1. [email protected] : Admin : sk Sirajul Islam siraj siraj
  2. [email protected] : admi2017 :
  3. [email protected] : Sk Sirajul Islam Siraj : Sk Sirajul Islam Siraj
ব্রেকিং নিউজ :
বিনোদন :: গান গাইতে গাইতে মঞ্চেই গায়কের মর্মান্তিক মৃত্যু!,  খেলার খবর : অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, বিমানবন্দরে যুবাদের জানানো হবে উষ্ণ অভ্যর্থনা,

বড়লেখায় ৫ মাস নেই সাব-রেজিষ্ট্রার, ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভোগান্তি : রাজস্ব আয় ব্যাহত

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৩
  • ৯১ বার পঠিত

বড়লেখা প্রতিনিধি : বড়লেখা উপজেলায় প্রায় পাঁচ মাস ধরে নেই সাব-রেজিষ্ট্রার। সপ্তাহে দুইদিন পার্শবর্তী জুড়ি উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু ফুলটাইম সাব-রেজিষ্ট্রার না থাকায় জমি রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত সংশোধিত নিয়ম-কানুন ও পরামর্শ নিতে এবং সার্টিফাই কপি উত্তোলনে ভূমি ক্রেতা-বিক্রেতা ও দলিল লেখকরা মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ভূমি ক্রেতা-বিক্রেতাদের অধিকাংশ প্রবাসী হওয়ায় অতিরিক্ত দায়িত্বের সাব-রেজিষ্ট্রারের কর্মদিবসের সাথে তাদের যাত্রার তারিখ না মিলায় তারা দলিল রেজিষ্ট্রী না করেই প্রবাসে চলে যান। এতে সরকারের রাজস্ব আয়ও ব্যাহত হচ্ছে।

জানা গেছে, বড়লেখা উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার সাইফুল আলমের বদলী জনিত কারণে গত ২২ মার্চ থেকে সাব-রেজিষ্ট্রার শূন্য হয়ে পড়ে অত্র অফিসটি। এরপর জেলা রেজিষ্ট্রারের নির্দেশে পার্শ্ববর্তী জুড়ী উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার হাবিবুর রহমান সপ্তাহে দুইদিন (রোববার ও সোমবার) এখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু প্রবাসী অধ্যুষিত বড়লেখা উপজেলার বেশির ভাগ ভূমি ক্রেতা-বিক্রেতা খুব কম সময় নিয়ে দেশে আসেন। জমি রেজিষ্ট্রারীর সংশোধিত নিয়ম কানুন জানতে গিয়েও তারা হয়রানী ও ভোগান্তির শিকার হন। ফুলটাইম সাব-রেজিষ্ট্রার না থাকায় দলিল লেখকরাও তাদের সঠিক পরামর্শ দিতে পারেন না। এতে অনেকেই ক্ষুব্দ ও বিরক্ত হয়ে জমি ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় করার সিদ্ধান্তই পালটে প্রবাশে চলে যান। যার ফলে রাজস্ব ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে বড়লেখা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস।

জেলা দলিল লেখক সমিতির (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি ও উপজেলা সভাপতি মীর মখলিছুর রহমান জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার লোকজন ভূমি রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত নানা বিষয় জানতে দলিল লেখকদের কাছে ছুটে আসেন। পৌরসভা এলাকার ভূমির ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতার টিআইএন ও ভ্যাট সার্টিফিকেটসহ নতুন নিয়ম কানুন সাবরেজিষ্ট্রারের কাছ থেকে জেনে সংশ্লিষ্টদের জানাতে হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সাব-রেজিষ্ট্রার না থাকায় তারা ভুক্তভোগীদের সঠিক কোন পরামর্শ দিতে পারেন না। এতে অনেকেই বিরক্ত হয়ে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের সিদ্ধান্তই বদলে ফেলেন। যার প্রভাব পড়ছে সরকারের রাজস্ব আয়ে। সম্প্রতি (১১ জুলাই) সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন এমপি বড়লেখা সাব-রেজিষ্ট্রী অফিস ও দলিল লেখক শেড পরিদর্শণ করেন। দাবীর প্রেক্ষিতে তিনি দ্রæত একজন স্থায়ী সাব-রেজিষ্ট্রার পদায়নের ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

জেলা রেজিষ্ট্রার এসএম সুহেল রানা মিলন জানান, জেলার দুইটি উপজেলায় (বড়লেখা ও কুলাউড়া) দীর্ঘদিন ধরে সাব-রেজিষ্ট্রার নেই। পাশ্ববর্তী উপজেলার সাব-রেজিষ্ট্রারকে সপ্তাহে ২/৩ দিন পাঠিয়ে কাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে উভয় উপজেলার কাজকর্ম ব্যাহত হওয়াই স্বাভাবিক। তবে দ্রæত স্থায়ী সাব-রেজিষ্ট্রার পদায়নের জন্য আইন মন্ত্রণালয় ও আই.জি.আর (ইন্সপেক্টর জেনারেল অব রেজিষ্ট্রেশন) কার্যালয়কে অবহিত করেছেন।

প্লিজ আপনি ও অপরকে নিউজটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি

এ জাতীয় আরো খবর..