1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
মৌলভীবাজারের ৫টি রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ থাকায় এখন ভুতুরে বাড়ি: যাত্রী দুর্ভোগ চরমে: চুরি ও নষ্ট হচ্ছে রেলওয়ের মুল্যবান সম্পদ,নতুন বছরে দৃঢ় হোক সম্প্রীতির বন্ধন, দূর হোক সংকট: প্রধানমন্ত্রী. আজ রোববার উদযাপন হবে বই উৎসব. দুর্গম এলাকায় বিকল্প ব্যবস্থায় নতুন বই পাঠানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী, নতুন বছরে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী, নতুন আশা নিয়ে মধ্যরাতে বরণ করা হবে ২০২৩ সাল, সিডনিতে আতশবাজির মধ্য দিয়ে ‘নিউ ইয়ার’ বরণ, ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে পুলিশের কড়াকড়ি,আবারও প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক হলেন শ্যামল ,নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

সাহিত্যের পাঠশালা গ্রুপের এ সপ্তাহের প্রথম স্থান পাওয়া গল্প “নিয়তি” — নিপানুর বিনতে নুরনবী

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৮৫ বার পঠিত

প্রতিদিনের মতো আজও রেনুর মা রেনুকে সুন্দর করে সাজিয়ে বসিয়ে রেখেছে। রেনুর এই বিষয় টা খুবই বিরক্ত লাগে তবুও তাকে সব মানিয়ে নিতে হয়।
রেনু কে আজ পাত্রপক্ষ দেখবে আসবে তাই তার মা তাকে এত সুন্দর করে সাজিয়ে রেখেছে।
পাত্রপক্ষ ইতিপূর্বে চলে এসেছে। রেনু চা নাস্তা নিয়ে বর পক্ষের সামনে যায়। সবাই রেনু কে দেখে অবাক হয় যায়। রেনু মাথা নত করে তাদের নাস্তা পরিবেশন করছে। সিহাব(পাত্র)’র মা রেনু কে বলল মা তুমি এই সাধারণ সাজে এসেছো কেন?
রেনু তার মায়ের সাজে খুব বিরক্ত বোধ করছিল। তাই পাত্র পক্ষের সামনে আসার সময় একেবারে সাধারণ একটা প্রি পিস পড়ে সাধারণ ভাবে এসেছে।
অন্য দিন হলে রেনু সিহাব’র মায়ের কোনো প্রশ্নের উত্তর করত না। কিন্তু! কিন্তু আজ রেনু যেন সব ভয় আর লজ্জা ফেলে কথা বলে উঠল। বলল আন্টি!আপনারা যদি আমায় আপনাদের ছেলের বউ করেন। তাহলে কিন্তু আমায় রাজরানি করে রাখবেন না। যদি রাজরানি করে নাই রাখেন। তাহলে আপনাদের সামনে রানী সেজে আসতে হবে কেন? বিয়ের পরে তো আমায় এই সাধারণ সাজেই সব সময় থাকতে হবে। এই সাজেই আমাকে বাড়ির সবার জন্য খাবার তৈরি করতে হবে। তখন কিন্তু কেউ আমায় বলবে না। রেনু যাও ঘরে যাও। কাজ করতে হবে না। সেজে গুজে বসে থাকো। যদি তাই না বলেন তাহলে কেন এখন আমায় এত সাজ সাজতে হবে? এই বলে রেনু থেমে গেলো। রেনুর কথা শুনে সবাই অবাক হলো। যে মেয়ে কখনো একটা’র বেশি কথা বলে না। সে আজ এত কথা কিভাবে বলল। রেনুর কথা গুলো শুনে সিহাব’র বাবা মা তৎক্ষনাৎ বিয়ের জন্য দিন তারিখ ঠিক করলেন।
আজ রেনু আর সিহাবের বিয়ে সম্পূর্ণ হলো। রেনুর জন্য আজ রাত টা অনেক আনন্দের আর স্বপ্নের। বিয়ে ঠিক হওয়ার পর থেকে রেনু এই রাতের জন্যই অপেক্ষা করেছে। কখন সিহাব কে আপন করে নিবে৷ সিহাব কে প্রথম দেখাতেই ভালবেসে ফেলেছে সে কথা কখন বলবে। আজ সেই কথা গুলো বলার সময় হয়েছে। রেনুর মনে আজ অনেক স্বপ্ন। তার চোখে মুখে যেন পূর্ণিমার আলো ঝরছে। মনে অনেক স্বপ্ন নিয়ে বসে আছে রেনু। কিন্তু সিহাব! সিহাব তো ঘরে এসেই সেই যে বসে পড়েছে উল্টো দিক হয়ে এখনো ঘুরেই তাকাচ্ছে না। চোখের সামনে ফোন টা ধরে নিশ্চুপ হয়ে বসে আছে। রেনু বিছানা থেকে উঠে এক-পা দু-পা করে সিহাবের কাছে যায়। যেয়েই আঁতকে ওঠে। সিহাবের চোখে অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ছে। সেই বৃষ্টির পানি গুলো সব ফোনের স্কিনের উপর জমা হয়েছে। রেনুর চোখ সিহাবের ফোনের স্কিনের উপর পরে। সিহাব ভিডিও কলে কারো সাথে কথা বলছে। রেনুর আর বুঝতে বাকি রইলো না। কার সাথে সিহাব কথা বলছে। রেনু একটু শব্দ করে ওঠে। রেনুর শব্দ পেয়ে সিহাব কল কেটে দেয় আর চোখের জল সাবধানে মিছে ফেলে। রেনু সিহাব কে উদ্দেশ্য করে বলে, এভাবে কাপুরুষের মতো কাঁদছেন কেনো? কাউ কে ভালবাসেন ভালো কথা। কিন্তু সেটা পরিবার পরিজনদের না জানিয়ে এভাবে কাঁদলে কি তার সমাধান পাবেন? রেনুর কথা শুনে সিহাব কিছুই বলছে না। রেনু আবার কথা বলা শুরু করল। বলল,আচ্ছা! আপনি যে এই মেয়ে কে ভালবাসেন সেটা আপনার পরিবার জানে? তাদের কখনো জানিয়েছেন?
সিহাব এই মাঝে বলে ওঠে_ না। তাদের আমি জানাইনি।
-জানাননি? তাহলে কাঁদছেন কেনো? আপনি তো আপনার ভালবাসার কথা পরিবার কে বলতেই পারেন নি।
-অনেক বার চেষ্টা করেছি। কিন্তু বলে উঠতে পারি নাই।
-কেন? বলে উঠতে পারেন নাই?
-সান্তার পরিবার পরিজন বলতে কেউ নাই। তাই আমি বাবা-মা কে বলতে পারি নাই।
-পরিবার পরিজন নাই মানে?
-নাই মানে নাই। সান্তা এতিম!
-ওও আচ্ছা। সান্তা এতিম ভালো কথা। কিন্তু এটার সাথে আপনার ভালবাসার কথা না বলার সাথে সম্পর্ক কি?
-বাবা-মা আমাদের ভালবাসা মেনে নিতেন না। তাই বলিনি। সান্তার কথা না বললেও আমি আমার বিয়ে অনেক বার নানা কারণ দেখিয়ে ভেঙেছি। কিন্তু আপনাকে দেখতে যেয়ে আপনার এক্সপার্ট কথা গুলো শুনে ওই বৈঠকেই বিয়ে ঠিক করে আর আমায় চোখে চোখে রাখে যাতে এই বিয়ে টা যেন, আর ভাঙতে না পারি।
-তারপর!
-এখন আপনাকে বিয়ে করে না পারছি আপনাকে আপন করতে না পারছি সান্তা কে ভুলতে। আমার দ্বারা সম্ভব না। আমি ব্যর্থ! আমি আর বাঁচতে চাইনা। আমার মরে যাওয়া উচিৎ।
-এই এই থামুন। পুরুষ মানুষ কেন মরার কথা বলবে? জীবন টা আল্লাহ তায়ালা’র দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার এটা কে উপভোগ করুন। আল্লাহ তায়ালা’র ইবাদত করুন। তাকে ভালবাসুন। জীবন কে নিজের হাতে নষ্ট করার ক্ষমতা আপনার নেই। কেননা এটা আল্লাহ তায়ালা’র দেওয়া নিয়ামত। জীবন কে ভালোবাসতে শিখেন। সবার সাথে সব কিছু ভাগাভাগি করতে শিখেন। পুরুষ মানুষ, পুরুষ মানুষের মতো থাকুন! তা না করে কাপুরুষের মতো কথা বলেন কেন? রেনুর কথা শুনে সিহাব নির্জীব হয়ে যায়। রেনু বুঝতে পারল। সত্যিই সিহাব নার্ভাস হয়ে গেছে। রেনু কিছু না বলেই সিহাবের হাতের ফোন টা কেড়ে নেয় আর সান্তার নম্বরে ডায়াল করে। ফোনের ওপার থেকে হ্যালো শব্দ আসতেই রেনু বলল, বোন সান্তা! টেনশন করিও না। আমি জানতাম না তোমাদের কথা। আর এখন যখন জেনেছি তখন আর তোমাদের ব্যর্থ হতে হবে না। আমি তোমার ভালবাসা তোমাকে ফিরে দিব। এটুকুই বলে রেনু ফোন রেখে দেয়। রেনু ফোন টা সিহাবের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে, অনেক রাত হয়েছে ঘুমিয়ে পড়ুন!
-সিহাব বলে_ না আপনি ঘুমান! আমার ভালো লাগছে না।
রেনু বিছানা থেকে একটা বালিশ আর একটা কাঁথা নিয়ে মেঝেতে শুয়ে পড়ে আর বলে এই যে শুনন আমাকে ভয় পাওয়ার কোনো কিছু নেই। আপনি বিছানায় শুয়ে পড়ুন। আমি মেঝেতেই থাকব। আর হ্যাঁ! এত সব আজেবাজে চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সময়ের সাথে সব ঠিক হয়ে যাবে।
সিহাব আর কিছু বলল না। চুপচাপ বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়লো। দুজনের এভাবেই দিন কাটতে লাগল।
বিয়ের প্রায় পনেরো দিন পার হয়েছে। সিহাব আজ কর্মস্থলে ফিরবে। সিহাব খেয়ে দেয়ে তৈরি হচ্ছে। সাথে রেনুও তৈরি হচ্ছে। রেনুর তৈরি হওয়া দেখে সিহাব অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনিও কোথাও যাবেন নাকি?
রেনু বলল, জি আমি আপনার সাথে একটু বাহিরে যাব। তবে আমি বেশি সময় নিব না। একেবারে ঘড়ি ধরে ত্রিশ মিনিট নিব। সিহাব আর কিছু বলল না। রেনু সিহাব কে কাজী অফিসে নিয়ে আসে। সিহাব অবাক হয়। কেননা কাজী অফিসে সান্তা বধু বেসে বসে আছে। রেনু সিহাব কে উদ্দেশ্য করে বলে ওঠে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আপনি এখন কর্মস্থলে চলে যাচ্ছেন। আর সেখানে আপনি একাই থাকবেন। তাই আমি চাই আপনারা এখনি বিয়ে টা সেড়ে ফেলুন। তাই সান্তা কে আসতে বলেছি। আপনি সান্তা কে নিয়েই কর্মস্থলে ফিরবেন। রেনুর কথা মতো সিহাব আর সান্তার বিয়ে সম্পূর্ণ হলো। আর সিহাব সান্তা কে নিয়ে কর্মস্থলে ফিরলো।
সিহাব চলে যাওয়ার পরে রেনু আনমনা হয়ে গেলো। যদিও কখনো সিহাব কে বলতে পারেনি যে, সে তাকে ভালবাসে! বলতে না পারুক ভালো তো বাসে? দিন যতই যাচ্ছে রেনু ততই একাকী হয়ে যাচ্ছে। রেনু খেয়াল করল। সে দিনে দিনে ভেঙ্গে পরছে। তাই সে সিদ্ধান্ত নিল যে, সে দেশের বাইরে চলে যাবে আর তার অসম্পূর্ণ লেখাপড়া সম্পূর্ণ করবে। যেমন ভাবা তেমন কাজ। রেনু বিদেশ চলে গেলো।
আজ পাঁচ বছর পরে রেনু লেখাপড়া শেষ করে দেশে ফিরছে। রেনু বিমানবন্দর নামতেই দেখা পেলো সিহাবের। সিহাব কে দেখে’ই রেনু বলল,আপনি এখানে? কেউ আসছে নাকি বিদেশ থেকে?
সিহাব বলল_ জি!
রেনু সিহাবের সাথে কুশল বিনিময় করে নিজের গন্তব্যে পা বাড়ায়। তখনই ঘটল ঘটনা! সিহাব পিছন থেকে রেনুর হাত টেনে ধরে! রেনু আচমকা সিহাবের স্পর্শ পেয়ে কেঁপে ওঠে! সিহাব রেনুর হাতটা ধরেই বলে_ আমি হেরে যায়নি রেনু! আমি সব সামলে নিয়েছি। সব মানিয়ে দিয়েছি। আমি জীবন কে বুঝতে শিখেছি,উপভোগ করতে শিখেছি। হাসি কান্না সবার সাথে ভাগাভাগি করতে শিখেছি। তোমার কথা মতো ই আমি সান্তা কে বাড়িতে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু! কিন্তু সে কি করলো? অবশেষে আমাকে ছেড়ে চলে গেলো! আমি খুব ভেঙ্গে পড়েছিলাম। যেদিন সান্তা আমাকে ছেড়ে গিয়েছিল। সান্তা ছেড়ে যাওয়ার জন্য আমি ভেঙ্গে পড়িনি। ভেঙ্গে পড়েছিলাম এই কথা ভেবে, যার জন্য আমি আমার সদ্য বিয়ে করা স্ত্রী কে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করলাম। আজ সেই কিনা আমায় ছেড়ে চলে গেলো! সান্তা চলে যাওয়ার পড়ে, আমি আর কর্মস্থলে থাকতে পারিনি। খুব একা একা লাগত। তাই বাড়ি ফিরে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে গিয়েও নিজেকে শক্ত করতে পারিনি। এক দিন বাড়িতে বাবা-মা কেউ ছিল না। শুধু আমি একা ছিলাম। সেদিন সিদ্ধান্ত নিলাম। আমি আর বেঁচে থাকব না। না আমি তোমার সামনে আসতে পারব না নিজেকে শক্ত করতে পারব। তাই আত্মহত্যার করার জন্য প্রস্তুত হই। ফ্যানের সাথে দড়িটা ঝুলিয়ে চোখ বন্ধ করে গলার সাথে লাগাতেই সেই তোমার বলা প্রথম দিনের কথা গুলো কানে স্ব – শব্দে আসতে লাগল। খুব বিরক্ত লাগছিল তখন তাই আর আত্মহত্যা করতে পারিনি। রাতে আলমারিতে একটা ফাইল খুঁজতে গিয়ে একটা ডায়েরি পায়। প্রথমে চমকে যায়। আমার আলমারিতে আবার ডায়েরি আসলো কোথা থেকে? আমি তো কখনো ডায়েরি লিখিনাই। ডায়েরি টা খুলেই দেখি তোমার নাম! পাশে আমার নামও। তারপর খুব আগ্রহ নিয়ে পড়তে লাগলাম ডায়েরি টা। তোমার ডায়েরি পড়ে আমার আত্মহত্যার চিন্তা মাথা থেকে চলে যায়। আর তোমার প্রতি ভালবাসার জন্ম নেয়। কিন্তু! আমি নিরুপায়! যে ভালবাসা আমি নিজেই ফিরিয়ে দিয়েছি সে ভালবাসা আমি আবার কিভাবে চাইব। চাইলেও আমি তোমার কাছে যেতে পারব না। না তোমায় ফিরিয়ে আনতে পারব। সেই অধিকার যে আমি সে রাতেই হারিয়ে ফেলেছি। যে রাতে তুমি আমার অপেক্ষায় ছিলে। এ পাঁচ বছর কত বার’ই যে তোমার ডায়েরি টা পড়েছি হিসাব ছাড়া। ডায়েরির প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্য আজ আমার হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।
আজ আমি সত্যিই অনুতপ্ত। আমি যখন জানতে পারলাম তুমি দেশে ফিরছো, তখনই প্রস্তুত হলাম।এখনই সঠিক সময়। এখনই তোমার কাছে ক্ষমা চাওয়ার উত্তম সময়। রেনু তুমি আর আমায় ফিরিয়ে দিও না। আমায় ক্ষমা করে দাও। ক্ষমা করে দাও রেনু? রেনু সিহাবের কথা গুলো শুনে কেঁদে ফেলে। ও কখনো ভাবে’ই নি যে সিহাব কে কোনো দিন পাবে। রেনু সিহাব কে শক্ত করে জরিয়ে ধরে বলে আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে আমায় অপরাধী করবে নাকি? আমাদের বিয়ে হওয়া সত্যেও আমরা আলাদা থেকেও, এত বছর পরে আবার এক হবো! আমি কখনো ভাবিনি। এটাই হয়তো আমাদের নিয়তি ছিল। বিধাতা হয়তো এটাই চেয়েছিলেন। আজ আমি অনেক খুশি সিহাব। আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। অনেক ভালবাসি সিহাব। অনেক ভালবাসি! সিহাব রেনুকে বুকের মাঝে আরও শক্ত করে জরিয়ে বলে_ আমিও তোমায় ভালবাসি রেনু! আমিও তোমায় ভালবাসি।
নিয়তির খেলায় হয়তো এমনই। বহু দিন, বহু মাস পর পূর্ণতা পেল আজ ভালবাসার।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..