1. [email protected] : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. [email protected] : admi2017 :
  3. [email protected] : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
ব্রেকিং নিউজ :
বিনোদন :: গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই গায়কের মর্মান্তিক মৃত্যু!,  খেলার খবর : অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, বিমানবন্দরে যুবাদের জানানো হবে উষ্ণ অভ্যর্থনা,

মৌলভীবাজার: সেচের অভাবে পর্যাপ্ত ফলন না আসায় কমলা চাষীরা হতাশ

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২
  • ৪১৫ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদক: সময়মত বৃষ্টির অভাবে এবছর কমলা চাষীদের মাথায় হাত পড়েছে। একদিনে ফলন কম অন্যদিকে কমলা চাষের জমি হারানোর শঙ্কায় আছে কৃষকরা। মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের রূপাছড়া, লালছড়া, হায়াছড়া, শুকনাছড়া, কচুরগুল গ্রামে সবুজ কমলা চাষে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পোকামাকড়ের আক্রমণ,সময়মত বৃষ্টি সহ পানির অভাবে কমলার ফলন অনেক হ্রাস পেয়েছে। জুড়ী উপজেলা কৃষিঅফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ৯৬ হেক্টর জমিতে কমলা চাষ হয়েছে। এ উপজেলায় সাধারণত খাসি ও নাগপুরি জাতের কমলা চাষ হয়ে থাকলেও বর্তমানে কৃষি বিভাগের লেবু জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ, ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় কৃষককে প্রশিক্ষণ, সার ও চারা প্রদান এবং স্প্রে মেশিন প্রদানের মাধ্যমে নতুন নতুন বাগান সৃজন করা হচ্ছে। এখানে বারি-১, বারি-২ ও দার্জিলিং জাতের কমলার জাত গুলো এ প্রকল্পের মাধ্যমে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
কমলাচাষীরা জানান, যখন কমলা গাছে ফুল আসে তখন বৃষ্টি বা সেচের দরকার হয়। এবার সময়মত বৃষ্টি না হওয়ায় ও সেচ দিতে না পারার কমলার ফলনে ধস নেমেছে। কোন ভাবে সময়মত সেচের ব্যবস্থা করা গেলে ফলন ভালো হত। প্রতিবছর কমলা বিক্রি করে লক্ষাধিক টাকা লাভবান হলেও এবছর কামলা চাষে যা খরচ হয়েছে তা উঠবে না। ফলে এখানকার কমলা চাষিরা পরেছেন বিপাকে। কমলাচাষিদের সাথে আলাপকালে বাগান হারানোর আশঙ্কা নিয়ে তারা জানান, আমাদের এলাকায় সাফারি পার্ক হবে বলে সরকার ঘোষণা দিয়েছে। এখন যদি আমাদের শতাধিক বাগান এই সাফারি পার্কের অন্তর্ভুক্ত করা হয়,এখানে কমলা চাষ বন্ধ হয়ে যাবে। যদি সরকার এটা বিবেচনা করে, তাহলে আমরা কমলাচাষিরা বাঁচব।

কমলা শ্রমিক দুদু মিয়া বলেন, ১৫/১৬ বছর যাবদ কমলা শ্রমিক হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেছি। এ বছরের মত এত খারাপ ফলন আর দেখিনি। কমলাচাষী মোঃ জয়নাল মিয়া বলেন, এবছর মৌসুমের শুরুতেই পানির অভাব দেখা দেয়। নির্দিষ্ট সময়ে বৃষ্টি হয়নি। ফলে অন্য বছরের তুলনায় এ বছর কমলার ফলনে ধস নেমেছে। এছাড়া সাফারী পার্ক নির্মানের ঘোষণার ফলে কমলা চাষের জমি হারানোর আশঙ্কায় আছি আমরা। কমলা চাষি মোরশেদ মিয়া জানান, গাছে যখন কমলার মুকুল আসে, ফুল দেয় তখন সেচের খুব প্রয়োজন হয়। ওই সময় আমরা সেচ দিতে পারি না, সে জন্য কমলার আকার ছোট হয় এবং ছোট কমলাগুলো ঝরে পড়ে। এছরের ফলনে আমরা খুবই হতাশ।
কমলাচাষী খোরশেদ আলম বলেন, আমাদের এলাকায় ছোটবড় বেশ কিছু কমলা বাগান রয়েছে। এখানকার কমলার সুনাম রয়েছে দেশ বিদেশে। তবে গতকয়েক বছর ভালো ফলন হলেও এবছর ভালো ফলন না হওয়ায় কমলাচাষীদের মাথায় হাত পড়েছে।উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, জুড়ী উপজেলায় সাধারণত খাসি ও নাগপুরি জাতের কমলা চাষ হয়ে থাকে। কিন্তু কৃষি বিভাগের লেবু জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ, ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের ওতায় কৃষককে প্রশিক্ষণ, সার ও চারা প্রদান এবং স্প্রে মেশিন প্রদানের মাধ্যমে নতুন নতুন বাগান সৃজন করছি। এখানে বারি-১, বারি-২ ও দার্জিলিং জাতের কমলার জাত গুলো এ প্রকল্পের মাধ্যমে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। আশা করছি এ প্রকল্পের মাধ্যমে ভিটামিন সি এর ঘাটতি পূরণ হওয়ার পাশাপাশি কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবে।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..