7:11 pm, Friday, 16 January 2026

মৌলভীবাজারসহ সারা দেশে শীতের সঙ্গে শিলাবৃষ্টি, বেড়েছে জনদুর্ভোগ

বিশেষ প্রতিনিধি: মাঘের তীব্র শীতে এমনিতেই কাতর সীমান্তবর্তী মৌলভীবাজারসহ সিলেট বিভাগের মানুষ। তীব্র শীতের সঙ্গে শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সিলেট বিভাগের বেশ কয়েকটি স্থানে বিশেষ করে হাওরা অঞ্চলে হয়েছে শিলাবৃষ্টিও। শীতের সঙ্গে বৃষ্টিতে জনদুর্ভোগ বেড়েছে মৌলভীবাজার জেলার ৭ টি উপজেলাতেই।
বৃষ্টি আর কনকনে হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির কারণে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ ঘরবাড়ি থেকে বের হতে পারছে না। রাস্তা-ঘাট ও হাটবাজার ফাঁকা। অনেক জায়গায় বৃষ্টির পানি জমে গেছে। এতে বিঘ্ন ঘটছে সাধারণ মানুষের চলাচলে।
বৃষ্টি ও কনকনে বাতাসে কৃষকরা ফসলি মাঠে কাজ করতে না পারায় ইরি বোরো রোপণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। রাস্তায় চলছে সীমিত যানবাহন। রিকশা, ্এসএনজি,ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলে যাতায়াত নেই বললেই চলে।
বৃহস্পতিবার রাতে বজ্রসহ মাঝারি বৃষ্টি হয়। এরপর শুক্রবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত থেমে থেমে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি অব্যাহত ছিল। সারা দিনই আকাশ কালো মেঘে ঢাকা ছিল।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ বলেন, মেঘ কেটে গেলে তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে। তারপর আরও কমে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়ে যাবে।

এদিকে মাঘের শেষের দিকে এমন বৃষ্টির কারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। বিশেষ করে আলু, পেঁয়াজ ও সরিষার ফলন নিয়ে শঙ্কায় চাষিরা। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে বা নিচু অঞ্চলে বোরো ধ এই বৃষ্টিতে তাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। জমিতে পানি জমায় আলু পচে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

বিসিবির প্রতিটি টাকায় ক্রিকেটারদের কষ্ট মিশে আছে: মিরাজ

মৌলভীবাজারসহ সারা দেশে শীতের সঙ্গে শিলাবৃষ্টি, বেড়েছে জনদুর্ভোগ

Update Time : 06:03:35 pm, Friday, 4 February 2022

বিশেষ প্রতিনিধি: মাঘের তীব্র শীতে এমনিতেই কাতর সীমান্তবর্তী মৌলভীবাজারসহ সিলেট বিভাগের মানুষ। তীব্র শীতের সঙ্গে শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সিলেট বিভাগের বেশ কয়েকটি স্থানে বিশেষ করে হাওরা অঞ্চলে হয়েছে শিলাবৃষ্টিও। শীতের সঙ্গে বৃষ্টিতে জনদুর্ভোগ বেড়েছে মৌলভীবাজার জেলার ৭ টি উপজেলাতেই।
বৃষ্টি আর কনকনে হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির কারণে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ ঘরবাড়ি থেকে বের হতে পারছে না। রাস্তা-ঘাট ও হাটবাজার ফাঁকা। অনেক জায়গায় বৃষ্টির পানি জমে গেছে। এতে বিঘ্ন ঘটছে সাধারণ মানুষের চলাচলে।
বৃষ্টি ও কনকনে বাতাসে কৃষকরা ফসলি মাঠে কাজ করতে না পারায় ইরি বোরো রোপণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। রাস্তায় চলছে সীমিত যানবাহন। রিকশা, ্এসএনজি,ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলে যাতায়াত নেই বললেই চলে।
বৃহস্পতিবার রাতে বজ্রসহ মাঝারি বৃষ্টি হয়। এরপর শুক্রবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত থেমে থেমে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি অব্যাহত ছিল। সারা দিনই আকাশ কালো মেঘে ঢাকা ছিল।

আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ বলেন, মেঘ কেটে গেলে তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে। তারপর আরও কমে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়ে যাবে।

এদিকে মাঘের শেষের দিকে এমন বৃষ্টির কারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। বিশেষ করে আলু, পেঁয়াজ ও সরিষার ফলন নিয়ে শঙ্কায় চাষিরা। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে বা নিচু অঞ্চলে বোরো ধ এই বৃষ্টিতে তাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। জমিতে পানি জমায় আলু পচে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।