1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৩০ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
বাস ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি,  এবার লঞ্চভাড়াও বাড়লো, ধর্মঘট প্রত্যাহার, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মিশনে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান, আফগান ও ভারতের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে সেমিতে নিউজিল্যান্ড, সড়কে নেমেছে গণপরিবহন, কোন বাসে কত বাড়লো ভাড়া, সিএনজিচালিত গাড়িতে বাড়তি ভাড়া নয়

বুঝেশুনে ঝগড়া করুন

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৭ বার পঠিত

লাইফস্টাইল ডেস্ক : যে কোনো সুস্থ প্রেমের সম্পর্কের অন্যতম অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো ঝগড়াঝাঁটি। যতই ঝগড়াকে প্রেমের পথে অন্তরায় হিসেবে দেখানো হোক না কেন, আসলে ঝগড়া কিন্তু প্রেমের বাঁধনকেই মজবুত করে। নিজেদের ইচ্ছে-অনিচ্ছেগুলো পরস্পরকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়ার একটা উপায় হলো ঝগড়া। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সারাক্ষণ ঝগড়াই করে যাবেন! সারাদিন ধরে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে খিটিমিটি লেগেই থাকলে কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সম্পর্কটাই। ঝগড়া করতে হবে স্মার্টলি! মানে ঝগড়ার বিষয়বস্তু বাছাই করতে হবে এমনভাবে যাতে আপনাকে ঘ্যানঘেনে, বিরক্তিকর না মনে হয়! অর্থাৎ বুঝেশুনে ঝগড়া করতে হবে-

ঝগড়া করুন বুঝেশুনে
আগেই যেটা বললাম, ঝগড়া করার সময়ও আপনাকে স্মার্ট হতে হবে। অর্থাৎ ঝগড়া করার মতো বিষয় নিয়েই ঝগড়া করতে হবে। প্রতিটি ছোটখাটো সমস্যাকে গুরুতর ইস্যু বানিয়ে তুললে আপনাদেরই ক্ষতি। যদি এমন কোনও বিষয় থেকে থাকে যা নিয়ে আপনার স্বামী কোনও মতেই আপোস করতে রাজি নন এবং তা থেকে বড়ো ঝামেলা বেধে যেতে পারে, তা হলে ব্যাপারটা নিয়ে খোঁচাখুঁচি না করাই ভালো। পারিবারিক শান্তি বজায় রাখুন, আর ওই বিষয়টা নিয়ে অন্যভাবে ডিল করার চেষ্টা করুন।

মাথা ঠান্ডা করতে শিখুন
ঝগড়ার মাত্রা যদি কোনও কারণে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তা হলে আপনি আর আপনার পার্টনার, দু’জনেরই খানিকক্ষণ সময় নিয়ে মাথা ঠান্ডা করা দরকার। পার্টনারকে বলুন আপনারা এ বিষয়ে পরে কথা বলবেন। প্রয়োজন হলে অন্য ঘরে চলে যান, একা একা থাকুন যতক্ষণ না মেজাজ শান্ত হচ্ছে। পরে ঠান্ডা মাথায় কথা বলে নিন।

ইগো সরিয়ে রাখুন
যাঁর সঙ্গে ঝগড়া হচ্ছে (এ ক্ষেত্রে আপনার পার্টনারের) তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিটিও বুঝতে শিখুন। নিজের ভুল থাকলে স্বীকার করে নিন। ভুল স্বীকার করলে আপনি ছোট হয়ে যাবেন না। রাগ পুষে রাখলে বা আপোস করার মনোভাব না থাকলে সম্পর্কে বড়োসড়ো চিড় ধরে যেতে পারে যা হয়তো পরে আর সামলানো সম্ভব হবে না।

বন্ধুদের সাহায্য নিন
সম্পর্কে কোনও সমস্যা দেখা দিলে সচরাচর আমরা শুরুর দিকে তা লুকিয়ে রাখারই চেষ্টা করি। কিন্তু সমাধান না পেলে সমস্যা ধীরে ধীরে জটিল হতে শুরু করে। যদি মনে করেন আপনাদের মধ্যের ঝামেলাটা ধীরে ধীরে সিরিয়াস দিকে গড়াচ্ছে, তা হলে সময় থাকতেই পরিবারের অন্য মানুষজন, বন্ধুদের তা জানান, তাঁদের সাহায্য নিন। ওঁদের পরামর্শে আপনি হয়তো সম্পর্কটা ভালো করার নতুন দিশা খুঁজে পাবেন!

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..