1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
* বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী   *  বন্যা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, সরকার সব ব্যবস্থা নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

ব্যবসায়ীরা ২১এপ্রিল থেকেই দোকান খুলতে চান

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৮৯ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক: করোনা সংক্রমণ রোধে আগামীকাল বুধবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে সরকার। তবে তা ২০ এপ্রিলের পর আর মানতে চান না বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সমিতি বলছে, গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ২১ এপ্রিলের পর ব্যবসায়ীরা দোকান ও মার্কেট খোলার জন্য সবাই সম্মত হয়েছেন।মঙ্গলবার মগবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।২০ এপ্রিলের পর লকডাউন আর না বাড়ানোর দাবি জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, লকডাউনকালে দৈনিক ক্ষুদ্র দোকানদারদের ক্ষতি ১ হাজার কোটি টাকা। তাই ২১ এপ্রিল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট ও মার্কেট খুলে দেয়ার দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনের পর এ বিষয়ে জানতে চাইলে সমিতির সভাপতি ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন চ্যানেল বলেন, সারা দেশের ব্যবসায়ীদের একটাই দাবি তারা ২১ এপ্রিল থেকে কোনোভাবেই লকডাউন মানতে পারবে না। সবাই দোকান খোলার জন্য একমত হয়েছেন। কারণ গত বছরের লকডাউনে দোকানপাট বন্ধ থাকায় যে ক্ষতি হয়েছে তা এখনো পুষিয়ে উঠতে পারেনি ব্যবসায়ীরা।

তিনি বলেন, সরকারের দেয়া বর্তমান বিধিনিষেধ অবশ্যই মানবে ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এই বিধিনিষেধের সময়সীমা কোনোভাবেই দীর্ঘ মেয়াদে করা যাবে না। করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার যেমন কঠোর হবে তেমনি জনকল্যাণের কথাও ভাবতে হবে। ব্যবসায়ীদের টিকে থাকার ব্যবস্থাও করতে হবে।হেলাল উদ্দিন বলেন, সরকার ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য প্রণোদনা ঋণ ঘোষণা করেছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় ছোট ব্যবসায়ীরা এই ঋণ পাচ্ছেন না। কারণ ব্যাংক গ্রাহকের সাথে সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণ দিচ্ছে। এতে বড় ব্যবসায়ীরা ঋণ পেলেও বঞ্চিত হচ্ছেন ছোটরা।

“আমি মনেকরি বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত ছোট ব্যবসায়ীদের ঋণ বিতরণে ব্যাংকগুলোকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া।এর আগে সীমিত পরিসরে মার্কেট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার দাবিতে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকাসহ কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভ করেন দোকান মালিক ও কর্মচারীরা। সেসময় ঈদ সামনে রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলার অনুমতির দাবি জানান তারা।

দোকান মালিকরা বলেন, যদি বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলার অনুমতি দেয়া হয় তাহলেও তারা কিছুটা বেচাকেনা করতে পারবেন। তারা চান, এই ঈদের সিজনে দোকান খুলুক, বেচাকেনা হোক। তারপর তারা বাসায় থাকলেও কোনো সমস্যা হবে না।দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে খুব আশঙ্কাজনকহারে। সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে বুধবার থেকে দ্বিতীয় দফায় সারাদেশে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া, সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে ব্যাংকিং সেবাও। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে শিল্প কলকারখানা। ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে এই লকডাউন।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..