11:55 pm, Sunday, 7 June 2026

বড়লেখায় ডাকাতির চেষ্টা ও হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তি

বড়লেখা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানার বিশেষ অভিযানে ডাকাতির চেষ্টা ও হত্যা মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে এবং সহযোগী অন্য আসামিদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করেছে।

গত ৬ জুন সিলেট মহানগর পুলিশের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. আব্দুল করিম ওরফে রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার সেনাপতির চক এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও মাদকসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, গত ২৮ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ লঘাটি এলাকায় গিয়াস উদ্দিনের বসতবাড়িতে ৬-৭ জনের একটি ডাকাত দল প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে ডাকাত দলের একজন আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি ছোড়ে। গুলিটি ডাকাত দলের সদস্য ছয়ফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল ইসলামের মাথায় বিদ্ধ হলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর থেকে বড়লেখা থানা পুলিশ মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. মো. জিললুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসিফ মহিউদ্দিন পিপিএম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) নোবেল চাকমা পিপিএম-এর তত্ত্বাবধানে, অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান খানের নেতৃত্বে এসআই দেবল চন্দ্র সরকারসহ একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেফতার করে।

বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান খান জানান, এ ঘটনায় বড়লেখা থানায় পেনাল কোডের ৩৯৮/৩০৭/৩০২ ধারায় মামলা রুজু করা হয়। গ্রেফতারকৃত রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ ৭ টি এবং এই ঘটনায় নিহত ছয়ফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ মোট ১৮টি মামলা রয়েছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

ডেঙ্গু পুরো জাতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বড়লেখায় ডাকাতির চেষ্টা ও হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তি

Update Time : 11:06:51 am, Sunday, 7 June 2026

বড়লেখা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানার বিশেষ অভিযানে ডাকাতির চেষ্টা ও হত্যা মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে এবং সহযোগী অন্য আসামিদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করেছে।

গত ৬ জুন সিলেট মহানগর পুলিশের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন কদমতলী বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. আব্দুল করিম ওরফে রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার সেনাপতির চক এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও মাদকসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, গত ২৮ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ লঘাটি এলাকায় গিয়াস উদ্দিনের বসতবাড়িতে ৬-৭ জনের একটি ডাকাত দল প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে ডাকাত দলের একজন আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি ছোড়ে। গুলিটি ডাকাত দলের সদস্য ছয়ফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল ইসলামের মাথায় বিদ্ধ হলে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর থেকে বড়লেখা থানা পুলিশ মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. মো. জিললুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসিফ মহিউদ্দিন পিপিএম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) নোবেল চাকমা পিপিএম-এর তত্ত্বাবধানে, অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান খানের নেতৃত্বে এসআই দেবল চন্দ্র সরকারসহ একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেফতার করে।

বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান খান জানান, এ ঘটনায় বড়লেখা থানায় পেনাল কোডের ৩৯৮/৩০৭/৩০২ ধারায় মামলা রুজু করা হয়। গ্রেফতারকৃত রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ ৭ টি এবং এই ঘটনায় নিহত ছয়ফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ মোট ১৮টি মামলা রয়েছে।