10:55 am, Wednesday, 15 July 2026

রাজনগরে বোনের নিকট পাওনা টাকা ফেরৎ চাওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ৪ শিক্ষার্থীর স্কুল কলেজে যাওয়া বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার: রাজনগরের দাসটিলা গ্রামে বোনর নিকট ৭ লাখ টাকা পাওনা ফেরৎ চাওয়ায় তার রোষানলে পড়ে স্বর্বস হারিয়ে ঋন গ্রস্স্থ সেলিম আহমদ শিক্ষার্থী ৪ মেয়ে সহ নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। বোনের সাথে ষড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্তে মিথ্যা মামলায় কয়েক বার তাকে জেলে যেতে হয়েছে। নিরাপত্তার অভাবে মৌলানা মুফাজ্জল হোসেন মহিলা ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী, মৌলভীবাজার সরকারী মহিলা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও রাজনগর আইডিয়েল হাই স্কুলের দুই ছাত্রীর লেখা পড়া বন্ধ হওয়ার হওয়ার উপক্রম হয়েছে বলে আইনি সাহায্য চেয়ে মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন সেলিম আহমদ। অভিযোগে জানাযায়, ব্যবসায়ী সেলিম আহমদ তার বড় বোন রুশনা বেগমের স্বামী যুক্তরাজ্য প্রবসী আহমদ আলী ২০০৫ সালে বাংলাদেশে এসে ষ্টোক করে প্যারালাই্ড হয়ে অসুস্থ হযে পড়েন। তখন তার বোন রুশনা বেগম পারিবারিক সামাজিক সকল প্রকার দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয়াদি দেখাশোনা ও পরিচালনার দায়িত্ব প্রদান করেন। সে সময় থেকে বোনের স্বামী আহমদ আলীকে চিকিৎসা সেবা সহ পরিবারের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজ কর্মের সব কিছু দেখা শোনা করতেন। যার কারনে তার ব্যবসা বানিজ্য সব কিছু ছেড়ে দিতে হয়। এই সময় তার ব্যবসার নগদ টাকা ১০ লাখ ও বোনের প্রয়োজনে আরো ৭ লাখ ঋন করেন। বোনের স্বামী অসুস্থ হওয়ার পর তিনি ও তার বোন রুশনা বেগম এলাকার স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সম্মূখে অঙ্গীকার করেন তাদের পারিবারিক, ব্যবসায়িক, স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির দেখাশোনা সহ সন্তানদের লেখা পড়া, যুক্তরাজ্যে যাওয়ার সকল প্রকার কার্যক্রম দায়িত্ব পালন করলে সেলিম আহমদের স্ত্রী, চার মেয়ের লেখা পড়া সহ বিয়ে শাদী আহমদ আলীর পরিবার বহন করবে। সে মোতাবেক সেলিম আহমদ বোনের দিকে তাকিয়ে তার সব কিছু ছেড়ে বোনের স্বামীর সেবা যতœ সহ সব কিছু করতে থাকেন। সে সময় তাদের আতœীয় কাদির মিয়া, রাসেদ মিয়া,রব মিয়া, কদ্দুস মিয়া, ছাদ মিয়া, কালাম মিয়া সহ অনেকের বিরাগ ভাজন হয়ে পড়েন। তাদের স্বার্থ হাসিল হচ্ছেনা দেখে তার বোনের পরিবার ও তার উপর ষড়যন্ত্র করতে থাকে। বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে সে সময় তার বোন ও তাকে হয়রনী করা হয়। ষড়যন্ত্রকারীদের খপ্পড়ে পড়ে কয়েকবার তাকে জেলে যেতে হয়েছে। ২০১০ সালে সেলিম আহমদের বোনের স্বামী আহমদ আলী মারা গেলে ষড়যন্ত্রকারীৃরা তার বোনকে ভূল বুঝিয়ে তার পাওনা টাকা অস্বীকার করার পরামর্শ দেয়। পরবর্তীতে তার উপর বিভিন্ন অভিযোগ সহ মামলা দেওয়ায়। এমনকি সেলিম আহমদের পরিবারকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। তার স্কুল কলেজে পড়–য়া ৪ মেয়েকে অপহন করার হুমকি দিচ্ছে। যার ফলে মেয়েরা স্কুল কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এব্যাপারে সেলিম আহমদ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট সুশৃংখল জীবন যাপন করার সু-ব্যবস্থা করে দেওযার আবেদন করেছেণ।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের সহায়তা পেল রাজনগরের একই পরিবারের ১১ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী

রাজনগরে বোনের নিকট পাওনা টাকা ফেরৎ চাওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ৪ শিক্ষার্থীর স্কুল কলেজে যাওয়া বন্ধ

Update Time : 02:22:55 pm, Sunday, 5 December 2021

স্টাফ রিপোর্টার: রাজনগরের দাসটিলা গ্রামে বোনর নিকট ৭ লাখ টাকা পাওনা ফেরৎ চাওয়ায় তার রোষানলে পড়ে স্বর্বস হারিয়ে ঋন গ্রস্স্থ সেলিম আহমদ শিক্ষার্থী ৪ মেয়ে সহ নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। বোনের সাথে ষড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্তে মিথ্যা মামলায় কয়েক বার তাকে জেলে যেতে হয়েছে। নিরাপত্তার অভাবে মৌলানা মুফাজ্জল হোসেন মহিলা ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী, মৌলভীবাজার সরকারী মহিলা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও রাজনগর আইডিয়েল হাই স্কুলের দুই ছাত্রীর লেখা পড়া বন্ধ হওয়ার হওয়ার উপক্রম হয়েছে বলে আইনি সাহায্য চেয়ে মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন সেলিম আহমদ। অভিযোগে জানাযায়, ব্যবসায়ী সেলিম আহমদ তার বড় বোন রুশনা বেগমের স্বামী যুক্তরাজ্য প্রবসী আহমদ আলী ২০০৫ সালে বাংলাদেশে এসে ষ্টোক করে প্যারালাই্ড হয়ে অসুস্থ হযে পড়েন। তখন তার বোন রুশনা বেগম পারিবারিক সামাজিক সকল প্রকার দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয়াদি দেখাশোনা ও পরিচালনার দায়িত্ব প্রদান করেন। সে সময় থেকে বোনের স্বামী আহমদ আলীকে চিকিৎসা সেবা সহ পরিবারের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজ কর্মের সব কিছু দেখা শোনা করতেন। যার কারনে তার ব্যবসা বানিজ্য সব কিছু ছেড়ে দিতে হয়। এই সময় তার ব্যবসার নগদ টাকা ১০ লাখ ও বোনের প্রয়োজনে আরো ৭ লাখ ঋন করেন। বোনের স্বামী অসুস্থ হওয়ার পর তিনি ও তার বোন রুশনা বেগম এলাকার স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সম্মূখে অঙ্গীকার করেন তাদের পারিবারিক, ব্যবসায়িক, স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির দেখাশোনা সহ সন্তানদের লেখা পড়া, যুক্তরাজ্যে যাওয়ার সকল প্রকার কার্যক্রম দায়িত্ব পালন করলে সেলিম আহমদের স্ত্রী, চার মেয়ের লেখা পড়া সহ বিয়ে শাদী আহমদ আলীর পরিবার বহন করবে। সে মোতাবেক সেলিম আহমদ বোনের দিকে তাকিয়ে তার সব কিছু ছেড়ে বোনের স্বামীর সেবা যতœ সহ সব কিছু করতে থাকেন। সে সময় তাদের আতœীয় কাদির মিয়া, রাসেদ মিয়া,রব মিয়া, কদ্দুস মিয়া, ছাদ মিয়া, কালাম মিয়া সহ অনেকের বিরাগ ভাজন হয়ে পড়েন। তাদের স্বার্থ হাসিল হচ্ছেনা দেখে তার বোনের পরিবার ও তার উপর ষড়যন্ত্র করতে থাকে। বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে সে সময় তার বোন ও তাকে হয়রনী করা হয়। ষড়যন্ত্রকারীদের খপ্পড়ে পড়ে কয়েকবার তাকে জেলে যেতে হয়েছে। ২০১০ সালে সেলিম আহমদের বোনের স্বামী আহমদ আলী মারা গেলে ষড়যন্ত্রকারীৃরা তার বোনকে ভূল বুঝিয়ে তার পাওনা টাকা অস্বীকার করার পরামর্শ দেয়। পরবর্তীতে তার উপর বিভিন্ন অভিযোগ সহ মামলা দেওয়ায়। এমনকি সেলিম আহমদের পরিবারকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। তার স্কুল কলেজে পড়–য়া ৪ মেয়েকে অপহন করার হুমকি দিচ্ছে। যার ফলে মেয়েরা স্কুল কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এব্যাপারে সেলিম আহমদ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট সুশৃংখল জীবন যাপন করার সু-ব্যবস্থা করে দেওযার আবেদন করেছেণ।