1. [email protected] : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. [email protected] : admi2017 :
  3. [email protected] : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
ব্রেকিং নিউজ :
বিনোদন :: গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই গায়কের মর্মান্তিক মৃত্যু!,  খেলার খবর : অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, বিমানবন্দরে যুবাদের জানানো হবে উষ্ণ অভ্যর্থনা,

তেইশে জুন ছিল “পলাশি দিবস” দোছরা জুলাই “শহীদ দিবস” বাংলার স্বাধীনতা রক্ষায় বৃটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদ সুবে বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৌলার কর্ম্ম ও জীবন দর্শনঃ স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০২৪
  • ৫৫ বার পঠিত

। মুজিবুর রহমান মুজিব।
প্রাচীন কাল থেকেই প্রাচীন ভারত বর্ষ ভারত বাংলা সুবে বাংলা ধনে জনে জ্ঞান গরিমায় স্বচ্ছল সম্ভ্রান্ত ও ঐতিহ্য মন্ডিত ঐতিহাসিক জনপদ। বাংলার অপরূপ প্রাকৃতিক নিসর্গ, দিগন্ত বিস্তৃত ফসলের মাঠ সম্পদ সৌন্দর্য্যে বিমুগ্ধ হয়ে ভিন্ন দেশ থেকে ভিন দেশীবঙ্গঁ দেশে এসেছেন। বসতি স্থাপন করে ব্যবসা বানিজ্যে মনোনিবেশ করেছেন। এই প্রেক্ষিতে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যথার্থই বলেছেন “হেথাআর্য্য, হেথা অনার্য্য, হেথা দ্রবিড় চীন, শক হুনদল পাঠান মুঘল এক দেহে হললীন”। বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ শ্রদ্ধেয় স্যার যদু নাথ সরকার এর “বেঙ্গল নয়াবস” গ্রহ্ণের তথ্য মতে স্বাধীন বাংলার নবাবদের মধ্যে বাংলা বিহার, উড়িষ্যা, নিয়ে গঠিত সুবে বাংলার প্রজা বৎসল নৃপতি মানব প্রেমিক নবাব আলী বর্দী খার আমলে ভাগ্যান্বেসনে ভারত বাংলায় আসেন ইরাকের নজফ শহরের সম্ভ্রান্ত সৈয়দ বংশীয় সৈয়দ আহমদ নজফি। বংশ পরিচয় ও অভুক্ত পরিবার সদস্য ছাড়া দরিদ্র সৈয়দ আহমদ নজফির ধন দৌলত কিছুই ছিল না। মানবদরদি বয়োঃবৃদ্ধ নবাব আলীবর্দি খাঁন ইরাকি পরিবারের দূঃখ দুর্দশা দেখে দয়া পরবশ হয়ে আশ্রয় দেন। সৈয়দ আহমদ নজফির পুত্র ইতিহাসের কুখ্যাত মির মোহাম্মদ জাফর আলীকে মাসিক একশত টাকা বেতনে উমেদার এর চাকরি দেন। মীর জাফর একজন ধূর্ত, ধুরন্দর, লোভী ও প্রতারক প্রকুতির মানুষ হলেও বিভিন্ন কলা কৌশলে বৃদ্ধ নবাব আলীবর্দী খাঁর মনজয় করে নেন। সহজ সরল বয়োঃবৃদ্ধ নবাব ইরাকি এই সম্ভ্রান্ত পরিবারকে সহায়তা ও পূর্নবাসনের লক্ষে নিজ বৈমাত্রেয় ভগ্নি শাহ খানমকে মীর জাফর আলীর সঙ্গে বিয়ে দিয়ে ভগ্নি পতিকে সেনা বাহিনীতে চাকরি প্রদান করেন। মীর জাফর ভালো যোদ্ধা না হলেও নবাব জামাতা হিসাবে প্রদান সেনা পতির পদটি বাগিয়ে নেন। বীরযোদ্ধাও বাংলার জনপ্রিয় নবাব আলীবর্দী খা অপুত্রক ছিলেন বাংলার সিংহাসনে তাঁর কোন উত্তর সূরী না থাকায় তিনি প্রিয় দৌহিত্র সিরাজুদ্দৌলাকে যোগ্য উত্তর সূরী তৈরীর লক্ষে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষন প্রদান করছিলেন, সন্তানের মমতা দিয়ে লালন পালন করছিলেন রনাঙ্গনে রাজ্য পালন ও রাজ পরিচালনায় নবাব আলীবর্দীর সরাসরি ও সার্বিক তত্বাবধানে তরুন সিরাজুদ্দৌলা উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উঠছিলেন। যুবরাজ সিরাজ নবাব আলী বর্দীর মতই ছিলেন ইংরেজ বিরোধী দেশ প্রেমিক, জন দরদি ও বীর যোদ্ধা। বাংলার সিংহাসনের প্রতি নাতির চাইতে ভগ্নি পতির দাবী বেশি এই বিবেচনায় সেনাপতি মীর জাফর আলী বাংলার সিংহাসনের দিকে কুদৃষ্টি দেন, বাংলার নবাব হবার দিবাস্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। প্রাচীন কালে, প্রাচীন ভারত বর্ষে ইরান ইরাকিদের আসা যাওয়াছিল। দেশ দুটির সভ্যতাও সুপ্রাচীন। ইরাক ইরানী পীর আওলিয়া জ্ঞানীগুনী কবিও দার্শনিকদের খ্যাতি ও নামডাক ছিল দুনিয়া জোড়া। ভারত বাংলায় ও ইরাক ইরানীদের পরিচিত প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল। ধুর্ত মীর জাফর আলী নবাব পরিবারের জামাতা বাংলার সিপাহ সালার হিসাবে তরুন সিরাজুদ্দৌলার বিরুদ্ধে নবাব পরিবার ও আমীর আমাত্য মহলে মিথ্যা প্রচারনা চালাতে থাকে। পরিনত বয়সে নবাব আলীবর্দী খার মৃত্যো হলে দেশ প্রেমিক তরুন সিরাজুদ্দৌলা বাংলার নবাব হলে বাংলাও বাঙ্গালির চীর শত্রæ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ইংরেজদের সঙ্গে আতাত করেন, বাংলার সিংহাসনকে নীলামে উঠান বেঈমান মীর জাফর আলী খান। এই ভিন্ন দেশী বেঈমানের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা মির জাফরি মোনাফেকিতে শরীক ছিলেন ধনকুবের জগৎ শেঠ, রাজা রাজ ভল্লব, রায় দূর্লভ, এয়ার লতিফ এর দল। ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কেরানী ক্লাইভ সুবে বাংলায় মজাছে বানিজ্য করার হীন মানষে তলে তলে বেঈমান মীর জাফরের সঙ্গেঁ আতাত করে বাংলার মসনদ থেকে স্বাধীন চেতা নবাব সিরাজুদ্দৌলাকে হটিয়ে নিজ পসন্দ মাফিক নবাব বানাবার খায়েসে মাত্র তেইশ শত সেন্য ও কয়টা কামান নিয়ে বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদ আক্রমন করে বসেন। গুপ্তচর মারফত এই সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে বাংলার স্বাধীন চেতা স্বাধীন নবাব সিরাজুদ্দৌলা যুদ্ধ সাজে সজ্জিত হয়ে সাত চল্লিশ হাজার সৈন্য অনেক কামান নিয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করেন। ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন ভাগিরথী নদীর তীরে পলাশীর আম বাগানে মুখোমুখি হন ইংরেজ ও বাংলা বাহিনী। পলাশীর যুদ্ধে যুদ্ধের ময়দানে সিপাহ সালার মীর জাফর আলীর নেতৃত্বে নবাবের সৈন্য বাহিনী পুতুলের মত দাড়িয়ে ইংরেজদের রন নৈপুন্য দেখলেন। নবাবের অনুগত সেনাপতি মীর মদন ও রাজা মোহন লাল প্রান পনযুদ্ধ করে চল্লেও সিপাহ সালার মীর জাফরের বিশ্বাস ঘাতকতায় যুদ্ধ বিরতি, প্রতারনা মূলক ভাবে ইংরেজদর আক্রমন মীর মদনের মৃত্যো নবাব শিবিরে হতাশাও বিশৃংখলা নেমে আসে। যুদ্ধ বিহীন যুদ্ধ শেষে দিনের শেষে “ইংরেজ বনিকের মানদন্ড দেখা দিল রাজ দন্ড রুপে পোহালে শরীর”। এই প্রসঙ্গে স্যার যদু নাথ সরকার যথার্থই বলেন:- ঞযঁংবহফবফ গঁংষরস জঁষব রহ ইবহমধষ ঞযব ভড়ৎবরমহ গধংঃবৎ ড়ভ ঃযব ঝড়বিৎফ যধফ নবপড়সব করহম গধশৎ পলাশীর যুদ্ধ যে প্রকৃত পক্ষে কোন যুদ্ধই ছিল না এবং এই বিজয়ে ইংরেজ এর কোন কৃতিত্বে নেই তা একজন ইংরেজ লেখকই স্বখেদে স্বীকার করেছেন;- ঈড়ৎহবষ গধষরংড়হ তার “উবপরংরাব ইধঃঃষবং ড়ভ ওহফরধ” গ্রহ্ণে বলেন:- অং ধ ঠরপঃড়ৎু, চষধংংু, ডধং রঃং ঈড়হংবয়ঁবহংপব চবৎযধঢ়ং, ঞযব মৎধঃবংঃ বাবৎ মরধহফ, নঁঃ ধং ধ নধঃঃষব রঃ রং হড়ঃ রহ অহু ড়ঢ়রহরড়হ ধ সধঃঃবৎ ঃড় নব চৎড়ঁফ ড়ভ মধঃযবৎ ভরৎংঃ ঢ়ষধপব রঃ ধিং হড়ঃ ধ ভধরৎ ভরমযঃ. সিপাহ সালার মীর জাফর আলীর বিশ্বাস ঘাতকতা, বিনা যুদ্ধে পলাশীর যুদ্ধে জয় লাভের পর ভাগ্যাহত নবাব সিরাজুদ্দৌলা বাংলার স্বার্থকে বিদেশীদের কাছে বিসর্জন দিয়ে ইংরেজদের কাছে আত্বসর্ম্পন, মিলে মিশে ঐক্যমতের সরকার গঠনের প্রস্তাব দেন নি, বরং পুনরায় সৈন্য সংগ্রহ করে কোম্পানীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য পাটনা যাবার পথে ধৃত হয়ে রাজধানীতে প্রাসাদে বন্দী অবস্থায় দুছরা জুলাই ৫৭ সালে ঘাতক মোহাম্মদী বেগের দুরিকাঘাতে প্রান হারান বাংলা বিহার উড়িষ্যা সুবে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব বৃটিশ বিরোধী স্বাধীন সংগ্রামের শহীদ সিরাজুদ্দৌলা হায় বৎজং বাহাদুর। ক্লাইভ কোম্পানী ও মিরজাফর এর চুক্তি মত বাংলার সিংহাসনে নাম মাত্রই আরোহন করলেন মীর জাফর আলী খান। কুখ্যাতি পেলেন ক্লাইভের গর্দভ হিসাবে। ১৭৫৭ সাল থেকে কোম্পানী ক্রমশ সর্ব বিষয়ে শক্তিবৃদ্ধি করতে থাকে। কোম্পানীর সামান্য কেরানী রভার্ট ক্লাইভ বঙ্গঁ বিজেতা হিসাবে স্বীকৃতি পান। ইংলন্ডেশ্বরির কাছ থেকে লর্ড উপাধি প্রাপ্ত হয়ে ভারত শাসক হন। কোম্পানী ক্রমশ ১৭৯৯ সালে মহি সুরের মহাবীর টিপু সুলতান ১৮০৩ সালে শক্তি শালী মারাঠাগনকে পরাজিত করে ভারত ব্যাপী ইংরেজ শাসন জাকিয়ে বসে। ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহ নামে খ্যাত সর্ব ভারত ব্যাপী ভারতীয় সিপাহী তথা দিল্লির শেষ মুঘল স¤্রাট আবু জাফর সিরাজ উদ্দিন মোহাম্মদ বাহাদুর শাহ কে বন্দী করে বিচারের নামে প্রহসনের মাধ্যমে সমগ্র ভারত বর্ষ ব্যাপী ইংরেজ শাসন চালু করে। কোম্পানীর পরিবর্তে বৃটেনের রানী দায়িত্ব ভার গ্রহন করেন। বিশিষ্ট ইতিহাস সচেতন লেখক হারুন রশীদ তার গবেষনা মূলক ইতিহাস ভিত্তিক রচনা “রাজকীয় জল দস্যুর দল” এর তথ্য মতে বৃটেনের রানী এলিজাবেত ভারত স¤্রাট আকবর এর নিকট লিখিত একটি পত্রে ভারত বর্ষে ব্যবসা বানিজ্যে সুযোগ প্রদানের জন্য অনুনয় বিনুনয় করেছেন কিন্তু জ্ঞান পাপী কিংবা মুর্খ রানী মহামতি আকবরকে কেম্বে রাজ্যের অবিসংবাদিত স¤্রাট বলে সম্ভোধন করেছেন অথছ কেম্ব তখন ভারতের একটি বিখ্যাত বন্দর মাত্র। বৃটেনের রানীর নেকনযর একটি বন্দরের দিকে তাও শুধু বানিজ্যিক কারনে। সে সময় ভারত বর্ষ প্রসঙ্গেঁ বৃটেন কিংবা বৃটেনের রানির কোন ধারনা ছিল না। ফরাসী বীর স¤্রাট নেপুলিয়ান বোনাপার্ট তাই বৃটেনকে যথার্থই “ এ নেশন অব সপকিপার” দোকান দারের জাতি বলে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য ও অবহেলা প্রদর্শন করে ছিলেন। অথছ মুঘল ভারতের খ্যাতি নাম ডাক সেকালেও ছিল। পিতৃ মাতৃ কুলের দিক দিয়ে ভারত বিজয়ী মুঘলগন পৃথিবীর দুই মহাবীর চেঙ্গিঁস খান ও তৈমুর লং এর অধঃস্বন বংশধর। বৃটেনের বিশিষ্ট ইতিহাস বিদ ঠরহ ংবহঃ ঝসরঃয প্রাচীন ভারত বর্ষকে নৃতাত্বিক যাদু শালা অহঃযড়ষড়মরপধষ গবঁংরঁস বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ভারতীয় সিন্ধু সভ্যতা চার হাজার বছরের ও প্রাচীন। মহেনজুদারোও হরপপার আবিস্কৃত ঐতিহাসিক নির্দশন সমূহ চৌ বাচ্চা ¯œানাগার উন্নত সভ্যতা ও সংস্কৃতির নির্দশন তখন মহামান্য রানীর পূর্ব পুরুষ জল দস্যু আর টেমসের তীরে কাপর চোপর রেখে চুপকে চুপকে নয় ই হোল্লর করে অনেকেই প্রাকৃতিক কার্যাদি সম্পন্ন করতেন। আশির দশকে ভরা যৌবন কালে ভ্রমন ও গবেষনার কাজে টানা ছয় মাস গ্রেট বৃটেন ছিলাম। নিজ চোখে দেখলাম বিশ্ব বিখ্যাত মিউজিয়াম মাদাম ত্যুসা-তে একটি বৃহৎ কাচ বাক্সে কর্নেল রবার্ট লর্ড ফ্লাইবের বিশাল মুর্তি। নাম পদ পদবী প্রসঙ্গেঁ আমার কোন মন্তব্য করার কোন অধিকার নাই কিন্তু “কংকারার অব ইন্ডিয়া” লেখায় ঘৃনার সঙ্গেঁ আপত্তি জানিয়েছি। পলাশীর বেঈমানীর ফলে ইংরেজ একশত নব্বই বছর ভারত বাংলাকে লুন্ঠন করেছে। অর্থ নীতিবিদ গন একে চষঁহফবৎ ড়ভ চষবংংু পলাশীর লুন্ঠন, উৎধরহ ড়ভ ডবধষঃয সম্পদের নিঃসরন বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। বিশ্ব বানিজ্য ও অর্থনীতি সংক্রান্ত তথ্যমতে ইউরোপীয় দারিদ্র দেশ সমূহ এশিয়ান দেশ সমূহ থেকে সম্পদ লুন্ঠন করে ধনী হয়েছে বিগত তিনশত বৎসরের তাই ইতিহাস। ষোড়শ শতাব্দীতে ইংলন্ডের অর্থনীতি ছিল দুই দশমিক আট বিলিয়ন ডলার বিংশ শতাব্দীতে ১২৪ গুন বেড়ে ৩৪৭ বিলিয়ন ডলারে দাড়িয়েছে। ইংলন্ডর ২.৮ বিলিয়ন ডলার কালে ভাত বর্ষের অর্থনীতি ছিল ৬০ বিলিয়ন ডলার। ষোড়শ শতাব্দীতে সারা পৃথিবীর মোট জি,ডি,পি,র ২৪ শতাংশ ছিল ভারত বর্ষের সমগ্র ইউরোপের জি,ডি,পি যখন ১৮ শতাংশ তখন ইংলন্ডের জি,ডি,পি ছিল মাত্র এক দশমিক এক শতাংশ। সমগ্র ইউরোপের মধ্যে দূর্বল অর্থ নীতির দেশ ছিল ইংলন্ড। বিশ্ব বানিজ্য ইংলন্ডের কোন অবদান ছিল না। এলিজা বেথের ক্ষমতা গ্রহনের সময় ইংলন্ড ছিল একটি হত দরিদ্র দেশ। গত ২৩শে জুন ছিল দেশের প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী। স্বাধীনতা যুদ্দে নেতৃত্ব দানকারী দলটি বর্তমানে রাষ্ট্র ক্ষমতায়। দলীয় প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনা চতুর্থ বারের মত রাষ্ট্র ক্ষমতায়। ফলতঃ মিডিয়া ভূবন স্বাভাবিক ভাবেই আওয়ামী লীগের ইতিহাস ঐতিহ্য দেশীয় উন্নয়ন প্রত্যাশাও প্রাপ্তি নিয়ে প্রতিবেদন পত্রস্থ করবেন এটাই স্বাভাবিক। গত ২৩শে জুন ছিল পলাশী দিবস। পলাশীর যুদ্ধ, শহীদ সিরাজুদ্দৌলার সম্মান ও স্মরনে এযুগের একজন নগন্য মুক্তি যোদ্ধা হিসাবে কলাম লিখতাম। এবার অসুস্থতার কারনে পারলাম না পত্র পত্রিকা ঘাটাঘাটি করে এতদ সংক্রান্ত লেখা ও আমার নযরে পড়েনি। ২রা জুলাই রাতে প্রজা বৎসল দেশ প্রেমিক বৃটিশ বিরোধী এই বীর সৈনিক কে হত্যা করা হয়। ইতিপূর্বে প্রকাশিত এতদ সংক্রান্ত আমার একখানা গবেষনা গ্রহ্ণ সুবে বাংলার সিপাহ সালার বেঈমান মীর জাফর আলী খাঁন আর নয় পলাশী আর নয় মির জাফর প্রকাশিত হলে পঠিত, প্রশংসিত হয়েছিল, অনু প্রেরনা পেয়েছিলাম। ২রা জুলাই শহীদ মির্জা মোহাম্মদ সিরাজুদ্দৌলা হায় বৎজং বাহাদুর এর উজ্জল স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। বাংলা ও বাঙ্গালির এই জাতীয় বীরকে স্মরন ও সম্মান প্রদর্শনে দিবসটি জাতীয় ভাবে উৎযাপনের দাবী জানাচ্ছি।
[মুক্তিযোদ্ধা। ইতিহাসের প্রাক্তন কলেজ শিক্ষক। এডভোকেট হাই কোর্ট। সাবেক সভাপতি, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব]

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..