3:48 pm, Thursday, 13 August 2026

৯বছরের শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

রাজশাহীর পবা উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় এক নেতা ও গ্রাম্য চিকিৎসক ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার পাকারমাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে একটি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলা রজু হওয়ার পর নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় সব আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওমর ফারুক নিজ বাসভবনে স্ত্রীর সঙ্গে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। অভিযোগ ওঠে, আনুমানিক ২২ দিন আগে তিনি এক শিশুকন্যাকে একা পেয়ে যৌন হয়রানি করেন। শিশুটি বাড়িতে গিয়ে পুরো বিষয়টি নিজ মায়ের কাছে প্রকাশ করে। পরিবারের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সুরাহা করা হয়নি বলে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে।

অবশ্য অভিযুক্ত ওমর ফারুক তার বিরুদ্ধে ওঠা অনৈতিক আচরণের কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তার বাবা মজিবুর রহমানও এই অভিযোগকে মিথ্যা, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।

ঘটনার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের আমির আব্দুর রহমান মিলন জানান, অভিযুক্ত ওমর ফারুক তাদের ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন পদে দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন, পুরো ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্ত শেষে অপরাধের সত্যতা প্রমাণিত হলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

বিদ্যুতের বড় অংশ টেনে নিচ্ছে ব্যাটারি রিকশা-ইবাইক: জ্বালানিমন্ত্রী

৯বছরের শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

Update Time : 05:58:10 pm, Sunday, 2 August 2026

রাজশাহীর পবা উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় এক নেতা ও গ্রাম্য চিকিৎসক ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার পাকারমাথা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে একটি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলা রজু হওয়ার পর নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় সব আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওমর ফারুক নিজ বাসভবনে স্ত্রীর সঙ্গে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন। অভিযোগ ওঠে, আনুমানিক ২২ দিন আগে তিনি এক শিশুকন্যাকে একা পেয়ে যৌন হয়রানি করেন। শিশুটি বাড়িতে গিয়ে পুরো বিষয়টি নিজ মায়ের কাছে প্রকাশ করে। পরিবারের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানানো হলেও কোনো সুরাহা করা হয়নি বলে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে।

অবশ্য অভিযুক্ত ওমর ফারুক তার বিরুদ্ধে ওঠা অনৈতিক আচরণের কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তার বাবা মজিবুর রহমানও এই অভিযোগকে মিথ্যা, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।

ঘটনার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছী ইউনিয়নের আমির আব্দুর রহমান মিলন জানান, অভিযুক্ত ওমর ফারুক তাদের ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রোকন পদে দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন, পুরো ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্ত শেষে অপরাধের সত্যতা প্রমাণিত হলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।