9:10 am, Sunday, 12 July 2026

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সফলভাবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করেছি

ডেস্ক রিপোট:প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সফলভাবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করেছি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা ঘূর্ণিঝড় মোখা সফলভাবে মোকাবিলা করেছি।

সোমবার (১৫ মে) সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঘূর্ণিঝড় মোখা পরবর্তী ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ঘুর্ণিঝড়ের কারণে অনেক গাছপালা পড়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে ২ হাজারের মতো ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। ১০ হাজারের বেশি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছচাপা পড়ে কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া আর তেমন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বাড়িঘরের সংখ্যা ছাড়া ক্ষয়ক্ষতির আর কোনো তথ্য আমরা পাইনি। এই প্রথম বাংলাদেশ কোনো ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করল যেখানে কোনো মৃত্যু সংবাদ নেই। এজন্য আমরা এটাকে বিশাল সফলতা বলছি। কারণ প্রাণহানিটাই সবচেয়ে বড় লস।

তিনি বলেন, সবকিছুই রিকভার করা যায়, কিন্তু মানুষের জীবনটা আর ফিরিয়ে আনা যায় না। প্রধানমন্ত্রী সবসময় নির্দেশ দিয়েছেন একটি লোকও যেন আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে না থাকে, একটি লোকও যেন মৃত্যুর ঝুঁকিতে না থাকে।

বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে সবাই বাড়ি ফিরে গেছে বলেও জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সংকেত যতক্ষণ ১০ ছিল ততোক্ষণ আমরা কাউকে যেতে দেইনি। যেতে চেয়েছে কিন্তু প্রশাসন যেতে দেয়নি। সিগন্যাল কমানোয় তারা স্বেচ্ছায় চলে গেছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মৌলভীবাজারে বন্যা দূর্গত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ত্রাণ বিতরণ

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সফলভাবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করেছি

Update Time : 11:02:15 am, Monday, 15 May 2023

ডেস্ক রিপোট:প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সফলভাবে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করেছি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা ঘূর্ণিঝড় মোখা সফলভাবে মোকাবিলা করেছি।

সোমবার (১৫ মে) সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঘূর্ণিঝড় মোখা পরবর্তী ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ঘুর্ণিঝড়ের কারণে অনেক গাছপালা পড়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে ২ হাজারের মতো ঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। ১০ হাজারের বেশি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছচাপা পড়ে কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া আর তেমন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বাড়িঘরের সংখ্যা ছাড়া ক্ষয়ক্ষতির আর কোনো তথ্য আমরা পাইনি। এই প্রথম বাংলাদেশ কোনো ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করল যেখানে কোনো মৃত্যু সংবাদ নেই। এজন্য আমরা এটাকে বিশাল সফলতা বলছি। কারণ প্রাণহানিটাই সবচেয়ে বড় লস।

তিনি বলেন, সবকিছুই রিকভার করা যায়, কিন্তু মানুষের জীবনটা আর ফিরিয়ে আনা যায় না। প্রধানমন্ত্রী সবসময় নির্দেশ দিয়েছেন একটি লোকও যেন আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে না থাকে, একটি লোকও যেন মৃত্যুর ঝুঁকিতে না থাকে।

বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে সবাই বাড়ি ফিরে গেছে বলেও জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সংকেত যতক্ষণ ১০ ছিল ততোক্ষণ আমরা কাউকে যেতে দেইনি। যেতে চেয়েছে কিন্তু প্রশাসন যেতে দেয়নি। সিগন্যাল কমানোয় তারা স্বেচ্ছায় চলে গেছে।