1. [email protected] : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. [email protected] : admi2017 :
  3. [email protected] : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০২:১৮ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
বিনোদন :: গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই গায়কের মর্মান্তিক মৃত্যু!,  খেলার খবর : অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, বিমানবন্দরে যুবাদের জানানো হবে উষ্ণ অভ্যর্থনা,

মাত্র ৫ মিনিটের যোগাসনে কমবে উচ্চ রক্তচাপ

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১
  • ২৬৭ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক: উচ্চ রক্তচাপ রোগ এক ধরনের নীরব ঘাতক। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ চারটি অঙ্গে মারাত্মক ধরনের জটিলতা হতে পারে। যেমন—হৃৎপিণ্ড, কিডনি, মস্তিষ্ক ও চোখ। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ থেকে হৃদ্যন্ত্রের মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ কমাতে অনেকেই নানা ওষুখ খান। সেই ওষুধ যে একবার খেয়ে মুক্তি পাওয়া যায়, তাও নয়। বছরের পর বছর খেয়েই যেতে হয় সেই ওষুধ। কিন্তু ওষুধ ছা়ড়াও এ থেকে মুক্তি সম্ভব। এমনই বলছে হালের গবেষণা।

সম্প্রতি কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা উচ্চ রক্তচাপের উপর শ্বাসের ব্যায়াম বা ‘ব্রিদিং এক্সারসাইজ’-এর প্রভাব নিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছেন। তারা দেখেন, প্রতিদিন ৫ মিনিট করে এই ব্যায়াম করলে উচ্চ রক্তচাপ ক্রমশ কমতে থাকে। টানা ৬ সপ্তাহ এই ভাবে শ্বাসের ব্যায়াম করে গেলে উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা ৯ পয়েন্ট পর্যন্ত কমেছে— এমনই দেখা গিয়েছে।

গবেষকদলের প্রধান ড্যানিয়েল ক্রেগহেড সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, যারা এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন, তারা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খাননি। কিন্তু তার পরেও প্রতিদিন ৫ মিনিট করে শ্বাসের ব্যায়াম ধীরে ধীরে তাদের রক্তচাপ কমিয়ে দিয়েছে।একবার তো না হয় কমে গেল, কিন্তু শ্বাসের ব্যায়াম বন্ধ করে দেওয়ার পরেও কি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে? ড্যানিয়েল ক্রেগহেড ও তার দলের এই গবেষণাপত্রটি ছাপা হয়েছে ‘জার্নাল অব দ্য আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন’-এ। সেখানে বলা হয়েছে, টানা ৬ সপ্তাহ এ ভাবে শ্বাসের ব্যায়াম চালানোর পর রক্তচাপের মাত্রা কমে যায়। তার পরে কেউ যদি ব্যায়াম বন্ধ করে দেন, তা হলে আগামী ৬ সপ্তাহ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই থাকে। তার পরে আবার ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। ভবিষ্যতে এই ব্যায়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা নেবে বলে আশা গবেষকদের।

সোজা হয়ে পদ্মাসনে বসুন। এবার মুখ বন্ধ রেখে নাক দিয়ে বড় করে শ্বাস নিন। নাক দিয়ে নেওয়া প্রশ্বাস বাতাসকে গরম ও আদ্র করে তোলে। এবার কিছুক্ষণ শরীরের ভিতরে নেওয়া বাতাস ধরে রাখুন। তারপর ধীরে ধীরে নাক দিয়ে বা মুখ দিয়ে (ফুঁ দেওয়ার মতো করে) খুব ধীরে পুরো শ্বাস ছেড়ে দিতে হবে। শ্বাস ছাড়ার সময়ে মুখ দিয়ে হুমমমমম আওয়াজ করলে আরও ভালো ফল মেলে। দিনে অন্তত ৫-১০ মিনিট এভাবে বড় বড় করে শ্বাস-প্রশ্বাস নিন।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..