1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
বাস ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি,  এবার লঞ্চভাড়াও বাড়লো, ধর্মঘট প্রত্যাহার, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মিশনে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান, আফগান ও ভারতের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে সেমিতে নিউজিল্যান্ড, সড়কে নেমেছে গণপরিবহন, কোন বাসে কত বাড়লো ভাড়া, সিএনজিচালিত গাড়িতে বাড়তি ভাড়া নয়

নিষেধাজ্ঞার দ্বিতীয় দিনেও প্রায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০৮ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট :: সাত দিনের নিষেধাজ্ঞার দ্বিতীয় দিনে রাজধানীতে জীবনযাত্রা অনেকটাই স্বাভাবিক দেখা গেছে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় সাত দিনের শর্ত সাপেক্ষে সার্বিক কার্যাবলি/চলাচলে নিষেধাজ্ঞার দ্বিতীয় দিনে রাজধানীতে জীবনযাত্রা আরও স্বাভাবিক হয়ে গেছে। বিধিনিষেধ থাকলেও তা মানতে দেখা যায়নি অনেককেই।

আজ মঙ্গলবার (০৬ এপ্রিল) বেলা যত বেড়েছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজধানীর সড়কে বেড়েছে মানুষের সংখ্যা। বিধিনিষেধে গণপরিবহন বন্ধের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকায় এদিনও দেখা যায়নি বাস চলতে। তবে অন্য সব গাড়ি চলতে দেখা গেছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, উন্মুক্ত স্থানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও কাঁচাবাজার ছাড়া বন্ধ থাকার কথা সব দোকানপাট ও বিপণিবিতান। এরপরও অনেক স্থানে দেখা গেছে দোকান খুলতে। অলিগলির ভেতরের প্রায় সব দোকানই খোলা চোখে পড়ে।

রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দেখা গেছে। তবে নিয়ম মানায় বাধ্য করতে তাদের তেমন তৎপরতা দেখা যায়নি।

নিষেধাজ্ঞায় সরকারি নির্দেশনা কেমন মানা হচ্ছে, তা দেখতে এই প্রতিবেদক সকাল ১০টায় মৌচাক থেকে রিকশা নিয়ে রাজধানীর মগবাজার, বেইলি রোড, শান্তিনগর, মালিবাগ, বাংলামোটর ও কাকরাইল এলাকায় প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করেন। এসব এলাকায় শুধু বাস বন্ধ দেখা গেছে। অন্য সব যান স্বাভাবিক নিয়মেই চলেছে।

অফিসগামী অনেককে দেখা গেছে রিকশা ও মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে।

সকালে রাজধানীর সড়কে মাঝে মাঝে দুই-একটি বাস চলতে দেখা গেছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা।

অনেককেই স্বাস্থ্যবিধি না মেনে রাস্তায় বের হতে দেখা গেছে। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কোনো বালাই ছিল না রাস্তায়।

বেচাকেনা
বিভিন্ন গলিতে সবজি, মাছ ও মুরগি বিক্রেতারা অন্য দিনের মতোই বেচাবিক্রি করছেন। মালিবাগ এলাকার সবজি বিক্রেতা হাসেম আলী বলেন, ‘প্রথমে রাস্তায় ভ্যান নিয়ে ছিলাম। পরে পুলিশ দেইখ্যা গলির ভেতরে ঢুইকা গেছি।’

সিদ্ধেশ্বরী এলাকার গলিতে সুমন হোসেন নামে এক মুদি দোকানি জানান, লকডাউন তাদের জন্য নয়। তারা নিয়ম মেনেই ব্যবসা করছেন।

রাজধানীর অনেক প্রধান সড়ক সংলগ্ন এলাকায় দোকানপাট খোলা রেখেছেন অনেকেই। মিষ্টির দোকান, ইলেকট্রনিকস পণ্যের দোকান ছাড়াও খোলা ছিল সুপার শপ।

খাবার অনেক দোকান খোলা রয়েছে দ্বিতীয় দিনেও। দোকানের শাটার নামানো থাকলেও ভেতরে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে।

দুর্ভোগ নিয়ে অফিসযাত্রা
অফিসগামী অনেককেই সকালে বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অনেক অফিসে পরিবহনব্যবস্থা না থাকায় রিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশা হয়ে উঠেছে ভরসা।

অনেক অফিসগামী লোক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। মাসুম হাসান নামে এক কর্মজীবী জানান, অফিস কোনো গাড়ির ব্যবস্থা করেনি; জানিয়ে দিয়েছে রাস্তায় বাস ছাড়া সব পরিবহন আছে, তাই অফিসে যেতেই হবে।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..