1. [email protected] : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. [email protected] : admi2017 :
  3. [email protected] : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
ব্রেকিং নিউজ :
বিনোদন :: গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই গায়কের মর্মান্তিক মৃত্যু!,  খেলার খবর : অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, বিমানবন্দরে যুবাদের জানানো হবে উষ্ণ অভ্যর্থনা,

মৌলভীবাজারে আবারো বন্যার শঙ্কায় কয়েক লক্ষাধিক মাুনষ

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ জুন, ২০২৪
  • ৬৭ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদক: মৌলভীবাজারে বন্যা পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছিল। এমন অবস্থায় উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও সংলগ্ন উজানে আবারো ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে পাউবো। শনিবার বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বন্যার মধ্যমেয়াদি পূর্বাভাস সম্পর্কিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, মৌসুমি বায়ু দেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। ফলে, দেশের অভ্যন্তরে এবং তৎসংলগ্ন পদ্মা-মেঘনা-যমুনা অববাহিকার উজানের কতিপয় স্থানে বিভিন্ন সময়ে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে মাঝারি থেকে ভারী এবং সময় বিশেষে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রধান নদ-নদীগুলোর ২৮জুন ৭ জুলাই পর্যন্ত আগামী ১০ দিনের নদী-অববাহিকা ও অঞ্চলভিত্তিক বন্যা পরিস্থিতির সম্ভাব্য অবস্থা নিয়ে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার ও শনিবারে বৃষ্টিপাত হলেও মৌলভীবাজারে নদ নদীর পানি কমা অব্যাহত রয়েছে। মৌলভীবাজারের ৭উপজেলার ৪৯টি ইউনিয়নের মধ্যে সদর,রাজনগর,কমলগঞ্জ,শ্রীমঙ্গলে প্রায় সবকটি ইউনিয়নের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে কুলাউড়া,জুড়ি,বড়লেখায় ১৫টি ইউনিয়ন এবং দুটি পৌরসভায় বন্যা রয়েছে।
এ ‍বিষয়ে মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: জাবেদ ইকবাল বলেন, ‘আগামী দুদিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এতে মৌলভীবাজারের নদ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। তবে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও আগের মতো ততটা ভয়াবহ হবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন-ভারতীয় অংশে মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে যৌথ নদীগুলো দিয়ে সেই পানি মাসখানেক ধরে অব্যাহতভাবে বাংলাদেশে ঢুকছে। হাওরাঞ্চলে আগে থেকেই বন্যা সৃষ্টি হওয়ায় পুরোনো পানি স্থিতিশীল অবস্থায় ছিল। আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় বন্যা দীর্ঘমেয়াদি রূপ নিয়েছে। ‘কুশিয়ারা মনু ধলাই ও জুড়ী নদী খননের পরিকল্পনা আছে আমাদের। খনন করে ধারণক্ষমতা বাড়ালে সমস্যা কম হবে। বাঁধের কারণে সামান্য কিছু প্রভাব পড়তে পারে।

 

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..