1. [email protected] : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. [email protected] : admi2017 :
  3. [email protected] : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
বিনোদন :: গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই গায়কের মর্মান্তিক মৃত্যু!,  খেলার খবর : অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, বিমানবন্দরে যুবাদের জানানো হবে উষ্ণ অভ্যর্থনা,

গাজার টানেল নেটওয়ার্কে সাগরের পানি দিচ্ছে ইসরায়েল

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৮ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট : টানেলের মুখে বসানো একটি পাইপ, যা দিয়ে পানি ফেলা হচ্ছে।
অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় হামাসের নিয়ন্ত্রণে থাকা কয়েক শ মাইল দীর্ঘ টানেল নেটওয়ার্ককে সমুদ্রের পানি দিয়ে ডুবিয়ে দিতে কাজ শুরু করেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষাবাহিনী (আইডিএফ) এরই মধ্যে টানেলগুলোতে পাম্প থেকে পানি ফেলা শুরু করেছে। আইডিএফের বরাত দিয়ে এই সংবাদ জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল।

গতকাল মঙ্গলবার আইডিএফ জানিয়েছে, তারা পাম্পের সাহায্যে সমুদ্র থেকে পানি এনে টানেলে ফেলা শুরু করেছে। এক বিবৃতিতে আইডিএফ বলেছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকটি আইডিএফ ইউনিট ও কর্মকর্তারা যৌথভাবে গাজা উপত্যকার হামাসের টানেলে বিপুল পরিমাণে পানি প্রবেশ করানোর জন্য বেশ কয়েকটি স্থানে মেশিন বসিয়েছে।

আইডিএফ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় পুরো টানেল নেটওয়ার্ক প্লাবিত হবে না। তবে টানেলের বিশাল এলাকাকে ক্ষতিগ্রস্ত পারবে। ইসরায়েল জানিয়েছে, টানেলে সমুদ্রের পানি ফেলার ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বিনষ্ট হবে কি না এবং মাটির ক্ষতি হবে কি না তা জানার জন্য পেশাদারিত্বের সঙ্গে ব্যাপক পরীক্ষা চালানো হয়েছে।

টানেল নেটওয়ার্কে পানি ফেলার ফলে হামাসের হাতে জিম্মি ইসরায়েলিদের কোনো ক্ষতি হবে কি না—এমন আশঙ্কার পরিপ্রেক্ষিতে আইডিএফের মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হাগারি বলেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জিম্মিদের অবস্থানের ওপর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করছে এবং তাদের ক্ষতি করতে পারে এমন কোনো ইচ্ছাকৃত পদক্ষেপ আইডিএফ নেবে না।

চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছিলেন, তাদের অনুমান—হামাসের টানেল নেটওয়ার্ক প্রায় ৩৫০-৪০০ মাইল দীর্ঘ। আগে এই টানেলের দৈর্ঘ্য যা ছিল বলে অনুমান করেছিল ইসরায়েল তার অনেক বেশি। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের অনুমান, অন্তত ৫ হাজার ৭০০টি শ্যাফট বা সুড়ঙ্গ পথ ধরে এসব টানেলে চলাচল করা যায়।

আইডিএফের আরও অনুমান, হামাস এই টানেল নির্মাণে ৬ হাজার কংক্রিট ও ১ হাজার ৮০০ টন ইস্পাত ব্যবহার করেছে। ইসরায়েলের অনুমান, সম্ভবত এই প্রকল্পে কয়েক মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে হামাস।

এর আগে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছিল, গত নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই ইসরায়েল এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছিল। গত বছরের ডিসেম্বরের শুরুর দিকেই তারা সমুদ্র থেকে পানি টেনে আনার জন্য গাজা আল-শাতি শরণার্থীশিবিরের পাশে অন্তত পাঁচটি পানির পাম্প স্থাপন করে ফেলে।

এই পাম্পগুলো প্রতি ঘণ্টায় কয়েক হাজার ঘনমিটার পানি বয়ে আনতে পারে। সেই হিসাবে একবার পানি টানা শুরু করলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই গাজার টানেলগুলো পানিতে ভরে যাওয়ার কথা—বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।

বিষয়টি নিয়ে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছিলেন, টানেলগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী করে তোলাটা ইসরায়েলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি করতে গিয়ে দেশটি নতুন কোনো পদ্ধতির আশ্রয় নিতেই পারে। তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী হামাসের সক্ষমতাকে ছিন্নভিন্ন করে দিতে বিভিন্ন কৌশলে কাজ করছে। তারা বিভিন্ন সামরিক কৌশল ও যন্ত্রপাতিও ব্যবহার করছে।’

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..