1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৩১ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
মৌলভীবাজারের ৫টি রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ থাকায় এখন ভুতুরে বাড়ি: যাত্রী দুর্ভোগ চরমে: চুরি ও নষ্ট হচ্ছে রেলওয়ের মুল্যবান সম্পদ,নতুন বছরে দৃঢ় হোক সম্প্রীতির বন্ধন, দূর হোক সংকট: প্রধানমন্ত্রী. আজ রোববার উদযাপন হবে বই উৎসব. দুর্গম এলাকায় বিকল্প ব্যবস্থায় নতুন বই পাঠানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী, নতুন বছরে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী, নতুন আশা নিয়ে মধ্যরাতে বরণ করা হবে ২০২৩ সাল, সিডনিতে আতশবাজির মধ্য দিয়ে ‘নিউ ইয়ার’ বরণ, ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে পুলিশের কড়াকড়ি,আবারও প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক হলেন শ্যামল ,নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বাজারভিত্তিকের পরিকল্পনা : অর্থমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪৪ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট ::অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বাজারের চাহিদা সরবরাহের ভিত্তিতে ডলারসহ অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারিত হবে। তবে ব্যাংক ঋণ ও আমানতের সুদহারে যে সীমা আরোপ করা আছে, তা আপাতত তোলার কথা ভাবছে না সরকার।

বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাকিদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

মুস্তফা কামাল বলেন, বিনিময় হার নির্ভর করবে বাজারের চাহিদা সরবরাহের ওপর। অন্যান্য উদীয়মান অর্থনীতির দেশে যেভাবে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা হয়, বাংলাদেশেও একইভাবে হবে। তবে ব্যাংক ঋণ ও আমানতের সুদহারে যে সীমা আরোপ করা আছে, সেটা আপাতত তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই। কারণ বাংলাদেশে সুদহারের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন। এজন্য সরকার আর্থিক ও মুদ্রানীতির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে ঋণ ও আমানতের সুদহারে যে সীমা আরোপ করা আছে, তা চলতে থাকবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত কমার আশঙ্কা আমি করছি না। কারণ সম্প্রতি রপ্তানি আয় বাড়ছে। কমছে আমদানি ব্যয়। অন্যদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। প্রতি মাসে গড়ে ২০০ কোটি ডলার করে আসছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত কমার পরিবর্তে আগামীতে বাড়বে। শিগগিরই আগের মতো ৪৮ বিলিয়ন ডলারে যেতে পারে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির আলোচনা চলছে। আলোচনা চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশি টাকা ও রাশিয়ান মুদ্রা রুবল সোয়াপ করে আমদানি করা জ্বালানি তেলের মূল্য পরিশোধের চেষ্টা করা হবে।

এদিকে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি খাদ্য মন্ত্রণালয়কে নয় লাখ টন চাল কেনার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

এছাড়া সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৯০ হাজার টন সার কেনার প্রস্তাব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দুই কোটি ২৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল এবং ১৫ হাজার টন মসুর ডাল কেনা এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সেল ডাটা কন্ট্রোলার মেশিন কেনার প্রস্তাবসহ মোট ১৬টি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..