1:56 am, Saturday, 17 October 2026

দেশে বন্যায় ৩৬ জনের প্রাণহানি

ডেস্ক রিপোর্ট :: দেশের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ডায়রিয়া, সর্প দংশন, পানিতে ডুবে ও আঘাতজনিত কারণসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে সারাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৭ মে থেকে ২১ জুন পর্যন্ত ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ জন, রংপুর বিভাগে তিন জন এবং সিলেট বিভাগে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত ৩৬ জনের মধ্যে বজ্রপাতে ১২ জন, সাপের কামড়ে একজন, বন্যার পানিতে ডুবে ১৭ জন এবং অন্যান্য কারণে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে ২ হাজার ৯৩৪ জন আক্রান্ত হয়েছে।

এদিকে সিলেটে দ্বিতীয় ধাপের ভয়াবহ বন্যার কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও সার্বিক পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়নি।

নগরীর নিন্মাঞ্চলের বাসাবাড়ি ও রাস্তাঘাট এখনো প্লাবিত। উপশহরের প্রধান সড়কে কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও কোমর পর্যন্ত ডুবে আছে। ফলে বন্যা কবলিত এলাকায় মানুষের দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

নগরীর বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হলেও প্লাবিত এলাকার মানুষ এখনও অন্ধকারে রয়েছেন। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম সংকটে রয়েছেন নগরবাসী।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মৌলভীবাজারে নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দেশে বন্যায় ৩৬ জনের প্রাণহানি

Update Time : 01:37:42 pm, Tuesday, 21 June 2022

ডেস্ক রিপোর্ট :: দেশের বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ডায়রিয়া, সর্প দংশন, পানিতে ডুবে ও আঘাতজনিত কারণসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে সারাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৭ মে থেকে ২১ জুন পর্যন্ত ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ জন, রংপুর বিভাগে তিন জন এবং সিলেট বিভাগে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত ৩৬ জনের মধ্যে বজ্রপাতে ১২ জন, সাপের কামড়ে একজন, বন্যার পানিতে ডুবে ১৭ জন এবং অন্যান্য কারণে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে ২ হাজার ৯৩৪ জন আক্রান্ত হয়েছে।

এদিকে সিলেটে দ্বিতীয় ধাপের ভয়াবহ বন্যার কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও সার্বিক পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়নি।

নগরীর নিন্মাঞ্চলের বাসাবাড়ি ও রাস্তাঘাট এখনো প্লাবিত। উপশহরের প্রধান সড়কে কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও কোমর পর্যন্ত ডুবে আছে। ফলে বন্যা কবলিত এলাকায় মানুষের দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

নগরীর বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হলেও প্লাবিত এলাকার মানুষ এখনও অন্ধকারে রয়েছেন। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম সংকটে রয়েছেন নগরবাসী।