1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৪২ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
জাতীয় : গবেষণায় সময় দিতে চিকিৎসকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান , স্বাস্থ্য: সংক্রমণ মোকাবিলায় আমাদের দায়িত্বশীল হতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনায় নতুন করে দরিদ্র হয়েছে দেড় কোটি মানুষ: গবেষণা

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৩৭ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক: করোনা প্রাদুর্ভাবের পর থেকে দেশের প্রত্যেকটি খাত চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান করোনার ধাক্কা সামাল দিতে না পেরে এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। আবার অনেক প্রতিষ্ঠান টিকে থাকতে শ্রমিক ছাঁটাইসহ নানামুখী কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মহামারির এ সময়ে দেশে নতুন করে আরও দেড় কোটি মানুষ দরিদ্র হয়েছে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) যৌথ গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। শনিবার (১৭ এপ্রিল) আয়োজিত ওয়েবিনারে সিপিডির গবেষণা বিষয়ক পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম এসব তথ্য উপস্থাপন করেন।

ওয়েবিনারটি পরিচালনা করেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সিপিডির বোর্ড অব ট্রাস্টির ট্রেজারার সৈয়দ মনজুর এলাহী। এ সময় যুক্ত ছিলেন সংসদ সদস্য ও শ্রমিক নেত্রী শিরীন আকতার, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আবদুস সালাম, বিআইএলএসের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান, জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মো. আমিরুল হক আমিন প্রমুখ।

গবেষণাপত্রে খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, করোনা দুর্যোগের সময় ৩ শতাংশ শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন। শহর অঞ্চলে ইনফরমাল ইকোনোমি থেকে ৬.৭৮ শতাংশ মানুষ কর্মসংস্থান হারিয়েছে। এছাড়া উচ্চ পর্যায়ে ১ কোটি ১১ লাখ থেকে ২ কোটি ৫ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাকরি হারিয়েছেন এসএমই ও ইনফরমাল সেক্টর থেকে।

অন্যদিকে নারী উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে রয়েছেন। এশিয়া ফাউন্ডেশনের তথ্য অনযায়ী, ৫০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, দেশে দারিদ্র্য ক্রমশ বাড়ছে। যেখানে শ্রমনির্ভর দারিদ্র্য বেশি। এ হার ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৩ শতাংশ হয়েছে। অতিমারির প্রভাবে এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ।সিপিডি বলছে, কম আয়ের শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি আর্থিক জটিলতায় পড়েছেন। বিলসের দেওয়া তথ্য মতে, ৪৭ শতাংশ বস্তিবাসী ও ৩২ শতাংশ শহরের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় বসবাসকারী খাদ্য খরচ কমাতে বাধ্য হয়েছেন।

বিশ্ব ব্যাংকের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের আয় কমেছে ৩৭ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকায় ৪২ শতাংশ এবং চট্টগ্রামে ৩৩ শতাংশ। বেতননির্ভর মানুষের আয় কমেছে ৪৯ শতাংশ।

গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, করোনার কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে দেশীয় শিল্প, নির্মাণ, পরিবহন, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের ব্যবসা, খাদ্য ও ব্যক্তিগত সেবা। মধ্যম পর্যায়ে ঝুঁকিতে রয়েছে, আর্থিক খাত, অভ্যন্তরীণ পরিষেবা, আবাসন ও শিক্ষা খাত। এছাড়া কম ঝুঁকিতে রয়েছে কৃষি, স্বাস্থ্য, তথ্য ও যোগাযোগ খাত। ফলে শহর অঞ্চলের ৬৯ শতাংশ কর্মজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। ওয়েবিনারে সংসদ সদস্য ও শ্রমিক নেত্রী শিরীন আকতার বলেন, করোনা পরবর্তী সময়ে শ্রমবাজার পুনরুদ্ধারে আমাদের কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে সামাজিক সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন দেশ করোনা নিয়ন্ত্রণ করে কীভাবে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করছে তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দেড় কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। দিনমজুর শ্রেণির শ্রমিকরা কীভাবে সামনের দিন পার করবেন তা এখন ভাবনার বিষয়।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আবদুস সালাম বলেন, বর্তমানে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছি আমরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাকালীন সময়ে অত্যন্ত সফলভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি আমাদের ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টিম কাজ করছে। এরই মধ্যে ২৩টি টিম ১৮৬টি কারখানা পরিদর্শন করেছে। সরকার ঘোষিত ২৩টি প্যাকেজের মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে শ্রমিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্টরা। এ থেকে বোঝা যায় শ্রমিকদের কত বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..