1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
বাস ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি,  এবার লঞ্চভাড়াও বাড়লো, ধর্মঘট প্রত্যাহার, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মিশনে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান, আফগান ও ভারতের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে সেমিতে নিউজিল্যান্ড, সড়কে নেমেছে গণপরিবহন, কোন বাসে কত বাড়লো ভাড়া, সিএনজিচালিত গাড়িতে বাড়তি ভাড়া নয়

করোনা টেস্টে আসলেই ভোগান্তি! সিভিল সার্জন খতিয়ে দেখার আশারবানীতেই সমাপ্তি

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭৩ বার পঠিত

সাইফুল ইসলাম সুমন: জুড়ীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা টেস্টে আসলেই ভোগান্তির শিকার হতে হয় ভোক্তভোগীদের। এমন ঘটনা হরহামেশাই ঘটছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। করোনার দীর্ঘ সময়েও এখনও কাটেনি পরিক্ষার জটিলতা, অব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়হীনতা। নমুনা দেয়া থেকে শুরু করে পরিক্ষার ফলাফল পাওয়া পর্যন্ত দীর্ঘসূত্রিতা। অনেক কাঠখর পুড়িয়ে যারা নমুনা দিতে পারছেন ফলাফলের জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘ সময়। চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় রয়েছে চরম অব্যবস্থাপনা। রোগীদের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। টেস্ট বিড়ম্বনার পাশাপাশি দক্ষ টেকনোলজিস্ট ও পারস্পারিক সমন্বয়হীনতার যথেস্ট অভাব রয়েছে। তাছাড়া টেস্টে আসা রোগীদের সাথে টেকনোলজিস্টের অশোভ আচরন দিন-দিন বেড়েই চলছে। রবিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১ টায় করোনা টেস্টের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান রোকেয়া বেগম নামের এক পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (এফডবিøউএ)। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় ২২৫ নং কক্ষে করোনা টেস্ট করাতে গেলে তাঁর সাথে অশোভন আচরন করেন ওই কক্ষে থাকা টেকনিশিয়ান আব্দুর রহমান। ওই টেকনিশিয়ান তখন করোনা টেস্টের নমুনা না নিয়ে ফিরিয়ে দেন রোকেয়া বেগমকে এবং সাথে সাথে ওই কক্ষটি তালাবদ্ধ করে তিনি অন্যত্র চলে যান। তৎক্ষনাত বিষয়টি অবগত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডাঃ সমরজিৎ সিংহ মোবাইলে টেকনিশিয়ান আব্দুর রহমানকে অনুরোধ করলেও তিনি নিজ ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তা অগ্রাহ্য করেন। তখন রোকেয়া বেগম বিষয়টির বিবরন উল্লেখ করে টিএইচও বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এক প্রতিক্রিয়ায় রোকেয়া বেগম বলেন, আমি একজন স্বাস্থ্যকর্মী হওয়া সত্বেও আমার সাথে যে ধরণের অশোভন আচরন করা হলো তাহলে সাধারণ রোগীদের সাথে ওই টেকনিশিয়ান কিরূপ আচরণ করে তা সহজেই বুঝা যায়। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনিশিয়ান আব্দুর রহমান গণমাধ্যমকর্মীদের সাথেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডাঃ সমরজিৎ সিংহ বলেন, বিষয়টির লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন চৌধুরী জালাল উদ্দিন মোর্শেদ বলেন, এ বিষয়টি খতিয়ে দেখে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো এই আশারবানীতেই শেষ ব্যবস্থা গ্রহন।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..