1. newsmkp@gmail.com : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. info@fxdailyinfo.com : admi2017 :
  3. admin@mkantho.com : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
* বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে সিলেটে প্রধানমন্ত্রী   *  বন্যা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, সরকার সব ব্যবস্থা নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

ফরিদপুরের গণসমাবেশ: নির্বাচনী খেলা রুখে দেব :মির্জা ফখরুল

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২
  • ৫১৭ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক রিপার্ট: নির্বাচনী খেলা রুখে দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিগত দু’টি জাতীয় নির্বাচনের নামে এ দেশে খেলা হয়েছে। এবার বিএনপি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচন, নির্বাচন খেলা আর হতে দেয়া হবে না।

আজ শনিবার ফরিদপুর শহরের অদূরে কোমরপুর আব্দুল আজিজ ইনস্টিটিউট মাঠে বিভাগীয় বিশাল গণসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল সরকারের উদ্দেশে বলেন, এই সরকারকে এই মুহূর্তে পদত্যাগ করতে হবে। সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে। নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়কের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। সেই কমিশনের অধীনে নতুন নির্বাচন হবে। নির্দলীয় সরকারের দাবি, জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং দলের পাঁচ কর্মী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে নানামুখী বাধা পেরিয়ে বিএনপি এ সমাবেশ করে।
মির্জা ফখরুল বেলা পৌনে ২টায় সমাবেশস্থলে পৌঁছেন। এ সময় চারিদিক করতালিতে মুখর হয়ে উঠে। প্রায় আধা ঘণ্টার বক্তব্যে তিনি দেশের চলমান অবস্থা, সরকারের দুর্নীতি-অনিয়ম ও আগামী নিবার্চন নিয়ে দলীয় অবস্থান তুলে ধরেন।
ফরিদপুরে অসংখ্য গুণী মানুষের জন্ম: বক্তব্যের শুরুতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফরিদপুরের কৃতী সন্তানদের নাম উল্লেখ করে বলেন, এই মাটির ইতিহাস আন্দোলন-সংগ্রামের। এ মাটিতে হাজী শরিয়ত উল্লাহ, শেখ মুজিবুর রহমান, কে এম ওবায়দুর রহমান ও চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফসহ অসংখ্য গুণী মানুষ জন্ম নিয়েছেন। তারা ব্রিটিশ উপনিবেশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের স্বাধীনতার লড়াই সংগ্রাম করেছেন। আজকেও ফরিদপুরের জনগণ স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের লড়াইয়ে নেমেছে।

ফরিদপুরের জনগণ দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছে:
সমাবেশ সফল করতে নেতা-কর্মীরা ত্যাগ স্বীকার করায় তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, তিন দিন ধরে অমানুষিক পরিশ্রম করে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নিয়ে এ সমাবেশ সফল করেছেন নেতা-কর্মীরা। ধর্মঘটের পর ফরিদপুরের জনগণ সরকারকে দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার অর্থনীতি ও দেশের ভবিষ্যত ধ্বংস করে দিয়েছে। ভোটের অধিকার হরণ করে দেশের রাজনীতি ধ্বংস করে ফেলেছে। সরকারের কথা হলো, আমার ভোট আমি দেব, তোমার ভোটও আমি দেব। তারা বন্দুক, পিস্তল এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে আছে।

সংবিধানের বাইরে সরকার যাবে না, তত্ত্বাবধায়কে নির্বাচন হবে না- ক্ষমতাসীনদের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছিল না। এ পদ্ধতিতে চার থেকে পাঁচটি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। তারপর তারাই ওই পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধান ধ্বংস করে দিয়েছে। ১৯৭৫ সালেও তারা সব দল নিষিদ্ধ করে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল।

সরকারের লোকেরা ১০ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের সম্পদ লুট হয়ে গেছে। সরকারের লোকেরা ১০ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে। মেগা প্রকল্প, বেকার ভাতা, দুঃস্থ ভাতা চুরি করছে। এখন আর টাকা নেই। রিজার্ভের টাকা গিলে খেয়ে ফেলছে। এমন কোনো খাত নেই যে চুরি করেনি। সব জায়গায় দুর্নীতি আর ঘুষ।
দেশের ৪২ শতাংশ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে দাবি করে তিনি বলেন, সরকার ওয়াদা অনুযায়ী ১০ টাকায় চাল খাওয়াতে পারেনি। ঘরে ঘরে চাকরি পায়নি। বিনা পয়সায় সার দেয়ার কথা বললেও এর দাম বেড়ে ৩ থেকে ৪ গুণ। কৃষক পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় না বলে খাদ্য উৎপাদন থেকে মুখ ফিরিয়ে দিনমজুরি ও রিকশা চালাচ্ছে। যুবকেরা চাকরি না পেয়ে হকারি করছে, মোটরসাইকেল চালাচ্ছে। এ সময় তিনি অঙ্গীকার করে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যুবকদের চাকরি দেয়া হবে।

তাদের মুখে গণতন্ত্র শুনে ঘোড়াও হাসে:
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তিনি (ওবায়দুল কাদের) যুবলীগের মহাসমাবেশে বলেছেন, তারা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চায়। তার এ কথা শুনে ঘোড়াও হাসে। এ যেন ভূতের মুখে রাম রাম। সরকারের কাছে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কী? অন্যদের সমাবেশ করতে দেব না, এটাই হচ্ছে আওয়ামী লীগের গণতন্ত্র। গুম, খুন ও ভোটাধিকারণ হরণ করে তারাই গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতকে নিয়ে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন করেছে। ১৭৩ দিন হরতাল করেছে। খালেদা জিয়া এক রাতের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংসদে পাশ করে পদত্যাগ করেছেন। ওই নির্বাচনে বিএনপি হেরে গেছে। এ হচ্ছে গণতন্ত্র। আর আওয়ামী লীগ বলে আমি ক্ষমতা ছাড়ব না। আমার সোনার হরিণ চাই-ই চাই। এটা আর হবে না।

সরকার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিরোধীদের হয়রানি করে, মিথ্যা মামলা দেয়। আদালতে জামিন পায় না। অথচ ক্যাসিনো সম্রাট জামিন পান। কিন্তু খালেদা জিয়া জামিন পান না। যারা লুটতরাজ করেছে তারা যুবলীগের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর সাথে বসেছিলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, অগ্নিসন্ত্রাসের পুরনো কথা সামনে এনে নতুন কৌশল নিয়েছে সরকার। অগ্নিসন্ত্রাসের হোতা তো আওয়ামী লীগ। শাহবাগে গান পাউডার দিয়ে বাসে আগুন দিয়েছে মানুষ হত্যা করেছে। লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করে ওয়ান-ইলেভেন এনেছে।

জনগণ রুখে দাঁড়িয়েছে:
বিএনপি মহাসচিব বলেন, অত্যাচার, নির্যাতন ও মার খেতে খেতে পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এখন আর পেছনে ফেরার সময় নেই, সামনে এগোতে হবে। জনগণ রুখে দাঁড়িয়েছে। আমাদের এক দফা, এক দাবি। শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে হবে। র‌্যাবের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আবার ক্রসফায়ার শুরু হয়েছে। কথায় কথায় এই বাহিনীকে দিয়ে নিপীড়ন চালাচ্ছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। গত দুটি নির্বাচনে মানুষকে প্রবঞ্চনা করে, মিথ্যা কথা বলে, ভুল বুঝিয়ে নির্বাচন নির্বাচন খেলা করে ক্ষমতায় চলে গেছে। কিন্তু এবার আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি, মানুষ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এবার খেলতে দেয়া হবে না। বক্তব্যের শেষ দিকে ক্ষমতায় গেলে কী করবে এর কিছু অঙ্গীকার করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, রাষ্ট্র মেরামত করতে বিচার বিভাগের সংস্কার করা হবে। দুর্নীতি বন্ধ করা হবে। দেশে মানবাধিকার ফিরিয়ে আনব।

পাত্তা পায়নি ধর্মঘট, কড়াকড়ি:
এর আগে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর ও বরিশালে গণসমাবেশ করে বিএনপি। প্রতিটি কর্মসূচিতেই বাধা দেয়া হয়। ফরিদপুরেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে তা অনুমেয় ছিল। গণপরিবহন ধর্মঘট ডাকায় কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ফরিদপুর। এবারো পরিবহন ধর্মঘটের বাধা পেরিয়ে দু’দিন আগে থেকেই বিভাগের পাঁচ জেলা থেকে নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থল অভিমুখে আসতে শুরু করে। শহরে থাকার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় নেতাকর্মীরা সমাবেশ মাঠেই অবস্থান নেয়। রান্না আর খাওয়া-দাওয়া চলে মাঠের ভেতরই।
আওয়ামী লীগের দুর্গে বিএনপির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ক্ষমতাসীনরা শহরে মহড়া দেয়। বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও নেতাকর্মীদের বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় বেশ কিছু নেতাকর্মীকে। বিএনপির সমাবেশের আগের দিন শুক্রবার বিকেলে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে জেলা আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিপুল সমাগম ঘটিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে গণসমাবেশ শেষ করে বিএনপি।
গণপরিবহন বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। নসিমন ও ব্যাটারিচালিত রিকশা এমনকি কয়েক কিলোমিটার হেঁটে অনেকে তাদের গন্তব্যে যান। খুলনা ও বরিশাল গণসমাবেশ শেষ হওয়ার পর ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার অভিযোগ ছিল। কিন্তু ফরিদপুরে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ইন্টারনেট সংযোগে বিঘ্ন ঘটে।
গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে শহরের প্রবেশমুখ ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ভোর থেকে জেলা শহর ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হয়। আসার পথে কোথাও কোথাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাধা দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শহরের সুপার মার্কেট এলাকায় একটি মিছিলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সাথে নেতাকর্মীদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তারা পুলিশের বাধা পেরিয়ে সমাবেশস্থলে যান। ১২টার আগে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশের মাঠটি লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। এক পর্যায়ে মহাসড়কের কয়েক কিলোমিটার জুড়ে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তবে কয়েক দিন ধরে নেতাকর্মীরা মাঠে অবস্থান করায় অনেককে বেশ ক্লান্ত দেখা যায়। মাঠে প্রচণ্ড রোদ থাকায় অনেক নেতাকর্মী আশপাশে গাছের নিচে অবস্থান করেন।
দুপুর ২টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল ১১টায় কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ এফ এম কাইয়ুমের সভাপতিত্বে বিএনপির ষষ্ঠ বিভাগীয় এ গণসমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। বক্তব্য রাখেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যরিস্টার শাজাহান ওমর, ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, স্বাস্থ্য বিষযক সস্পাদক ডা: রফিকুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক, সেলিমুজ্জামান সেলিম, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, সাবেক এমপি ও বিএনপির সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী নেওয়াজ খৈয়াম, শাহ মো: আবু জাফর, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ঈসা, তাবিথ আউয়াল, যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুবুল হাসান ভূঁইয়া পিংকু, মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, জাসাসের সভাপতি হেলাল খান, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা শাহ মো: নেছারুল হক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল, জেলা যুবদলের সভাপতি রাজিব হোসেন প্রমুখ।
সমাবেশ সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে এম কিবরিয়া স্বপন ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম মোস্তফা মিরাজ। বক্তাদের অনেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পিএস মিয়া নুরুদ্দিন অপুর মুক্তি দাবি করেন।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..