5:59 am, Sunday, 18 October 2026

এমপি হারুনের ৫ বছর সাজা বহাল

ডেস্ক রিপোর্ট : শুল্ক ফাঁকি দিয়ে গাড়ি ক্রয়ের মামলায় বিএনপির এমপি হারুন অর রশীদের ৫ বছরের কারাদণ্ড বহাল থাকল হাইকোর্টের রায়েও।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়। একই মামলায় সাজা বহাল আছে চ্যানেল ৯ এর এমডি এনায়েতুর রহমান বাপ্পীরও।

গত ২১ অক্টোবর হারুন অর রশিদকে ৫ বছরের দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। শুল্কমুক্ত গাড়ি এনে তা বিক্রি করে আত্মসাতের ঘটনায় দুদকের দায়ের করা মামলায় তাকে এই সাজা দেয়া হয়। এ মামলায় আরও দুজনকে সাজা দেয়া হয়েছে। তারা হলেন ব্যবসায়ী এনায়েতুর রহমান ও গাড়ি ব্যবসায়ী ইশতিয়াক সাদেক।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সংসদ সদস্য থাকাবস্থায় শুল্কমুক্ত গাড়ি এনে তা বিক্রির ঘটনায় হারুন অর রশীদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ১৭ই মার্চ রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়। মামলার বাদী হলেন- পুলিশের উপপরিদর্শক ইউনুস আলী। মামলাটি তদন্ত করে হারুন অর রশীদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৮ জুলাই আদালতে চার্জশিট দেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোনায়েম হোসেন। পরে আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে হারুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একই বছরের ২০ আগস্ট বিচার শুরু করেন। যার ধারাবাহিকতায় গত ২১ অক্টোবর হারুনুর রশীদকে পাঁচ বছরের দণ্ডাদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

সাড়ে চার ঘণ্টায় রাজধানীর ১৩ স্থানে প্রধানমন্ত্রী, পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অসন্তোষ

এমপি হারুনের ৫ বছর সাজা বহাল

Update Time : 08:21:41 am, Thursday, 9 December 2021

ডেস্ক রিপোর্ট : শুল্ক ফাঁকি দিয়ে গাড়ি ক্রয়ের মামলায় বিএনপির এমপি হারুন অর রশীদের ৫ বছরের কারাদণ্ড বহাল থাকল হাইকোর্টের রায়েও।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়। একই মামলায় সাজা বহাল আছে চ্যানেল ৯ এর এমডি এনায়েতুর রহমান বাপ্পীরও।

গত ২১ অক্টোবর হারুন অর রশিদকে ৫ বছরের দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। শুল্কমুক্ত গাড়ি এনে তা বিক্রি করে আত্মসাতের ঘটনায় দুদকের দায়ের করা মামলায় তাকে এই সাজা দেয়া হয়। এ মামলায় আরও দুজনকে সাজা দেয়া হয়েছে। তারা হলেন ব্যবসায়ী এনায়েতুর রহমান ও গাড়ি ব্যবসায়ী ইশতিয়াক সাদেক।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সংসদ সদস্য থাকাবস্থায় শুল্কমুক্ত গাড়ি এনে তা বিক্রির ঘটনায় হারুন অর রশীদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ১৭ই মার্চ রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়। মামলার বাদী হলেন- পুলিশের উপপরিদর্শক ইউনুস আলী। মামলাটি তদন্ত করে হারুন অর রশীদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৮ জুলাই আদালতে চার্জশিট দেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোনায়েম হোসেন। পরে আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে হারুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একই বছরের ২০ আগস্ট বিচার শুরু করেন। যার ধারাবাহিকতায় গত ২১ অক্টোবর হারুনুর রশীদকে পাঁচ বছরের দণ্ডাদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত।