1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫১ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
আপডেট : ভুল তথ্য বা ভিডিও আপলোড, র‌্যাবের কঠোর বার্তা

অক্সিজেন কিনতে কামিন্স দিচ্ছেন ৫০ হাজার ডলার

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪৩ বার পঠিত

ক্রীড়া ডেস্ক :: বর্তমানে ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মৃত্যুর মিছিল চলছে। এর মাঝেই দিল্লিতে অক্সিজেনের স্বল্পতা ভোগাচ্ছে হাসপাতালগুলোকে। যে কারণে এক হাসপাতালের আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) ২৫ রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এরই মধ্যে অবশ্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দিল্লিতে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ঠিক সে সময় সাহায্যের হাত বাড়ালেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের পেসার প্যাট কামিন্স। ভারতের হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ৫০ হাজার ডলার (প্রায় ৪২ লাখ টাকা) দান করেছেন অস্ট্রেলিয়ান ফাস্ট বোলার।

গত বছর মার্চে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে যখন প্রথমবার লকডাউন ঘোষণা করা হয়, তখন ভারতে গঠন করা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিল। এই প্রথম আইপিএলে খেলা কোনো ক্রিকেটার আনুষ্ঠানিকভাবে এই তহবিলে অর্থ দিলেন।

করোনা সংক্রমণ বাড়ার সময় আইপিএল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ব্যাপারে টুইটারে কামিন্স বলেছেন, ‘করোনা সংক্রমণের এত উচ্চ হারের মধ্যেও আইপিএল চালু রাখা ঠিক হচ্ছে কি না, এ নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। আমাকে বলা হয়েছে ভারত সরকার মনে করছে আইপিএল চলার ফলে মানুষ লকডাউনের মধ্যেও কয়েক ঘণ্টার জন্য আনন্দ খুঁজে পাচ্ছেন। দেশের এই কঠিন সময়ে প্রতিদিন কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন সবাই।’

কামিন্স মূলত নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই মানুষের পাশে থাকার জন্য এগিয়ে এসেছেন, ‘খেলোয়াড় হিসেবে কোটি মানুষের কাছে বার্তা পাঠানোর সুবিধা পাচ্ছি আমরা, সেটাকে ভালো কাজে ব্যবহার করতে পারি। এটা মাথায় রেখেই প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে আমি একটু অবদান রেখেছি, যাতে বিশেষ করে ভারতীয় হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন সরঞ্জাম কেনা যায়।’

কঠিন এ সময়ে ক্রিকেটারদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন কামিন্স, ‘আইপিএলের অন্য খেলোয়াড় এবং বিশ্বজুড়ে ভারতের আবেগ ও উদারতা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন এমন ব্যক্তিদের উৎসাহ দেব অবদান রাখার জন্য। আমি এটা ৫০ হাজার ডলার দিয়ে শুরু করছি। এমন সময়ে অসহায়বোধ করাটা সহজ। গত কয়েক দিনে আমারও এমন মনে হয়েছে। কিন্তু আশা করি এভাবে প্রকাশ্যে আবেদন জানিয়ে আমাদের মনের আবেগটা কাজে পরিণত করব, সেটা অনেক মানুষের জীবনে আলো এনে দেবে। আমি জানি, এই অনুদান খুব বড় কিছু না, কিন্তু আশা করি এটা অন্তত কয়েকজনের জীবনে পার্থক্য গড়ে দেবে।’

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..