1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
* বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী   *  বন্যা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, সরকার সব ব্যবস্থা নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

কমলগঞ্জে পাচিং পদ্ধতি সুফল পাচ্ছেন কৃষকেরা

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৬১ বার পঠিত
তানভীর চৌধুরী:আমন ফসলের পোকা দমনে পাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের কৃষকেরা। এই অঞ্চলের বেশির ভাগ জমিতে পোকামাকড় দমনে বাঁশের খুঁটি দিয়ে এই ডেথ পাচিং পদ্ধতি প্রয়োগে সুফল পাচ্ছেন তাঁরা।
জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় ১৭ হাজার ২৭০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ধানের কালচে রং হয়েছে। পোকামাকড় থেকে ফসল রক্ষার জন্য পাচিং পদ্ধতি অনেক উপকারী। এই পদ্ধতির ফলে কৃষকের কীটনাশক কম লাগে। এ ছাড়া পাখিদের মল থেকে জমিতে জৈবসার উৎপাদন হয়। উপজেলায় পাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করার জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কিছু কিছু এলাকার কৃষক ডেথ পাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন।
কৃষকেরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে আমন ফসলে মাজরা পোকা ও পাতা মোড়ানো পোকা আক্রমণ করে। ফসল রক্ষার জন্য কীটনাশক ছিটানোর পাশাপাশি পাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করেন। তাঁরা। এই পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে
চলতি বছর উপজেলায় ১৭ হাজার ২৭০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। পোকামাকড় থেকে ফসল রক্ষার জন্য পাচিং পদ্ধতি অনেক উপকারী।
ধানখেতে পোকামাকড় অনেকটা কমে গেছে। একরপ্রতি ১৫ থেকে ২০টি পাচিংয়ের (খুঁটি) বসাতে হয়। আস্তে আস্তে এই উপজেলায় এ পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বলে জানান তাঁরা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের আমনখেত ঘুরে দেখা যায়, বাঁশের খুঁটি দিয়ে ডেথ পাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন অনেক কৃষক। এসব খুঁটিতে বিভিন্ন ধরনের পাখি বসে আছে।
বিশেষ করে শালুক ও ফিঙে (পেচকুন্ধা) এই দুই ধরনের পাখি পাচিংয়ে বেশি দেখা যায়। পোকামাকড় থেকে ফসল রক্ষায় এই পদ্ধতি অনেক বড় ভূমিকা রাখছে। সঠিক সময়ে এ পদ্ধতি ব্যবহার করলে পোকার আক্রমণ থেকে ফসল নষ্ট কম হবে বলে জানান কৃষকেরা।
উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়ন কৃষক মামুনুর রশীদ বলেন, ‘আমি ৩ একর জমিতে আমন ফসল চাষ করেছি। ফসলে পোকা দমন করার জন্য পাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করছি। এই পদ্ধতির কারণে আমার জমিতে পোকা অনেকটা কমে এসেছে। পোকা দমনে অন্যান্য কৃষক থেকে আমার খরচও অনেক কম হয়েছে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জনি খান বলেন, কৃষকেরা পাচিং পদ্ধতির মাধ্যমে জমি থেকে পোকা দমন করতে পারেন। সবচেয়ে কম খরচে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। গাছের ডাল বা বাঁশের খুঁটি দিয়ে অতি সহজে এ পদ্ধতির মাধ্যমে পোকা তাড়ানো যায়। উপজেলার কৃষকদের পাচিং পদ্ধতির ব্যবহার করার জন্য সবসময় পরামর্শ দেওয়া হয়। পরিবেশবান্ধব এ পদ্ধতিটি এখন স্বল্পসংখ্যক কৃষক ব্যবহার করলেও এক সময় এটি বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদী।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..