1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:০৬ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
মৌলভীবাজারের ৫টি রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ থাকায় এখন ভুতুরে বাড়ি: যাত্রী দুর্ভোগ চরমে: চুরি ও নষ্ট হচ্ছে রেলওয়ের মুল্যবান সম্পদ,নতুন বছরে দৃঢ় হোক সম্প্রীতির বন্ধন, দূর হোক সংকট: প্রধানমন্ত্রী. আজ রোববার উদযাপন হবে বই উৎসব. দুর্গম এলাকায় বিকল্প ব্যবস্থায় নতুন বই পাঠানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী, নতুন বছরে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী, নতুন আশা নিয়ে মধ্যরাতে বরণ করা হবে ২০২৩ সাল, সিডনিতে আতশবাজির মধ্য দিয়ে ‘নিউ ইয়ার’ বরণ, ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে পুলিশের কড়াকড়ি,আবারও প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক হলেন শ্যামল ,নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

মৌলভীবাজারে দ্বিতীয় পর্যায়ে ঘর পাচ্ছে ৬৫৭ পরিবার

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ৩০৯ বার পঠিত

মশাহিদ আহমদ: মৌলভীবাজারে দ্বিতীয় পর্যায়ে একসঙ্গে ৬ শত ৫৭টি অসহায় পরিবারকে ঘর দিচ্ছে সরকার। আজ ১৮ জুন সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান- আগামী ২০ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সে দ্বিতীয় পর্যায়ে এসব পরিবারকে মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে বিনামূল্যে সেমি পাকা ঘর দেওয়ার কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। সেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ ও মন্দির নির্মান করা হচ্ছে। আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক মেহদী আহসান, অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মলিকা দে, অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তানিয়া সুলতানা, সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকর্তা সাবরিনা রহমান, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব ও মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। “মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না”-মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে এর আগে প্রথম পর্যায়ে ১১শত ২৬ টি ঘড় হস্তান্তর করা হয়। ২য় পর্যায়ে সারাদেশে ‘ক’ শ্রেণির ৫৩,৩৪০টি একক পরিবারের নিকট জমি ও গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন। ইতোপূর্বে, গত ২৩ জানুযারী, ১ম পর্যায়ে নির্মিত ৬৯,৯০৪টি গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রম এর শুভ উদ্বোধন করেন । ২য় পর্যায়ে গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ৬৪টি জেলার সকল উপজেলার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন প্রান্ত ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংযুক্ত থাকবেন। স্থানীয়ভাবে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রী/সংসদ সদস্য/জনপ্রতিনিধি ও সুধিবৃন্দদের নিয়ে উপজেলা পরিষদ প্রান্তে সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠান শুরু হবে। বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ তাঁদের অধিক্ষেত্রে সুবিধাজনক কোন স্থানে এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। গণভবন প্রান্তে মূল অনুষ্ঠানটি সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকায় শুরু হবে এবং সকল উপজেলা পরিষদ প্রান্ত এ অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হবেন।গৃহ হস্তান্তও কার্যক্রম শুভ উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্থানীয়ভাবে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রী/সংসদ সদস্য/বিভাগীয় কমিশনার/জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী অফিসার/ জনপ্রতিনিধি/ সুধিবৃন্দ/ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপকারভোগীদের নিকট ফোল্ডার হস্তান্তর করবেন। সরবরাহকৃত ফোল্ডারে কবুলিয়ত, নামজারি খতিয়ান, সনদপত্র ও নামজারী ডিসিআর থাকবে। মৌলভীবাজার জেলায় ১ম পর্যায়ে ১১২৬টি এবং ২য় পর্যায়ে সংখ্যা ১১৫১টি সহ সর্বমোট বরাদ্দপ্রাপ্ত একক গৃহের সংখ্যা ২২৭৭টি। ২য় পর্যায়ের ১১৫১টির মধ্যে ৬৫৭টি ঘর। অবশিষ্ট ৪৯৪টি ঘর বন্দোবস্তযোগ্য খাসজমিতে মাটিভরাট করে নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণ কার্যক্রম শেষে ধারাবাহিকভাবে গৃহগুলো উপকারভোগীদের নিকট হস্তান্তর করা হবে। প্রতিটি পরিবারের অনুকূলে ২ শতাংশ করে খাসজমি বন্দোবস্ত প্রদান করা হচ্ছে এবং নির্মিত গৃহে ২টি কক্ষ, ১টি রান্নাঘর, ১টি ল্যাট্রিন ও ১টি স্টোর রুম রয়েছে। উল্লেখ্য- মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের মাইজদিহি এলাকায় পাহাড়ের উপর ৩০ একর সরকারি খাসজমি অবৈধ দখলকারদের নিকট থেকে উদ্ধার করে নির্মাণ করা হচ্ছে ৩০০ টি ঘর। যা ৩০০টি পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হলে প্রায় ১৫০০ জন মানুষ এখানে বসবাস করবে। এ প্রকল্পের ১৫৮টি ঘর উদ্বোধন যোগ্য এবং ২০০ জন উপকারভোগী ইতোমধ্যে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রকল্প এলাকাটিতে ইন্টারনেট ও বৈদ্যুতিক সংযোগ প্রদান করা হয়েছে এবং ৮টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। জেলা সদর ও উপজেলা সদর এর মধ্যবর্তী ¯’ানে এই প্রকল্পের অব¯’ান। উপজেলা সদর হতে প্রকল্প এলাকার দূরত্ব ১০ কিলোমিটার। নিকটতম গ্রোথ সেন্টার উপজেলার ২য় বৃহত্তম ভৈরবগঞ্জ বাজার হতে দূরত্ব ১.২ কি.মি। সিলেট- শ্রীমঙ্গল হাইওয়ে থেকে প্রকল্পে যাতায়াতের জন্য দুই দিক থেকে পাকা ও কাচা রাস্তার সংযোগ রয়েছে। প্রকল্পটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর “আমার গ্রাম আমার শহর” ধারণার প্রতিফলন। এখানে ১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১ টি মসজিদ, ও ১ টি মন্দির নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..