1. [email protected] : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. [email protected] : admi2017 :
  3. [email protected] : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
ব্রেকিং নিউজ :
বিনোদন :: গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই গায়কের মর্মান্তিক মৃত্যু!,  খেলার খবর : অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, বিমানবন্দরে যুবাদের জানানো হবে উষ্ণ অভ্যর্থনা,

আগামীকাল ৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার মুক্ত দিবস: গনকবরগুলা সংরক্ষনের দাবী

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৯০ বার পঠিত

বিশ্বজিত কর: আগামীকাল৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার মুক্ত দিবস : ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়েছিল জেলা শহর মৌলভীবাজারে। দেশ মুক্ত হলেও হয়নি শহীদ মুক্তিাযোদ্ধাদের গনকবরগুলো। মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিাযোদ্ধা পরিবার এবং সর্বস্থরের জনগনের দাবী বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে গনকবরগুলো সংস্থার ও সংরক্ষেনের।
৮ডিসেম্বর ১৯৭১- মৌলভীবাজার জেলাবাসীর গৌরব ও বিজয়ের দিন। কারন মহান মুক্তিযুদ্ধে শেষ লগ্নে এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা হাজারও জনতার সমন্বয়ে বিজয়ের পতাকা উড়েছিলেন মৌলভীবাজারে। প্রতি বছর এই দিনটিকে মৌলভীবাজারবাসী মুক্ত দিবস হিসাবে উদযাপন করে আসছে। ওই দিন সকালে মৌলভীবাজার মহকুমা কার্যালয়ের সামনে ( বর্তমানে জেলা পরিষদ) এসে রনাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক জননেতা মো. আজিজুর রহমান,আরেক সূর্য সৈনিক সৈয়দ মহসীন আলী এবং মো. আনসার আলীসহ স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দরা হাজারও জনতাকে সাথে নিয়ে ৮ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ান মৌলভীবাজারে।
এদিকে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর ডাকে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ সময়ে এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর যৌথ অপারেশনে পাক হানাদার বাহিনী মৌলভীবাজার জেলা শহর থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। আর ৮ডিসেম্বর ভোরের আলো ফুটে উঠতেই বিজয়ের আনন্দে মেতে উঠেন মৌলভীবাজার জেলাবাসী। এদিকে ১৯৭১ সালের ৩০এপ্রিল থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মৌলভীবাজার শহর ছিল পুরোপুরি পাক বাহিনীর নিয়ন্ত্রনে । মৌলভীবাজারের সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ও পিটিআই স্কুল ছিল পাক বাহিনীর বিশাল ক্যাম্প। সেখান থেকেই নিয়ন্ত্রন করা হতো পুরো মৌলভীবাজার জেলা। সে সময় পাক বাহিনী সাধারন মানুষের উপর চালিয়ে ছিল ব্যাপক নিপীড়ন ও নির্যাতন। এই দীর্ঘ নয় মাস মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও পাক হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ হয়েছেন শহরের নাম না জানা হাজারও নিরাপরাধ মানুষ। এদিকে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তয়ী সংগ্রামে শহীদ হওয়া অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের গণকবর দেয়া হয় সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের পাশে শহীদ মিনার ঘেঁষা স্থানটিকে।

এনিয়ে স্থানীয় একাদিকরা জানান, মৌলভীবাজার জেলার গনকবরগুলা সংরক্ষন ও বর্তমান এবং আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাস জানানোর জোর দাবী জানিয়েছেন।

এভ্যাপারে মো: আনসার আলী, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, মৌলভীবাজার সদর , মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আনসার আলী গনকবরগুলো অযত্ন আর অবহেলা নিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে বলেন। দেশ স্বাধীন করলাম বিন্তুু স্বাধীনতার এতো বছর পর ও সহকর্মী শহীদদের গনকবর সংক্ষরন না হওয়ায় সরকারের কাছে জোড়ালো দাবী জানান।
মৌলভীবাজার অরক্ষিত গনকবরগুলা চিহ্রিতসহ সংরক্ষন করে বর্তমান ও আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযোদ্ধের সটিক ইতিহাস তুলে ধরার আহবান মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্থরের মানুষের দাবী।

 

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..