1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
* বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী   *  বন্যা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, সরকার সব ব্যবস্থা নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

জরিমানা করেও মানানো যাচ্ছে না লকডাউন

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৫৫ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার :: করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী লকডাউনের তৃতীয় দিন বুধবার (৭ এপ্রিল) মৌলভীবাজারে পালিত হচ্ছে ঢিলেঢালাভাবে। জনসাধারণকে জরিমানা করেও মানানো যাচ্ছে না লকডাউন।

স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে লকডাউনের গত দুইদিনে শহরে জরিমানা করা হয়েছে ৭০ হাজার ১০০ টাকা। গত সোমবার (৫ এপ্রিল) প্রথম দিনের লকডাউনে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৭০ জনকে মোট ৩১ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়। লকডাউনের দ্বিতীয় দিন গতকাল মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) অর্ধশতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ৩৮ হাজার ৪০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে জেলা প্রশাসন।

প্রশাসনের চেষ্টা থাকার পরও লকডাউনের তৃতীয় দিনেও জনসাধারণের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো প্রবণতা দেখা যায়নি।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, আগের তুলনায় শহরে অন্তত ২০ শতাংশ ব্যস্ততা কম। বাকি ৮০ শতাংশ চিত্র অনেকটা আগের মতোই আছে। কাঁচাবাজার ও সড়কে জনসমাগম বেশ লক্ষণীয়। এছাড়া মানুষের মুখে নেই মাস্ক। আবার থাকলেও অনেকেরই দেখা যায় থুতনিতে কিংবা পকেটে মাস্ক রাখা। কারও কাছে আছে ৪/৫ দিনের পুরোনো মাস্ক। চলাচল করছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, টমটম ও প্রাইভেট যানবাহন। গাদাগাদি করেই সেগুলোতে বসছেন মানুষ।

শহরের পশ্চিম বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘নামমাত্র এই লকডাউনের কোনো মানে নেই। এটা শুধু সরকারের নিষেধাজ্ঞা পালন হচ্ছে। আমরা একটি শাটার খুলে বসে আছি। হঠাৎ কখন পুলিশ এসে জরিমানা করে দেয় চিন্তায় আছি। শাটার খুলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি। পুলিশ আসার সঙ্গে সঙ্গে দোকান বন্ধ করে দেব।’

সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক মুমিন বলেন, ‘লকডাউনে গাড়ি বন্ধ রাখতে সমস্যা নেই। কিন্তু দেখছি কেউ মানছে ন। হঠাৎ পুলিশ আসে, আবার চলে যায়।’

আরেক অটোরিকশাচালক আশিক মিয়া বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। গাড়ি না চালালে কিস্তি দেব কী আর খাবো কী?’

ব্যবসায়ী কায়ছার আহমদ বলেন, ‘আসন্ন পবিত্র রমজান মাস ব্যবসার মৌসুম। এ সময়ে দোকানপাট বন্ধ থাকলে না খেয়েই মরতে হবে।’

আরেক ব্যবসায়ী সামিউল ইসলাম বলেন, ‘গতবছরের লকডাউনে অনেকের ব্যবসা বসে বসে গেছে। অনেক বিপন্ন ব্যবসায়ী রাস্তায় নেমে গেছেন।’

মৌলভীবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান জানান, লকডাউন কার্যকর রাখতে এবং করোনার সংক্রমণরোধে সাধারণ জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে পুলিশ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করছে।

এ ব্যাপারে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক পরিধান এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মৌলভীবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

করোনা সংক্রমণের শীর্ষে থাকা মৌলভীবাজারে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জেলায় আরও ১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ হাজার ৮৯ জনে। আর নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২৮ শতাংশ।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..