2:05 am, Tuesday, 31 March 2026

সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের গলার কাঁটা বলে মনে করেন শিক্ষাবিদ বিশেষজ্ঞরা

মোঃ মতিন বকশ : শিক্ষা ব্যবস্থায় সৃজনশীল পদ্ধতির প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলো হলো শিক্ষকদের অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ (৪১% শিক্ষক বোঝেন না) [Recent], মানসম্মত প্রশ্ন প্রণয়নের অভাব, নোট-গাইড নির্ভরতা, এবং মুখস্থ করার মানসিকতা। এর উত্তরণে নিয়মিত ও বাস্তবমুখী শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নির্দেশিকা অনুসরণ, এবং প্রশ্নের মান যাচাই (Moderation) নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সৃজনশীল পদ্ধতির মূল প্রতিবন্ধকতা:
শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাব: একটি বড় অংশের শিক্ষকের সৃজনশীল প্রশ্ন প্রণয়ন ও মূল্যায়নের ওপর যথাযথ প্রশিক্ষণ বা ধারণা নেই। আমি মৌলভীবাজার দি ফ্লাওয়ারস কেজি এন্ড হাইস্কুলে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য থাকায় এই পদ্ধতি নিয়ে শিক্ষকদের সাথে বিভিন্ন ভাবে কথা হয়। এমসি ফাস্ট ক্লাস প্রবিণ শিক্ষক দুঃখ প্রকাশ করে বললেন তিনি যখন অংকের সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরী করতে বসেন তখন তিনি কয়েক রাত জাগতে হয় কারণ বইয়ের পাঠ থেকে প্রশ্ন নিতে গিয়ে সেই পাঠ পরে প্রশ্ন করতে হবে। এছাড়া আরেক জন শিক্ষক বললেন ভাই অনেক সময় আমরাও গাইড বইয়ের সাহায্য নিতে। এক প্রশ্ন করতে হলে অনেক কিছু দেখে করতে হয়।
মানসম্মত প্রশ্ন প্রণয়ন: অনেক ক্ষেত্রে উদ্দীপক ও প্রশ্নের মধ্যে মিল থাকে না, যা সৃজনশীলতার চেয়ে মুখস্থ বিদ্যাকে উৎসাহিত করে। গাইড বানিজ্য কোচিং বাণিজ্য এই সৃজনশীল পদ্ধতির কারণে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করে। পৃথিবীর দুই একটা দেশছাড়া কোথাও এই পদ্ধতি পরিলক্ষিত হয় নাই। এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হলে অত্যান্ত মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য
এই পদ্ধতি নোট ও গাইড বইয়ের ওপর নির্ভরশীলতা প্রযোজ্য ।শিক্ষার্থীরা মূল বই না পড়ে গাইড বইয়ের উত্তর মুখস্থ করে।বিগত পতিত সরকার শিক্ষা পদ্ধতি কে একটা জটিলতায় ফেলেছিল কোন গবেষণা ছাড়া পাঠ্যবইয়ে থেকে পড়ালেখা উঠিয়ে ব্যবহারিক শিক্ষার নাম করে ডিম বাজি আলুভর্তা এবং কাগজ কেটে বিভিন্ন উপকরণ তৈরী করা। এই পদ্ধতি শুধু শিক্ষার মানহীন নয় এটা ছিল হাস্যকর।
এই সৃজনশীল পদ্ধতি এবং হাসিনার ডিম বাজি আলুভর্তা কাগজ কাটা এর মূল কারণ হল ভারতীয় আদিপত্যবাদ। একটা জাতিকে ধ্বংশ করতে হলে তাকে শিক্ষাহীন করতে হবে তাহাদের কে এডিকটেড করতে হবে। আমার যদি একটু গভীরে যাই তাহলে দেখবো সীমান্তে মাদকের কারখানা খুলেছে ভারতীয় কুলাংগাররা। এরা বাংলাদেশের যুব সমাজ কে ধ্বংশ করে আমাদের জাতিসত্ত্বাকে ধ্বংশ করতে চায়। কারণ ভারত আইটি সেক্টরে বিশ্ব বাণিজ্যের দখলদার তারা কি ভাবে চাইবে তাহাদের প্রতিবেশী দেশ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বাজার বাণিজ্যের অংশ গ্রহণ প্রতিযোগিতা করুক। এছাড়া অশিক্ষিত জাতি সব সময় পরাধীনতার শৃঙ্খল বদ্ধ থাকে। এ কারণে ভারতীয় প্রেসক্রিপশনে ভারতীয় সরকার তাহাদের তাবেদার হাসিনা কে দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ধ্বংশ করে। জাতি গঠনের তাগিদে নির্বাচিত জনগোষ্ঠীর এই সরকার এই পদ্ধতি বাতিল করে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন পদ্ধতি চালু করা অত্যান্ত আবশ্যক মনে করি। পাঠ্যবই সংশোধন এবং পদ্ধতি সংশোধন করা সময়ের দাবী।
এ ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থা ডেলে সাজাতে হলে যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন, দক্ষ শিক্ষক তৈরি, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, এবং একমুখী ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। মৌলিক দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন পদ্ধতি, কারিগরি শিক্ষার প্রসার, গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো প্রয়োজন।
শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকীকরণে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে: 

  • যুগোপযোগী কারিকুলাম ও মূল্যায়ন:প্রাথমিক স্তরে বাংলা-গণিত এবং মাধ্যমিক স্তরে ইংরেজি-বিজ্ঞান দক্ষতা বৃদ্ধিতে মনোযোগ দেওয়া [১]। সংক্ষিপ্ত প্রশ্নমালা সম্বলিত পাঠ যা ছাত্রছাত্রীরা অতি সহজ আয়াত্ব করতে পারে। অনুধাবন করতে পারে পাঠের অর্থ এবং সারাংশ। গঠন মুলক পাঠ চিন্তাধারা ভিত্তিক মূল্যায়ন (Assessment) পদ্ধতি প্রবর্তন।
  • শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও মানোন্নয়ন: মেধাবী তরুণদের শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট করা এবং মানসম্মত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি।
  • একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা: সাধারণ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ইংরেজি মাধ্যমের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে মাধ্যমিক পর্যন্ত অভিন্ন কারিকুলাম প্রবর্তন।
  • প্রযুক্তির ব্যবহার ও অবকাঠামো: শ্রেণীকক্ষে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতি চালু করা। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে লাইব্রেরি ও গবেষণাগার আধুনিকায়ন।
  • কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা: কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার ঘটানো, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়।
  • নৈতিকতা ও মূল্যবোধ: শুধু কর্মদক্ষতা নয়, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক তৈরির লক্ষ্যে পাঠ্যসূচিতে সাংস্কৃতিক ও নৈতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা।
  • বিনিয়োগ ও সুষ্ঠু প্রশাসন: শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধি এবং শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
    এছাড়াও, শিক্ষাব্যবস্থায় গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে যুগের চাহিদা অনুযায়ী বাস্তবমুখী ও জীবনমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অতীত পর্যালোচনা করে পাঠপাঠ্যক্রম তৈরি করা। শিক্ষাকে সহজ করা সবার জন্যে শিক্ষা এই শ্লোগান কে সামনে রেখে নতুন আঙ্গিকে জ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা।
Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ায় পোল্টি ফার্মে এক যুবক লুৎফুর রহমানের আত্মহত্যা

সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের গলার কাঁটা বলে মনে করেন শিক্ষাবিদ বিশেষজ্ঞরা

Update Time : 08:14:54 am, Monday, 30 March 2026

মোঃ মতিন বকশ : শিক্ষা ব্যবস্থায় সৃজনশীল পদ্ধতির প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলো হলো শিক্ষকদের অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ (৪১% শিক্ষক বোঝেন না) [Recent], মানসম্মত প্রশ্ন প্রণয়নের অভাব, নোট-গাইড নির্ভরতা, এবং মুখস্থ করার মানসিকতা। এর উত্তরণে নিয়মিত ও বাস্তবমুখী শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নির্দেশিকা অনুসরণ, এবং প্রশ্নের মান যাচাই (Moderation) নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সৃজনশীল পদ্ধতির মূল প্রতিবন্ধকতা:
শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাব: একটি বড় অংশের শিক্ষকের সৃজনশীল প্রশ্ন প্রণয়ন ও মূল্যায়নের ওপর যথাযথ প্রশিক্ষণ বা ধারণা নেই। আমি মৌলভীবাজার দি ফ্লাওয়ারস কেজি এন্ড হাইস্কুলে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য থাকায় এই পদ্ধতি নিয়ে শিক্ষকদের সাথে বিভিন্ন ভাবে কথা হয়। এমসি ফাস্ট ক্লাস প্রবিণ শিক্ষক দুঃখ প্রকাশ করে বললেন তিনি যখন অংকের সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরী করতে বসেন তখন তিনি কয়েক রাত জাগতে হয় কারণ বইয়ের পাঠ থেকে প্রশ্ন নিতে গিয়ে সেই পাঠ পরে প্রশ্ন করতে হবে। এছাড়া আরেক জন শিক্ষক বললেন ভাই অনেক সময় আমরাও গাইড বইয়ের সাহায্য নিতে। এক প্রশ্ন করতে হলে অনেক কিছু দেখে করতে হয়।
মানসম্মত প্রশ্ন প্রণয়ন: অনেক ক্ষেত্রে উদ্দীপক ও প্রশ্নের মধ্যে মিল থাকে না, যা সৃজনশীলতার চেয়ে মুখস্থ বিদ্যাকে উৎসাহিত করে। গাইড বানিজ্য কোচিং বাণিজ্য এই সৃজনশীল পদ্ধতির কারণে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করে। পৃথিবীর দুই একটা দেশছাড়া কোথাও এই পদ্ধতি পরিলক্ষিত হয় নাই। এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হলে অত্যান্ত মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য
এই পদ্ধতি নোট ও গাইড বইয়ের ওপর নির্ভরশীলতা প্রযোজ্য ।শিক্ষার্থীরা মূল বই না পড়ে গাইড বইয়ের উত্তর মুখস্থ করে।বিগত পতিত সরকার শিক্ষা পদ্ধতি কে একটা জটিলতায় ফেলেছিল কোন গবেষণা ছাড়া পাঠ্যবইয়ে থেকে পড়ালেখা উঠিয়ে ব্যবহারিক শিক্ষার নাম করে ডিম বাজি আলুভর্তা এবং কাগজ কেটে বিভিন্ন উপকরণ তৈরী করা। এই পদ্ধতি শুধু শিক্ষার মানহীন নয় এটা ছিল হাস্যকর।
এই সৃজনশীল পদ্ধতি এবং হাসিনার ডিম বাজি আলুভর্তা কাগজ কাটা এর মূল কারণ হল ভারতীয় আদিপত্যবাদ। একটা জাতিকে ধ্বংশ করতে হলে তাকে শিক্ষাহীন করতে হবে তাহাদের কে এডিকটেড করতে হবে। আমার যদি একটু গভীরে যাই তাহলে দেখবো সীমান্তে মাদকের কারখানা খুলেছে ভারতীয় কুলাংগাররা। এরা বাংলাদেশের যুব সমাজ কে ধ্বংশ করে আমাদের জাতিসত্ত্বাকে ধ্বংশ করতে চায়। কারণ ভারত আইটি সেক্টরে বিশ্ব বাণিজ্যের দখলদার তারা কি ভাবে চাইবে তাহাদের প্রতিবেশী দেশ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বাজার বাণিজ্যের অংশ গ্রহণ প্রতিযোগিতা করুক। এছাড়া অশিক্ষিত জাতি সব সময় পরাধীনতার শৃঙ্খল বদ্ধ থাকে। এ কারণে ভারতীয় প্রেসক্রিপশনে ভারতীয় সরকার তাহাদের তাবেদার হাসিনা কে দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ধ্বংশ করে। জাতি গঠনের তাগিদে নির্বাচিত জনগোষ্ঠীর এই সরকার এই পদ্ধতি বাতিল করে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন পদ্ধতি চালু করা অত্যান্ত আবশ্যক মনে করি। পাঠ্যবই সংশোধন এবং পদ্ধতি সংশোধন করা সময়ের দাবী।
এ ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থা ডেলে সাজাতে হলে যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন, দক্ষ শিক্ষক তৈরি, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, এবং একমুখী ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। মৌলিক দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন পদ্ধতি, কারিগরি শিক্ষার প্রসার, গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো প্রয়োজন।
শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকীকরণে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে: 

  • যুগোপযোগী কারিকুলাম ও মূল্যায়ন:প্রাথমিক স্তরে বাংলা-গণিত এবং মাধ্যমিক স্তরে ইংরেজি-বিজ্ঞান দক্ষতা বৃদ্ধিতে মনোযোগ দেওয়া [১]। সংক্ষিপ্ত প্রশ্নমালা সম্বলিত পাঠ যা ছাত্রছাত্রীরা অতি সহজ আয়াত্ব করতে পারে। অনুধাবন করতে পারে পাঠের অর্থ এবং সারাংশ। গঠন মুলক পাঠ চিন্তাধারা ভিত্তিক মূল্যায়ন (Assessment) পদ্ধতি প্রবর্তন।
  • শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও মানোন্নয়ন: মেধাবী তরুণদের শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট করা এবং মানসম্মত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি।
  • একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা: সাধারণ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ইংরেজি মাধ্যমের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে মাধ্যমিক পর্যন্ত অভিন্ন কারিকুলাম প্রবর্তন।
  • প্রযুক্তির ব্যবহার ও অবকাঠামো: শ্রেণীকক্ষে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও অনলাইন শিক্ষাপদ্ধতি চালু করা। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে লাইব্রেরি ও গবেষণাগার আধুনিকায়ন।
  • কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা: কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার ঘটানো, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়।
  • নৈতিকতা ও মূল্যবোধ: শুধু কর্মদক্ষতা নয়, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক তৈরির লক্ষ্যে পাঠ্যসূচিতে সাংস্কৃতিক ও নৈতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা।
  • বিনিয়োগ ও সুষ্ঠু প্রশাসন: শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধি এবং শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
    এছাড়াও, শিক্ষাব্যবস্থায় গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে যুগের চাহিদা অনুযায়ী বাস্তবমুখী ও জীবনমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অতীত পর্যালোচনা করে পাঠপাঠ্যক্রম তৈরি করা। শিক্ষাকে সহজ করা সবার জন্যে শিক্ষা এই শ্লোগান কে সামনে রেখে নতুন আঙ্গিকে জ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা।