3:16 am, Tuesday, 25 August 2026

সুদানের দারফুরে সংঘর্ষে নিহত ৪০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: সুদানের পশ্চিমাঞ্চলীয় দারফুর রাজ্যে তিন দিনের সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন নিহত এবং ৫৮ জন আহত হয়েছে।

সোমবার জাতিসংঘ এ কথা জানায়।

চাদ সীমান্তবর্তী পশ্চিম দারফুরের রাজধানী আল জেনিনার বাসিন্দারা জানান, সোমবার ভোরে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আকাশে ধোঁয়ার কুন্ডলী উঠতে দেখা গেছে। এ ছাড়া সহিংসতা থেকে রক্ষা পেতে লোকজন ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয় কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩ এপ্রিল থেকে ৪০ জন লোক মারা গেছে।

এতে আরও বলা হয়, আল জেনিনা শহরে আরব ও অনারব জাতিগত গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে। শহরে উত্তেজনা চলছে।

সুদানের প্রতিরক্ষা পরিষদ পশ্চিম দারফুরে জরুরি অবস্থা জারি এবং সেনা মোতায়েন করেছে।

জাতিসংঘের হিসাব মতে, দারফুর অঞ্চলে ২০০৩ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধে প্রায় তিন লাখ লোক প্রাণ হারিয়েছে এবং ২৫ লাখ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

ওই অঞ্চলে জাতিসংঘ ও আফ্রিকান ইউনিয়ন গত ৩১ ডিসেম্বর তাদের শান্তিরক্ষা মিশন শেষ করে। এ কারণে এখানকার বাসিন্দারা আবারো সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করছেন।

জানুয়ারিতে সংঘর্ষে ২ শতাধিক লোক নিহত হয়েছে, যা বিগত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রক্তপাতের ঘটনা।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

নুসরাত হত্যায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন; ১০ জন খালাস

সুদানের দারফুরে সংঘর্ষে নিহত ৪০

Update Time : 07:09:07 am, Tuesday, 6 April 2021

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: সুদানের পশ্চিমাঞ্চলীয় দারফুর রাজ্যে তিন দিনের সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন নিহত এবং ৫৮ জন আহত হয়েছে।

সোমবার জাতিসংঘ এ কথা জানায়।

চাদ সীমান্তবর্তী পশ্চিম দারফুরের রাজধানী আল জেনিনার বাসিন্দারা জানান, সোমবার ভোরে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আকাশে ধোঁয়ার কুন্ডলী উঠতে দেখা গেছে। এ ছাড়া সহিংসতা থেকে রক্ষা পেতে লোকজন ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয় কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩ এপ্রিল থেকে ৪০ জন লোক মারা গেছে।

এতে আরও বলা হয়, আল জেনিনা শহরে আরব ও অনারব জাতিগত গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে। শহরে উত্তেজনা চলছে।

সুদানের প্রতিরক্ষা পরিষদ পশ্চিম দারফুরে জরুরি অবস্থা জারি এবং সেনা মোতায়েন করেছে।

জাতিসংঘের হিসাব মতে, দারফুর অঞ্চলে ২০০৩ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধে প্রায় তিন লাখ লোক প্রাণ হারিয়েছে এবং ২৫ লাখ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

ওই অঞ্চলে জাতিসংঘ ও আফ্রিকান ইউনিয়ন গত ৩১ ডিসেম্বর তাদের শান্তিরক্ষা মিশন শেষ করে। এ কারণে এখানকার বাসিন্দারা আবারো সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশংকা করছেন।

জানুয়ারিতে সংঘর্ষে ২ শতাধিক লোক নিহত হয়েছে, যা বিগত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রক্তপাতের ঘটনা।