3:37 am, Friday, 16 October 2026

আশা ছিল তিনি ফিরে আসবেন, কিন্তু আসলেন না : পররাষ্ট্রপতি

ডেস্ক রিপোর্ট : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া সাধারণ একজন মানুষ, তিনি অত্যন্ত ভালো একজন মানুষ ছিলেন। প্রথম যখন নির্বাচনের প্রার্থী হই, আমরা দুজন পাশাপাশি টেবিলে বসে ফরম পূরণ করি। একসঙ্গে জমা দেই। তিনি তার সব ধরনের সমস্যা আমার সঙ্গে শেয়ার করতেন।

তিনি বলেন, শারীরিক অসুস্থতা সারাতে তিনি বিভিন্ন দেশে গেছেন, তার সঙ্গে আমার যোগাযোগ ছিল। আমার আশা ছিল, তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন। তিনি ফিরে আসলেন না— এটাই সবচেয়ে বড় দুঃখ। আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেল।

সোমবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে ডেপুটি স্পিকারের জানাজায় অংশ নিতে এসে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজের এলাকার লোকের জন্য তদবির করতে লজ্জা করতেন না। এলাকার লোকজনের জন্য তিনি সুপারিশ করতেন। তবে ন্যায্য লোকদের জন্যই এই সুপারিশ করা হতো।

শুক্রবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে (নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৪টা) যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ফজলে রাব্বী মিয়া। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

  • ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ফয়জার রহমান এবং মায়ের নাম হামিদুন নেছা।
Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কুলাউড়ার শিববাড়িতে প্রস্তুত এক হাজার হাতের প্রতিমা: আসবেন লক্ষাধিক দর্শনার্থী

আশা ছিল তিনি ফিরে আসবেন, কিন্তু আসলেন না : পররাষ্ট্রপতি

Update Time : 06:53:41 am, Monday, 25 July 2022

ডেস্ক রিপোর্ট : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া সাধারণ একজন মানুষ, তিনি অত্যন্ত ভালো একজন মানুষ ছিলেন। প্রথম যখন নির্বাচনের প্রার্থী হই, আমরা দুজন পাশাপাশি টেবিলে বসে ফরম পূরণ করি। একসঙ্গে জমা দেই। তিনি তার সব ধরনের সমস্যা আমার সঙ্গে শেয়ার করতেন।

তিনি বলেন, শারীরিক অসুস্থতা সারাতে তিনি বিভিন্ন দেশে গেছেন, তার সঙ্গে আমার যোগাযোগ ছিল। আমার আশা ছিল, তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন। তিনি ফিরে আসলেন না— এটাই সবচেয়ে বড় দুঃখ। আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেল।

সোমবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে ডেপুটি স্পিকারের জানাজায় অংশ নিতে এসে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজের এলাকার লোকের জন্য তদবির করতে লজ্জা করতেন না। এলাকার লোকজনের জন্য তিনি সুপারিশ করতেন। তবে ন্যায্য লোকদের জন্যই এই সুপারিশ করা হতো।

শুক্রবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে (নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৪টা) যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ফজলে রাব্বী মিয়া। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

  • ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ফয়জার রহমান এবং মায়ের নাম হামিদুন নেছা।