস, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মেজর (অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টাদের মধ্যে বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুছ ছালাম, জয়নুল আবেদীন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রমুখ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং সহযোগি সংঘটন সমূহের মধ্যে ছাত্রদল, যুবদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছা সেবক দল, শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং হাজার হাজার লক্ষ কর্মি বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবী মামলা দায়ের করে দলীয় নেতা কর্মি বাহিনীকে চূড়ান্ত পর্য্যায়ে অপমান, হেনস্থা ও ক্ষতিগ্রস্থ করলে ও হাতে গুনা দুই এক শাহজাহান ওমর বীর উত্তম এবং শমসের মুবিন চৌধুরী বীর বিক্রম দল ত্যাগ করে আওয়ামী শিবিরে আত্ব সর্ম্পন করলেও দলে কোন বিরুপ প্রতিক্রিয়া, ভাঙ্গঁন, বিভক্তি আসে নি বরং তারাই রাজনীতি গত ভাবে আশ্রয়হীন-এতিম হয়েছেন। স্বাধীনতার মহান ঘোষক সফল রাষ্ট্র নায়ক শহীদ জিয়ার অনুসারী ইসলাম ধর্মীয় মূল্যবোধ ও বাংলাদেশী জাতীয়তা বাদের সাচ্চা অনুসারি ইমানে আমলে মজবুত জিয়ার সৈনিকগন বিগত দিনগুলিতে যেমনি জীবনবাজি রেখে আন্দোলনে সংগ্রামে শরীক হয়েছেন, শহীদ হয়েছেন, আগামী দিন গুলিতে ঠিক তেমনি দলের ভার প্রপ্ত চেয়ারম্যান, এ প্রজন্মের আরেক জিয়া তারেক জিয়া দেশ নায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে একত্রিশ দফার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন সুখী সম্বৃদ্ধশালী মানবিক বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ। অঙ্গীকার বদ্ধও। বস্তুনিষ্ট সাংবাদিকতা ও বাস্তবতা বিবর্জিত মতলববাজ আওয়ামী সাংবাদিক খন্দকার মোজাম্মেল হক সম্পাদিত সাপ্তাহিক “আজকের সূর্য্যােদয়” চীর অস্থমিত। আওয়ামী নৌকার সঙ্গেঁ ডুবে গেছে এই ডুবন্ত সূর্য্য। পতিত স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ প্রধান শেখ হাসিনার পিয়ারা মিডিয়া ক্যেডার মোজাম্মেল বাবু, প্রেসক্লাব সেক্রেটারী সাংবাদিক শ্যামল দত্ত টিভি টক শো সমূহের পর্দা কাপানো খল নায়ক সিংহের মত গর্জনকারী সুভাষ সিংহ রায়, গান বাংলার কৌশিক হোসেন তাপস, টিভি সাংবাদিক কোটি পতি মুন্নী সাহা, প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার শেষ প্রেস সচিব নাইমুল ইসলাম খান প্রমুখ গনরুশে এখন দেশান্তর দৃশ্যান্তরে। সবুজ বাংলার শ্যামল প্রান্তর জনজীবন এখন পরগাছা আগাছা আবর্জনা মুক্ত। পীর আওলিয়ার স্মৃতি ধন্য পুন্যভূমি মুক্তি যুদ্ধের স্বাধীন বাংলার জমিন খুবই উর্বর। রহমতময়। বরকতময়। ফসল বোনার এখনই সময়। আমাদের স্বপ্নের নায়ক স্বপ্নবাজ তারেক রহমান দেশ ও জাতির আশা আখাংকার বিমূর্ত প্রতীক আপনি, আপনাকে আমাদের সকলের দেশ ও জাতির পক্ষ থেকে খুশ আমদেদ। স্বাগতম। সুস্বাগতম। আহলান-ওয়া সাহলান।

[ষাটের দশকের সাংবাদিক। বীর মুক্তিযোদ্ধা। এডভোকেট হাইকোর্ট। সাবেক সভাপতি, জেলা বার সমিতিও প্রেসক্লাব। সভাপতি, শহীদ জিয়া স্মৃতি পাঠাগার, মৌলভীবাজার জেলা।]