1:48 am, Monday, 19 January 2026

শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি ::মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করে। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক বিপ্লব দাশ জানান, আজ শ্রীমঙ্গলে ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এখানে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এদিকে শ্রীমঙ্গলসহ জেলার বেশ কিছু উপজেলায় বেশ কয়েকদিন যাবৎ বেশ ঠান্ডা পড়েছে। কখনো কখনো সন্ধ্যার পর প্রচন্ড কুয়াশা পড়ে এবং সকাল দশটা এগারোটা পর্যন্ত কুয়াশা অব্যাহত থাকে। সে সময় তাপমাত্রা কম থাকলেও শ্রীমঙ্গলে সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিলেছে। ঝলমলে রোদ উষ্ণতা ছড়িয়েছে। শ্রীমঙ্গল শহর ও শহরের বাইরের এলাকাগুলোয় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর শহরে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকলেও গ্রাম ও চা–বাগানে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়। ঠান্ডার সঙ্গে হিমেল বাতাসের কারণে বিপাকে পড়েন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষেরা। চা–বাগানগুলোয় শীত উপেক্ষা করে সকালবেলা কাজে বের হতে দেখা গেছে চা–শ্রমিকদের।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

Update Time : 01:25:06 pm, Monday, 8 January 2024

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি ::মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করে। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক বিপ্লব দাশ জানান, আজ শ্রীমঙ্গলে ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এখানে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এদিকে শ্রীমঙ্গলসহ জেলার বেশ কিছু উপজেলায় বেশ কয়েকদিন যাবৎ বেশ ঠান্ডা পড়েছে। কখনো কখনো সন্ধ্যার পর প্রচন্ড কুয়াশা পড়ে এবং সকাল দশটা এগারোটা পর্যন্ত কুয়াশা অব্যাহত থাকে। সে সময় তাপমাত্রা কম থাকলেও শ্রীমঙ্গলে সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিলেছে। ঝলমলে রোদ উষ্ণতা ছড়িয়েছে। শ্রীমঙ্গল শহর ও শহরের বাইরের এলাকাগুলোয় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর শহরে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকলেও গ্রাম ও চা–বাগানে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়। ঠান্ডার সঙ্গে হিমেল বাতাসের কারণে বিপাকে পড়েন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষেরা। চা–বাগানগুলোয় শীত উপেক্ষা করে সকালবেলা কাজে বের হতে দেখা গেছে চা–শ্রমিকদের।