10:45 pm, Friday, 16 October 2026

সেনাবাহিনীকে জাতির গর্বের জায়গায় দেখতে চাই : সিলেটে সেনাপ্রধান

 অনলাইন ডেস্ক: সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার প্রচেষ্টায় বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের মনোবল ও সক্ষমতা এতটা বেড়েছে যে, দেশে-বিদেশে তাদের উপর অর্পিত যে কোন দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে তারা সক্ষম।

সেনাপ্রধান আরও বলেন, সেনাবাহনীকে জাতির গর্বের জায়গায় দেখতে চান তিনি। এটাই তার ভিশন। রবিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে সিলেট সেনানীবাসের মুজিব চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ‘বজ্রকন্ঠ’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

সেনা প্রধান আরও বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষে এই ভাস্কর্য উদ্বোধন সৌভাগ্যের ব্যাপার। জাতির জনকের এই ভাস্কর্য শুধু প্রদর্শনের জন্যই নয়, স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাসের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ তৈরিতে সহায়ক হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সেনা সদস্যদের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এই ভাস্কর্য দেখতে ও এর প্রতি সম্মান জানাতে পারবে, এমনটাই জানান সেনাপ্রধান। প্রসঙ্গত, সিলেট সেনানিবাসের মুজিব চত্বরে স্থাপিত ‘বজ্রকন্ঠ’ ভাস্কর্যটির বেজমেন্ট ৬ ফুট ও মূল ভাস্কর্য ১৯ ফুট দীর্ঘ। সেনাবাহিনীর সিলেট এরিয়া সদরদপ্তরের তত্বাবধানে স্থাপিত হয় ভাস্কর্যটি।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সেনাবাহিনীকে জাতির গর্বের জায়গায় দেখতে চাই : সিলেটে সেনাপ্রধান

Update Time : 01:09:08 pm, Sunday, 5 December 2021

 অনলাইন ডেস্ক: সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার প্রচেষ্টায় বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের মনোবল ও সক্ষমতা এতটা বেড়েছে যে, দেশে-বিদেশে তাদের উপর অর্পিত যে কোন দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে তারা সক্ষম।

সেনাপ্রধান আরও বলেন, সেনাবাহনীকে জাতির গর্বের জায়গায় দেখতে চান তিনি। এটাই তার ভিশন। রবিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে সিলেট সেনানীবাসের মুজিব চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ‘বজ্রকন্ঠ’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

সেনা প্রধান আরও বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষে এই ভাস্কর্য উদ্বোধন সৌভাগ্যের ব্যাপার। জাতির জনকের এই ভাস্কর্য শুধু প্রদর্শনের জন্যই নয়, স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাসের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ তৈরিতে সহায়ক হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সেনা সদস্যদের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এই ভাস্কর্য দেখতে ও এর প্রতি সম্মান জানাতে পারবে, এমনটাই জানান সেনাপ্রধান। প্রসঙ্গত, সিলেট সেনানিবাসের মুজিব চত্বরে স্থাপিত ‘বজ্রকন্ঠ’ ভাস্কর্যটির বেজমেন্ট ৬ ফুট ও মূল ভাস্কর্য ১৯ ফুট দীর্ঘ। সেনাবাহিনীর সিলেট এরিয়া সদরদপ্তরের তত্বাবধানে স্থাপিত হয় ভাস্কর্যটি।